০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিক এসআইআর বিতর্কে: কে এই মনোজ আগরওয়াল ৯-১৩ এপ্রিল সাবমেরিন ক্যাবলে রক্ষণাবেক্ষণ — ইন্টারনেটে ধীরগতি ও বিঘ্নের আশঙ্কা উৎসবের আগে সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা — বিজিবির বিশেষ টহল ও তল্লাশি চৌকি স্থাপন ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল — পাইপলাইনে সরবরাহ চলমান জাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযান: ১৫ গ্রেফতার, ৪ হাজার ইয়াবা ও দেড় কেজি গাঁজা উদ্ধার ঢাকা জেলা পরিষদে শত কোটি টাকা লুটপাট — ভুয়া বিল, অস্তিত্বহীন প্রকল্প, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পণ্যবাহী জাহাজ মিলছে না, মালবাহী খরচ ৪০ শতাংশ বাড়ল — হরমুজ সংকটে বাংলাদেশের বাণিজ্য পঙ্গু ৪০ দিন আটকে থেকে শারজাহ ফেরত বাংলার জয়যাত্রা — ইরান অনুমতি দিল না, ৩১ নাবিক পানি রেশনিং করে বেঁচে আছেন তিন সপ্তাহের জ্বালানি মজুদ, পাঁচ সার কারখানা বন্ধ — হরমুজ সংকটে বাংলাদেশ কতটা বিপদে? রংপুরে হিন্দু পরিবারের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর — মুসলিম তরুণ হত্যার পর উচ্ছৃঙ্খল জনতার তাণ্ডব

শীতের শুরুতে যুদ্ধের চাপ বাড়াচ্ছে ইউক্রেন, দীর্ঘ সংঘাতের ইঙ্গিত মস্কোর

মাঠের চাপ ও রসদের লড়াই
শীতের আবহাওয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেন পূর্ব ও দক্ষিণ ফ্রন্টে চাপ বাড়িয়েছে। সীমিত স্থল অগ্রগতির পাশাপাশি দূরপাল্লার হামলা চালিয়ে রুশ রসদ, যোগাযোগব্যবস্থা ও মনোবল ক্ষয় করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, একবারে বড় সাফল্যের চেয়ে ধারাবাহিক চাপই তাদের লক্ষ্য।

এর জবাবে রাশিয়া দখলকৃত শহর ও পরিবহনকেন্দ্র ঘিরে প্রতিরক্ষা জোরদার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জনবল রক্ষায় রাশিয়া এখন বেশি করে আর্টিলারি, ড্রোন ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে। ফলে যুদ্ধের ধরন হয়ে উঠেছে ধীরগতির ক্ষয়যুদ্ধ, যেখানে আবহাওয়া ও রসদের সক্ষমতা বড় ভূমিকা রাখছে।

শীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো আবারও বড় ঝুঁকিতে পড়ছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সাবস্টেশনে নতুন হামলার আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত মেরামত ও আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারের পাশাপাশি পশ্চিমা সহায়তায় জেনারেটর ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রস্তুতি নিতে বলছে।

Beyond the counter-offensive: Attrition, stalemate, and the future of the  war in Ukraine – European Council on Foreign Relations

কূটনৈতিক বার্তা ও দীর্ঘস্থায়ী কৌশল
একই সময়ে মস্কোর বক্তব্য আরও কঠোর হয়েছে। রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ আগামী বছরও চলতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি অভ্যন্তরীণ জনমত ও পশ্চিমা সহনশীলতা যাচাইয়ের কৌশল। বিপরীতে, কিয়েভ আন্তর্জাতিক সহায়তার সময়সূচি মাথায় রেখে লক্ষ্য নির্ধারণে জোর দিচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলোও সহায়তার ধরন পুনর্বিবেচনা করছে। নতুন প্যাকেজে গোলাবারুদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও প্রশিক্ষণের মতো টেকসই সহায়তা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। শীতে বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে বলে মানবিক সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে। যুদ্ধের আরেকটি শীত শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে টিকে থাকার সক্ষমতাই বড় নির্ধারক হয়ে উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিক এসআইআর বিতর্কে: কে এই মনোজ আগরওয়াল

শীতের শুরুতে যুদ্ধের চাপ বাড়াচ্ছে ইউক্রেন, দীর্ঘ সংঘাতের ইঙ্গিত মস্কোর

০৫:১৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

মাঠের চাপ ও রসদের লড়াই
শীতের আবহাওয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেন পূর্ব ও দক্ষিণ ফ্রন্টে চাপ বাড়িয়েছে। সীমিত স্থল অগ্রগতির পাশাপাশি দূরপাল্লার হামলা চালিয়ে রুশ রসদ, যোগাযোগব্যবস্থা ও মনোবল ক্ষয় করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, একবারে বড় সাফল্যের চেয়ে ধারাবাহিক চাপই তাদের লক্ষ্য।

এর জবাবে রাশিয়া দখলকৃত শহর ও পরিবহনকেন্দ্র ঘিরে প্রতিরক্ষা জোরদার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জনবল রক্ষায় রাশিয়া এখন বেশি করে আর্টিলারি, ড্রোন ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে। ফলে যুদ্ধের ধরন হয়ে উঠেছে ধীরগতির ক্ষয়যুদ্ধ, যেখানে আবহাওয়া ও রসদের সক্ষমতা বড় ভূমিকা রাখছে।

শীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো আবারও বড় ঝুঁকিতে পড়ছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সাবস্টেশনে নতুন হামলার আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত মেরামত ও আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারের পাশাপাশি পশ্চিমা সহায়তায় জেনারেটর ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রস্তুতি নিতে বলছে।

Beyond the counter-offensive: Attrition, stalemate, and the future of the  war in Ukraine – European Council on Foreign Relations

কূটনৈতিক বার্তা ও দীর্ঘস্থায়ী কৌশল
একই সময়ে মস্কোর বক্তব্য আরও কঠোর হয়েছে। রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ আগামী বছরও চলতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি অভ্যন্তরীণ জনমত ও পশ্চিমা সহনশীলতা যাচাইয়ের কৌশল। বিপরীতে, কিয়েভ আন্তর্জাতিক সহায়তার সময়সূচি মাথায় রেখে লক্ষ্য নির্ধারণে জোর দিচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলোও সহায়তার ধরন পুনর্বিবেচনা করছে। নতুন প্যাকেজে গোলাবারুদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও প্রশিক্ষণের মতো টেকসই সহায়তা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। শীতে বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে বলে মানবিক সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে। যুদ্ধের আরেকটি শীত শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে টিকে থাকার সক্ষমতাই বড় নির্ধারক হয়ে উঠছে।