০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালী খুলেছে দাবি ইরানের, তবু শঙ্কা কাটেনি—১৩৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আটকে, বাজারে সতর্ক আশাবাদ কাঁচা বাজারে আগুনের তাপ, সবজির দামে হাঁসফাঁস সাধারণ মানুষ ফিলিপাইনের ধানচাষি: বাড়ছে খরচ, কমছে আয় মার্কিন নেতৃত্বের ভুলে বিশ্ব অর্থনীতিতে উদ্বেগ বাড়ছে হরমুজ প্রণালীতে অনিশ্চয়তা: অনেক জাহাজ এখনও পথ এড়িয়ে চলছে জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি: অস্ট্রেলিয়াকে উন্নত মোগামি যুদ্ধজাহাজ দিচ্ছে টোকিও ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকারের প্রথম বড় আইনগত পরাজয় ই-সিগারেট নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে বড় ঝুঁকি: তরুণদের সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান চায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন উত্তেজনা: চুক্তি না হলে ইরানের বন্দর অবরোধ থাকবে—ট্রাম্পের কড়া বার্তা হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন উত্তেজনা: চুক্তি না হলে ইরানের বন্দর অবরোধ বহাল রাখবে যুক্তরাষ্ট্র

দিদির ‘নারী বাহিনী’: চতুর্থ মেয়াদের লড়াইয়ে মমতার শক্ত ঘাঁটি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনেকেই সাধারণ চেহারার এক নেতা হিসেবে দেখেন। কিন্তু তাঁর এই সাধারণতার আড়ালেই লুকিয়ে আছে কঠিন লড়াইয়ের ইতিহাস এবং শক্তিশালী রাজনৈতিক কৌশল। সাদা সুতির শাড়ি, সাধারণ চপ্পল আর বিনুনি করা চুল—এই পরিচিত চেহারার পেছনে তিনি বহু শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মানুষের কাছে ‘দিদি’ হিসেবে পরিচিত, যিনি নারীকেন্দ্রিক একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন।

নারী নেতৃত্বের শক্ত ভিত

তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে মমতার সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি হলো নারী নেতৃত্বের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। বুথ স্তর থেকে শুরু করে মন্ত্রীসভা—সব জায়গাতেই নারীদের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনেও নারীরা সামনের সারিতে ছিলেন। নির্বাচনে প্রায় ৪০ শতাংশ টিকিট নারীদের দেওয়া হয়েছে, যা বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে এবারও মমতার পাশে রয়েছেন এক শক্তিশালী নারী নেতৃত্বের দল, যারা রাজ্যের রাজপথ থেকে দিল্লির ক্ষমতার করিডোর—সব জায়গাতেই সক্রিয়।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত মুখ

দলের অন্যতম প্রবীণ নেতা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বর্তমানে অর্থ, স্বাস্থ্য, পরিবারকল্যাণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন। শুরুতে তিনি কংগ্রেসে থাকলেও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মমতার ঘনিষ্ঠ হয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। দলীয় আস্থা ও অভিজ্ঞতার কারণে তিনি এখনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

শশী পাঞ্জা: নীতি ও বাস্তবায়নের সেতুবন্ধন

চিকিৎসক থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা শশী পাঞ্জা বর্তমানে শিল্প ও নারী-শিশু কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্বে আছেন। ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইংরেজি ও বাংলায় সাবলীলভাবে কথা বলার দক্ষতার জন্য তিনি দলের অন্যতম মুখপাত্র হিসেবেও পরিচিত।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার: পুরনো দিনের সঙ্গী

চিকিৎসক ও সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার মমতার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা। যুব কংগ্রেসের সময় থেকেই তিনি মমতার পাশে ছিলেন এবং তৃণমূল গঠনের সময়ও তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দুই ক্ষেত্রেই তাঁর ঘনিষ্ঠতা দলের ভিতকে মজবুত করেছে।

ডোলা সেন: আন্দোলন থেকে সংসদে

শ্রমিক আন্দোলনের নেতা হিসেবে পরিচিত ডোলা সেন পরে তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনে জাতীয় পর্যায়ের সমর্থন জোগাড় করMany in Bengal will lose shelter if BJP wins: Mamata Banerjeeতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি রাজ্যসভার সদস্য এবং দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর।

 

বীরবাহা হাঁসদা: নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি

সাঁওতালি চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ বীরবাহা হাঁসদা রাজনীতিতে আসেন পারিবারিক সূত্রে। একাধিক নির্বাচনে হারার পর ২০২১ সালে জয় পান এবং এরপরই মন্ত্রীসভায় জায়গা করে নেন। আদিবাসী সমাজে তাঁর প্রভাব দলকে নতুন শক্তি দিয়েছে।

লতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ব্যক্তিগত আস্থার কেন্দ্র

মমতার ঘনিষ্ঠ পরিবার সদস্য হিসেবে লতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পাশে রয়েছেন। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের নানা পর্যায়ে তিনি মমতার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে তদন্ত সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেও তাঁর গুরুত্ব কমেনি।

কৃষ্ণা চক্রবর্তী: চার দশকের সম্পর্ক

১৯৮৪ সাল থেকে মমতার সঙ্গে কৃষ্ণা চক্রবর্তীর সম্পর্ক। ব্যক্তিগতভাবে মা-মেয়ের মতো সম্পর্কের কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি তৃণমূল মহিলা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন এবং মমতার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

মহুয়া মৈত্র: দিল্লির জোরালো কণ্ঠ

মহুয়া মৈত্র দলটির দিল্লির মুখ হিসেবে পরিচিত। বিনিয়োগ ব্যাংকার থেকে রাজনীতিতে এসে দ্রুত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সংসদে তাঁর বক্তৃতা ও সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করে তুলেছে। বিতর্কে জড়ালেও তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

সাগরিকা ঘোষ ও মেনকা গুরুস্বামী: নতুন শক্তি

রাজ্যসভার এই দুই সদস্য তৃণমূলের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। একজন সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে এসেছেন, অন্যজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। দু’জনেই দলের জাতীয় পর্যায়ের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছেন।

চতুর্থ মেয়াদের লড়াইয়ে নারীর ভূমিকা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের একমাত্র নারী নেতা, যিনি নিজের দল ও সরকার—দুই ক্ষেত্রেই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার এই লড়াইয়ে তাঁর সবচেয়ে বড় ভরসা এই নারী নেতৃত্বের শক্তিশালী দল, যারা দলকে সংগঠিত রাখা থেকে শুরু করে নির্বাচনী লড়াই পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী খুলেছে দাবি ইরানের, তবু শঙ্কা কাটেনি—১৩৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আটকে, বাজারে সতর্ক আশাবাদ

দিদির ‘নারী বাহিনী’: চতুর্থ মেয়াদের লড়াইয়ে মমতার শক্ত ঘাঁটি

০৭:২৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনেকেই সাধারণ চেহারার এক নেতা হিসেবে দেখেন। কিন্তু তাঁর এই সাধারণতার আড়ালেই লুকিয়ে আছে কঠিন লড়াইয়ের ইতিহাস এবং শক্তিশালী রাজনৈতিক কৌশল। সাদা সুতির শাড়ি, সাধারণ চপ্পল আর বিনুনি করা চুল—এই পরিচিত চেহারার পেছনে তিনি বহু শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মানুষের কাছে ‘দিদি’ হিসেবে পরিচিত, যিনি নারীকেন্দ্রিক একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন।

নারী নেতৃত্বের শক্ত ভিত

তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে মমতার সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি হলো নারী নেতৃত্বের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। বুথ স্তর থেকে শুরু করে মন্ত্রীসভা—সব জায়গাতেই নারীদের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনেও নারীরা সামনের সারিতে ছিলেন। নির্বাচনে প্রায় ৪০ শতাংশ টিকিট নারীদের দেওয়া হয়েছে, যা বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে এবারও মমতার পাশে রয়েছেন এক শক্তিশালী নারী নেতৃত্বের দল, যারা রাজ্যের রাজপথ থেকে দিল্লির ক্ষমতার করিডোর—সব জায়গাতেই সক্রিয়।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত মুখ

দলের অন্যতম প্রবীণ নেতা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বর্তমানে অর্থ, স্বাস্থ্য, পরিবারকল্যাণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন। শুরুতে তিনি কংগ্রেসে থাকলেও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মমতার ঘনিষ্ঠ হয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। দলীয় আস্থা ও অভিজ্ঞতার কারণে তিনি এখনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

শশী পাঞ্জা: নীতি ও বাস্তবায়নের সেতুবন্ধন

চিকিৎসক থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা শশী পাঞ্জা বর্তমানে শিল্প ও নারী-শিশু কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্বে আছেন। ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইংরেজি ও বাংলায় সাবলীলভাবে কথা বলার দক্ষতার জন্য তিনি দলের অন্যতম মুখপাত্র হিসেবেও পরিচিত।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার: পুরনো দিনের সঙ্গী

চিকিৎসক ও সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার মমতার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা। যুব কংগ্রেসের সময় থেকেই তিনি মমতার পাশে ছিলেন এবং তৃণমূল গঠনের সময়ও তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দুই ক্ষেত্রেই তাঁর ঘনিষ্ঠতা দলের ভিতকে মজবুত করেছে।

ডোলা সেন: আন্দোলন থেকে সংসদে

শ্রমিক আন্দোলনের নেতা হিসেবে পরিচিত ডোলা সেন পরে তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনে জাতীয় পর্যায়ের সমর্থন জোগাড় করMany in Bengal will lose shelter if BJP wins: Mamata Banerjeeতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি রাজ্যসভার সদস্য এবং দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর।

 

বীরবাহা হাঁসদা: নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি

সাঁওতালি চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ বীরবাহা হাঁসদা রাজনীতিতে আসেন পারিবারিক সূত্রে। একাধিক নির্বাচনে হারার পর ২০২১ সালে জয় পান এবং এরপরই মন্ত্রীসভায় জায়গা করে নেন। আদিবাসী সমাজে তাঁর প্রভাব দলকে নতুন শক্তি দিয়েছে।

লতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ব্যক্তিগত আস্থার কেন্দ্র

মমতার ঘনিষ্ঠ পরিবার সদস্য হিসেবে লতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পাশে রয়েছেন। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের নানা পর্যায়ে তিনি মমতার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে তদন্ত সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেও তাঁর গুরুত্ব কমেনি।

কৃষ্ণা চক্রবর্তী: চার দশকের সম্পর্ক

১৯৮৪ সাল থেকে মমতার সঙ্গে কৃষ্ণা চক্রবর্তীর সম্পর্ক। ব্যক্তিগতভাবে মা-মেয়ের মতো সম্পর্কের কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি তৃণমূল মহিলা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন এবং মমতার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

মহুয়া মৈত্র: দিল্লির জোরালো কণ্ঠ

মহুয়া মৈত্র দলটির দিল্লির মুখ হিসেবে পরিচিত। বিনিয়োগ ব্যাংকার থেকে রাজনীতিতে এসে দ্রুত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সংসদে তাঁর বক্তৃতা ও সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করে তুলেছে। বিতর্কে জড়ালেও তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

সাগরিকা ঘোষ ও মেনকা গুরুস্বামী: নতুন শক্তি

রাজ্যসভার এই দুই সদস্য তৃণমূলের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। একজন সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে এসেছেন, অন্যজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। দু’জনেই দলের জাতীয় পর্যায়ের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছেন।

চতুর্থ মেয়াদের লড়াইয়ে নারীর ভূমিকা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের একমাত্র নারী নেতা, যিনি নিজের দল ও সরকার—দুই ক্ষেত্রেই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার এই লড়াইয়ে তাঁর সবচেয়ে বড় ভরসা এই নারী নেতৃত্বের শক্তিশালী দল, যারা দলকে সংগঠিত রাখা থেকে শুরু করে নির্বাচনী লড়াই পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।