মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি বন্ধের জেরে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য এখন সংকটে। কন্টেইনার ঘাটতি ও মালবাহী চার্জ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। ট্রান্সশিপমেন্ট হাবে আটকে রয়েছে কাঁচামাল, আর রপ্তানি চালানও সময়মতো পাঠানো যাচ্ছে না।
এলপিজি ও পেট্রো-রাসায়নিকে তীব্র সংকট
শিপিং এজেন্ট কোম্পানি সিওয়েভ মেরিন সার্ভিসের সিইও শেখ সামিউল ইসলাম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের রুটে জাহাজ পাওয়াই এখন দায়। এলপিজি ও এলএনজি আনার জন্য জাহাজ ভাড়া এতটাই বেড়ে গেছে যে অনেক আমদানিকারক প্রায় অচল হয়ে পড়েছেন। আমেরিকা থেকে আনতে হলে আরও বেশি দূরত্ব পাড়ি দিতে হয় বলে খরচ আরও বেশি।
পচনশীল পণ্য রপ্তানিকারকরা মার খাচ্ছেন সবচেয়ে বেশি
চট্টগ্রামভিত্তিক রাসায়নিক রপ্তানিকারক স্মার্ট গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ক্যাপ্টেন মাইনুল আহসান জানান, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় জাহাজই পাওয়া যাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যে যেসব খাদ্য পণ্য রপ্তানির কথা ছিল, সেগুলো ডিপোতে ফেরত এসেছে। শিপিং লাইনগুলো গড়ে ২০ শতাংশ অতিরিক্ত বাংকার সারচার্জ আরোপ করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন চাপ
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক শাহেদ সরওয়ার জানান, জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রধান শিপিং লাইনগুলো বাংকারিং অ্যাডজাস্টমেন্ট ফ্যাক্টর বা জ্বালানি সারচার্জ যোগ করছে, যা বাংলাদেশি আমদানি-রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















