দুবাইয়ের শাসক হিসেবে বিশ বছর পূর্তিতে শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের নেতৃত্বকে ঘিরে প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতার আবহ ছড়িয়ে পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি, মানুষের সক্ষমতার প্রতি বিশ্বাস এবং ভবিষ্যতমুখী পরিকল্পনা দেশটিকে অল্প সময়ে বিশ্বমুখী সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়েছে। এই উপলক্ষে জাবিল প্রাসাদে বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে নেতৃত্বের দুই দশকের অর্জন স্মরণ করেন তিনি।
রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের অগ্রাধিকার
উদযাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান বলেন, শেখ মোহাম্মদের ব্যতিক্রমী নেতৃত্বে সরকার এমন এক উন্নয়ন মডেল গড়ে তুলেছে যেখানে মানুষই নীতির কেন্দ্রে। এই দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমিরাতের নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষাকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাঁর মতে, উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নয়, মানবসম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশেই প্রকৃত অগ্রগতি।

দুই দশকের অর্জনের স্বীকারোক্তি
নিজের বক্তব্যে শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ বছর দীর্ঘ মনে না হলেও এই সময়ে অর্জনের ব্যাপ্তি দেশকে বহু ক্ষেত্রে শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। একটি নিবেদিত দলের সঙ্গে কাজ করে আমিরাতকে এক দেশে একটি বিশ্বে পরিণত করার অভিজ্ঞতাকে তিনি সম্মিলিত সাফল্য হিসেবে দেখেন।
উত্তরাধিকার ও প্রেরণার ভাষা
দুবাইয়ের যুবরাজ শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম তাঁর পিতাকে জাতির প্রেরণার উৎস হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মানুষের ওপর আস্থা রেখে নেতৃত্ব দিলে ধারণা বৈশ্বিক অর্জনে রূপ নেয়। তাঁর ভাষায়, উৎকর্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা আজ জাতির স্বভাবে পরিণত হয়েছে। এদিকে উপশাসক শেখ মাকতুম বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম বলেন, শেখ মোহাম্মদের প্রজ্ঞা ও দৃষ্টিভঙ্গি দুবাইকে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের কেন্দ্রে তুলে এনেছে।

রাষ্ট্রের প্রশংসা ও বৈশ্বিক ছাপ
উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ান বলেন, আধুনিক সরকারি ব্যবস্থার যে দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে তা সময়ের আগেই পথ দেখিয়েছে। শেখ মোহাম্মদের নেতৃত্বে দুবাইয়ে গড়ে উঠেছে বিশ্বখ্যাত স্থাপনা ও উদ্যোগ, যা উন্নয়নের বহুমাত্রিক রূপকে স্পষ্ট করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















