০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর শেষ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার

জাপানকে পেছনে ফেলে ভারতের অর্থনীতি, এবার নজর জার্মানির দিকে

বিশ্ব অর্থনীতির মানচিত্রে নতুন এক দাবি তুলে ধরেছে ভারত। দেশটির সরকারি অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধির ধারায় **জাপান**কে ছাড়িয়ে ভারত এখন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা ও বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও ভারতের এই অগ্রগতি তাদের অর্থনীতির সহনশীলতার প্রতিফলন বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকারি হিসাব ও আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস

ভারতের সরকারি হিসাবে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের মূল্য ধরা হয়েছে চার দশমিক এক আট ট্রিলিয়ন ডলার, যা জাপানের সমমানের অর্থনীতিকে অতিক্রম করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। যদিও চূড়ান্ত বার্ষিক হিসাব প্রকাশিত হবে আগামী বছর, তবু **আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল**ের পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, আগামী বছর ভারতের অর্থনীতি জাপানের তুলনায় বড় আকার নেবে। সংস্থাটির হিসাবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালে ভারতের অর্থনীতির আকার চার দশমিক পাঁচ এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যেখানে জাপানের সম্ভাব্য আকার চার দশমিক চার ছয় ট্রিলিয়ন ডলার।

জার্মানিকে ছাড়ানোর লক্ষ্য

সরকারি নথিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় থাকলে আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে **জার্মানি**কেও পেছনে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই হাজার ত্রিশ সালের মধ্যে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন সাত দশমিক তিন ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

চ্যালেঞ্জের বাস্তব চিত্র

তবে উজ্জ্বল এই পরিসংখ্যানের পাশাপাশি ভিন্ন বাস্তবতার কথাও সামনে এসেছে। জনসংখ্যার হিসাবে ভারত ইতোমধ্যে বিশ্বের শীর্ষে উঠে এলেও মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে দেশটি অনেক পিছিয়ে। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী ভারতের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ছয় শ চুরানব্বই ডলার, যা জাপান ও জার্মানির তুলনায় বহুগুণ কম। একই সঙ্গে দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষ তরুণ বয়সী হওয়ায় মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নীতিগত পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ ভাবনা

সরকার বলছে, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শ্রমবাজার সংস্কারই হবে আগামী দিনের মূল লক্ষ্য। গত বছর প্রবৃদ্ধি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে আসার পর ভোগ কর হ্রাস ও শ্রম আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকারের মতে, তরুণ জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে পারলেই ভারতের এই অর্থনৈতিক উত্থান দীর্ঘস্থায়ী হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম

জাপানকে পেছনে ফেলে ভারতের অর্থনীতি, এবার নজর জার্মানির দিকে

০৫:০১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্ব অর্থনীতির মানচিত্রে নতুন এক দাবি তুলে ধরেছে ভারত। দেশটির সরকারি অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধির ধারায় **জাপান**কে ছাড়িয়ে ভারত এখন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা ও বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও ভারতের এই অগ্রগতি তাদের অর্থনীতির সহনশীলতার প্রতিফলন বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকারি হিসাব ও আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস

ভারতের সরকারি হিসাবে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের মূল্য ধরা হয়েছে চার দশমিক এক আট ট্রিলিয়ন ডলার, যা জাপানের সমমানের অর্থনীতিকে অতিক্রম করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। যদিও চূড়ান্ত বার্ষিক হিসাব প্রকাশিত হবে আগামী বছর, তবু **আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল**ের পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, আগামী বছর ভারতের অর্থনীতি জাপানের তুলনায় বড় আকার নেবে। সংস্থাটির হিসাবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালে ভারতের অর্থনীতির আকার চার দশমিক পাঁচ এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যেখানে জাপানের সম্ভাব্য আকার চার দশমিক চার ছয় ট্রিলিয়ন ডলার।

জার্মানিকে ছাড়ানোর লক্ষ্য

সরকারি নথিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় থাকলে আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে **জার্মানি**কেও পেছনে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই হাজার ত্রিশ সালের মধ্যে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন সাত দশমিক তিন ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

চ্যালেঞ্জের বাস্তব চিত্র

তবে উজ্জ্বল এই পরিসংখ্যানের পাশাপাশি ভিন্ন বাস্তবতার কথাও সামনে এসেছে। জনসংখ্যার হিসাবে ভারত ইতোমধ্যে বিশ্বের শীর্ষে উঠে এলেও মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে দেশটি অনেক পিছিয়ে। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী ভারতের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ছয় শ চুরানব্বই ডলার, যা জাপান ও জার্মানির তুলনায় বহুগুণ কম। একই সঙ্গে দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষ তরুণ বয়সী হওয়ায় মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নীতিগত পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ ভাবনা

সরকার বলছে, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শ্রমবাজার সংস্কারই হবে আগামী দিনের মূল লক্ষ্য। গত বছর প্রবৃদ্ধি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে আসার পর ভোগ কর হ্রাস ও শ্রম আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকারের মতে, তরুণ জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে পারলেই ভারতের এই অর্থনৈতিক উত্থান দীর্ঘস্থায়ী হবে।