যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য উত্তেজনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দিতে ১২ বিলিয়ন ডলারের যে প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, তা প্রত্যাশিত স্বস্তি আনতে পারেনি। অনেক কৃষকই বলছেন—এই সহায়তা খুব কম, খুব দেরিতে এসেছে এবং শুল্ক আরোপ না হলে এ ধরনের প্রণোদনার প্রয়োজনই হতো না।
ঘোষণা ও ট্রাম্পের অবস্থান
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁর শুল্কনীতি এবং চীনের সঙ্গে আলোচনার ফলেই এই সহায়তা সম্ভব হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, বিশাল পরিমাণ সয়াবিন বিক্রি পুনরায় শুরু করেছে চীন। তাঁর ভাষ্য, ১২ বিলিয়ন ডলার ‘অনেক বড় একটি অঙ্ক’ এবং এটি শুল্কনীতি ছাড়া সম্ভব হতো না।
কৃষকদের অসন্তোষ
ঘোষণা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের বহু কৃষকের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বহু কৃষক কম দাম, বাজার হারানো এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মুখে পড়ে বলছেন—এই সাহায্য বাস্তব সমস্যার সমাধান নয়।
ইলিনয়ের সয়াবিন চাষি জন বার্টম্যান বলেন, এই সহায়তা ‘বালতির কয়েক ফোঁটার’ মতো, যা চীন সাধারণত এক স্বাভাবিক বছরেই কিনত। তাঁর অভিযোগ, ‘পুরো পরিস্থিতিটাই অযৌক্তিক। আমরা কেন এই অবস্থায়? চীন কেন তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করছে না? আর আমাদের কেন এই ক্ষতিপূরণ নিতে হচ্ছে?’

সরকারের সহায়তা পরিকল্পনা
মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রোলিন্স জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকদের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলার সরাসরি সহায়তা বা ‘ব্রিজ পেমেন্ট’ হিসেবে দেওয়া হবে। বাকি ১ বিলিয়ন ডলার বিশেষ পণ্য উৎপাদনকারীদের চাহিদা মূল্যায়নের জন্য সংরক্ষণ করা হবে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
ট্রাম্প তাঁর পূর্বসূরি জো বাইডেনকে ‘চরম বিশৃঙ্খলা’ ও ‘সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি’র জন্য দায়ী করেন। তাঁর দাবি, বর্তমান সহায়তা প্যাকেজ প্রয়োজনীয় হলেও এটি শুল্ক আরোপ না হলে লাগতো না।
#tags #USChinaTrade #USFarmers #Trump #Soybeans #AgricultureAid
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















