২০২৫ সালে চীনের সামরিক খাতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বিশ্বজুড়ে নজর কেড়েছে। আধুনিক যুদ্ধজাহাজ থেকে শুরু করে যুদ্ধবিমান ও কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র—সব মিলিয়ে দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। বছরের আলোচিত কয়েকটি সামরিক উন্নয়নের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।
ফুজিয়ান যুদ্ধজাহাজের আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি
চীনের সবচেয়ে আধুনিক বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ফুজিয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হাইনান প্রদেশের সানইয়া শহরে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বুধবার এটি কার্যক্রমে প্রবেশ করে। এটি চীনের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার দিক থেকে আগের দুটি জাহাজের তুলনায় অনেক এগিয়ে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ভারত–পাকিস্তান আকাশযুদ্ধে জে–১০সি’র পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা
মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর মধ্যে সংঘটিত এক আকাশযুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সেই সংঘর্ষে চীনে নির্মিত জে–১০সি যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের উন্নত রাফাল যুদ্ধবিমানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এই তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর চীনা সামরিক প্রযুক্তির সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয় বিশ্বজুড়ে।
জিংলেই–১ ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা
চীনের নতুন দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র জিংলেই–১ এর আত্মপ্রকাশ দেশটির কৌশলগত প্রতিরোধ শক্তিতে বড় সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে চীন আকাশ, সমুদ্র ও স্থল—তিন ক্ষেত্রেই পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। পরিবর্তিত এইচ–৬এন কৌশলগত বোমারু বিমানে এটি বহন করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতে আরও আধুনিক বোমারু বিমানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও জোরদার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















