০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রাশিয়া হোয়াটসঅ্যাপ পুরোপুরি বন্ধ করে নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় ম্যাক্স মেসেঞ্জার ব্যবহারে চাপ দিচ্ছে মার্কেট ক্ষুদ্র বাড়তি চাপের মাঝে পতনের পথে এআই-চালিত চাহিদায় ক্যাপজেমিনি আয় অতিক্রম করলো ফখরুলের কঠোর সমালোচনা জামাতকে ‘চরমপন্থী দল’ বললেন, ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন বাংলাদেশকে, বিএনপিকে ‘ঐতিহাসিক জয়ের’ শুভেচ্ছা মোদির ফোনে তারেককে অভিনন্দন, ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত খুলনায় স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা মমতা জানালেন তারিক রহমানকে অভিনন্দন ওলিম্পিকে ‘স্মৃতির হেলমেট’ বিতর্কে ইউক্রেনের স্কেলেটন অ্যাথলেট কে উঠে গেলেন প্রতিযোগিতা থেকে  ঢাকায় বিরল শান্তি বিরাজ করছে পার্লামেন্ট নির্বাচন পরবর্তী দিনে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৭)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 58

কুর্মিটোলার ক্রু’রা সারারাত ধরে বিমানে সাপ্লাই বোঝাই করার কাজে বাস্ত থাকত…

অ্যান্থনি কুর্মিটোলায় চলে আসেন। এখানে তিনি, নিউ জার্সির জেমস কার্টি, পেনসিলভেনিয়ার জেমস ম্যাটিস ও ক্যালিফোর্নিয়ার মিঃ ক্র্যাবসের সঙ্গে একটি তাঁবুতে থাকতেন। এখানে তাঁদের একজন কাজের ছেলে ছিলো, বাঙালি, নাম সাবুচন্দ্র দে। সাবুর কাজ ছিলো ঝাড়ুটাডু দিয়ে তাঁবু-ঘরটিকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং চারজনের বিছানা করে দেয়া। চার মার্কিন অফিসার মিলেমিশে সাবুকে মাসে মাসে পনেরো রুপী করে বেতন দিতেন।

অ্যান্থনি সিলভা সেনা তাঁবুগুলোর একটিতে থাকতেন।

অ্যান্থনি বলেন যে সেনাবাহিনীর মেসে সাধারণত আমেরিকান খাদ্য দেয়া হতো, তবে মাঝেমধ্যে স্থানীয় খাদ্যও পরিবেশিত হতো। কারি-খাদ্যের স্বাদ। অ্যান্টনির খুব পছন্দের ছিল। ঢাকা রেস-কোর্সের কাছে “রেনদিভূ” (Rendezvous) নামক একটি রেস্টুরেন্ট ছিল, স্থানীয় খাদ্য খেতে অ্যান্টনি রেস্টুরেন্টটিতে যেতেন।

কুর্মিটোলার ক্রু’রা সারারাত ধরে বিমানে সাপ্লাই বোঝাই করার কাজে বাস্ত থাকত যাতে সাতসকালে যদি না-ও হয় তো অন্তত সকাল বেলার দিকে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বিমান যেনো সাপ্লাই নিয়ে গন্তব্যস্থলের পথে রওনা হতে পারে। কারণ, খুব ভোর বেলার দিকে কুয়াশা থাকলে “সি-১০৯” বিমানের জন্য উড্ডয়ন বেশ কঠিন হতো।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৬)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়া হোয়াটসঅ্যাপ পুরোপুরি বন্ধ করে নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় ম্যাক্স মেসেঞ্জার ব্যবহারে চাপ দিচ্ছে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৭)

০৯:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

কুর্মিটোলার ক্রু’রা সারারাত ধরে বিমানে সাপ্লাই বোঝাই করার কাজে বাস্ত থাকত…

অ্যান্থনি কুর্মিটোলায় চলে আসেন। এখানে তিনি, নিউ জার্সির জেমস কার্টি, পেনসিলভেনিয়ার জেমস ম্যাটিস ও ক্যালিফোর্নিয়ার মিঃ ক্র্যাবসের সঙ্গে একটি তাঁবুতে থাকতেন। এখানে তাঁদের একজন কাজের ছেলে ছিলো, বাঙালি, নাম সাবুচন্দ্র দে। সাবুর কাজ ছিলো ঝাড়ুটাডু দিয়ে তাঁবু-ঘরটিকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং চারজনের বিছানা করে দেয়া। চার মার্কিন অফিসার মিলেমিশে সাবুকে মাসে মাসে পনেরো রুপী করে বেতন দিতেন।

অ্যান্থনি সিলভা সেনা তাঁবুগুলোর একটিতে থাকতেন।

অ্যান্থনি বলেন যে সেনাবাহিনীর মেসে সাধারণত আমেরিকান খাদ্য দেয়া হতো, তবে মাঝেমধ্যে স্থানীয় খাদ্যও পরিবেশিত হতো। কারি-খাদ্যের স্বাদ। অ্যান্টনির খুব পছন্দের ছিল। ঢাকা রেস-কোর্সের কাছে “রেনদিভূ” (Rendezvous) নামক একটি রেস্টুরেন্ট ছিল, স্থানীয় খাদ্য খেতে অ্যান্টনি রেস্টুরেন্টটিতে যেতেন।

কুর্মিটোলার ক্রু’রা সারারাত ধরে বিমানে সাপ্লাই বোঝাই করার কাজে বাস্ত থাকত যাতে সাতসকালে যদি না-ও হয় তো অন্তত সকাল বেলার দিকে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বিমান যেনো সাপ্লাই নিয়ে গন্তব্যস্থলের পথে রওনা হতে পারে। কারণ, খুব ভোর বেলার দিকে কুয়াশা থাকলে “সি-১০৯” বিমানের জন্য উড্ডয়ন বেশ কঠিন হতো।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৬)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৭৬)