০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬
২০২৫ সালে বাংলাদেশ অর্থনীতি: বৈদেশিক স্থিতি ফিরলেও ব্যাংকিং সংকটে থমকে প্রবৃদ্ধি অচেনা প্রভাবের ছায়ায় শেষ অধ্যায়, নস্টালজিয়া আর ভয়ের নতুন ভাষা নতুন বছরে ক্রিপ্টো বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা, তবে অনিশ্চয়তা কাটেনি রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ঐতিহাসিক নিম্ন স্তরে নববর্ষের ভাষণে যুদ্ধ জয়ের বার্তা: ইউক্রেনে বিজয়ের প্রত্যয় পুতিনের ডেমোক্র্যাটিক দলে অস্বস্তির নাম জোহরান মামদানি: সমাজতন্ত্রের ছায়া, ভেতরের বিভাজন ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন ইউরোস্টারের বিপর্যয়, বিদ্যুৎহীন ট্রেনে রাত কাটিয়ে বিলম্বের ধাক্কা নববর্ষে নৃত্যের কঠিন লড়াই: বিলুপ্তির ঝুঁকিতে কম্বোডিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৃত্য অর্থনৈতিক ক্ষোভে উত্তাল ইরান, সরকারি ভবনে হামলা আর কঠোর হুঁশিয়ারি লিবিয়ার জাতীয় স্মৃতির প্রত্যাবর্তন: ত্রিপোলির জাদুঘরে ইতিহাসের সঙ্গে নতুন করে দেখা

বছরের শেষ লেনদেনে সোনার বড় পতন, ভরিতে কমল দুই হাজার সাতশ একচল্লিশ টাকা

বছরের শেষ কার্যদিবসে দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাইশ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে এক ধাক্কায় কমেছে দুই হাজার সাতশ একচল্লিশ টাকা।

নতুন দামে নির্ধারিত মূল্য

সর্বশেষ সমন্বয়ের পর বাইশ ক্যারেট সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে দুই লাখ চব্বিশ হাজার একশ বিরাশি টাকা। এক ভরি সোনার ওজন ধরা হয়েছে এগারো দশমিক ছয় ছয় চার গ্রাম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই দাম আগামী বছরের এক জানুয়ারি সকাল থেকে কার্যকর হবে।

সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য জুয়েলারি ব্যবসা বন্ধ

দাম কমার কারণ

জুয়েলার্স সমিতি জানিয়েছে, সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সোনার বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিভিন্ন ক্যারেটের নতুন দর

সংশোধিত মূল্য অনুযায়ী একুশ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ভরিতে দুই লাখ চৌদ্দ হাজার চৌত্রিশ টাকায়। আঠারো ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে এক লাখ তিরাশি হাজার চারশ ষোল টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম রাখা হয়েছে ভরিতে এক লাখ বাহান্ন হাজার আটশ সাতান্ন টাকা।

ভ্যাট ও মজুরি সংক্রান্ত তথ্য

সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলার্স সমিতি নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে অলংকারের নকশা ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

এর আগের মূল্য সমন্বয়

এর আগে গত উনত্রিশ ডিসেম্বর সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ভরিতে দাম কমেছিল দুই হাজার পাঁচশ আট টাকা, আর বাইশ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ছাব্বিশ হাজার নয়শ তেইশ টাকা।

বছরজুড়ে দামের ওঠানামা

সোনা–রুপোর রেকর্ড দামের পর এবার বড় পতনের আশঙ্কা! কতটা কমতে পারে দাম?

চলতি বছরে দেশে মোট তিরানব্বই বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে চৌষট্টি বার দাম বেড়েছে এবং উনত্রিশ বার দাম কমেছে।

রুপার দামে কোনো পরিবর্তন নেই

সোনার দামে বড় পতন হলেও দেশের বাজারে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে বাইশ ক্যারেট রুপার দাম ভরিতে ছয় হাজার পঁয়ষট্টি টাকা। একুশ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার সাতশ চুয়াত্তর টাকায়, আঠারো ক্যারেট চার হাজার নয়শ সাতান্ন টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ভরিতে তিন হাজার সাতশ বত্রিশ টাকা।

রুপার বাজার পরিস্থিতি

চলতি বছরে রুপার দাম মোট তেরো বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দশ বার দাম বেড়েছে এবং মাত্র তিন বার কমেছে। গত বছরে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মাত্র তিন বার।

বেড়েছে ডলারের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারের চিত্র

আন্তর্জাতিক বাজারে বুধবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল চার হাজার তিনশ ত্রিশ মার্কিন ডলারের বেশি। একদিনেই বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামে বড় পতন দেখা গেলেও সামগ্রিকভাবে দাম এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

বার্ষিক প্রবণতা

বছরের শেষ দিকে সাময়িক দরপতন হলেও দুই হাজার পঁচিশ সালে বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বছরজুড়ে সোনার দাম আগের বছরের তুলনায় পঁয়ষট্টি শতাংশের বেশি বেড়েছে। শুধু ডিসেম্বর মাসেই সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সাড়ে চার শতাংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৫ সালে বাংলাদেশ অর্থনীতি: বৈদেশিক স্থিতি ফিরলেও ব্যাংকিং সংকটে থমকে প্রবৃদ্ধি

বছরের শেষ লেনদেনে সোনার বড় পতন, ভরিতে কমল দুই হাজার সাতশ একচল্লিশ টাকা

১১:২৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বছরের শেষ কার্যদিবসে দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাইশ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে এক ধাক্কায় কমেছে দুই হাজার সাতশ একচল্লিশ টাকা।

নতুন দামে নির্ধারিত মূল্য

সর্বশেষ সমন্বয়ের পর বাইশ ক্যারেট সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে দুই লাখ চব্বিশ হাজার একশ বিরাশি টাকা। এক ভরি সোনার ওজন ধরা হয়েছে এগারো দশমিক ছয় ছয় চার গ্রাম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই দাম আগামী বছরের এক জানুয়ারি সকাল থেকে কার্যকর হবে।

সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য জুয়েলারি ব্যবসা বন্ধ

দাম কমার কারণ

জুয়েলার্স সমিতি জানিয়েছে, সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সোনার বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিভিন্ন ক্যারেটের নতুন দর

সংশোধিত মূল্য অনুযায়ী একুশ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ভরিতে দুই লাখ চৌদ্দ হাজার চৌত্রিশ টাকায়। আঠারো ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে এক লাখ তিরাশি হাজার চারশ ষোল টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম রাখা হয়েছে ভরিতে এক লাখ বাহান্ন হাজার আটশ সাতান্ন টাকা।

ভ্যাট ও মজুরি সংক্রান্ত তথ্য

সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলার্স সমিতি নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে অলংকারের নকশা ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

এর আগের মূল্য সমন্বয়

এর আগে গত উনত্রিশ ডিসেম্বর সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ভরিতে দাম কমেছিল দুই হাজার পাঁচশ আট টাকা, আর বাইশ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ছাব্বিশ হাজার নয়শ তেইশ টাকা।

বছরজুড়ে দামের ওঠানামা

সোনা–রুপোর রেকর্ড দামের পর এবার বড় পতনের আশঙ্কা! কতটা কমতে পারে দাম?

চলতি বছরে দেশে মোট তিরানব্বই বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে চৌষট্টি বার দাম বেড়েছে এবং উনত্রিশ বার দাম কমেছে।

রুপার দামে কোনো পরিবর্তন নেই

সোনার দামে বড় পতন হলেও দেশের বাজারে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে বাইশ ক্যারেট রুপার দাম ভরিতে ছয় হাজার পঁয়ষট্টি টাকা। একুশ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার সাতশ চুয়াত্তর টাকায়, আঠারো ক্যারেট চার হাজার নয়শ সাতান্ন টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ভরিতে তিন হাজার সাতশ বত্রিশ টাকা।

রুপার বাজার পরিস্থিতি

চলতি বছরে রুপার দাম মোট তেরো বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দশ বার দাম বেড়েছে এবং মাত্র তিন বার কমেছে। গত বছরে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মাত্র তিন বার।

বেড়েছে ডলারের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারের চিত্র

আন্তর্জাতিক বাজারে বুধবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল চার হাজার তিনশ ত্রিশ মার্কিন ডলারের বেশি। একদিনেই বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামে বড় পতন দেখা গেলেও সামগ্রিকভাবে দাম এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

বার্ষিক প্রবণতা

বছরের শেষ দিকে সাময়িক দরপতন হলেও দুই হাজার পঁচিশ সালে বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বছরজুড়ে সোনার দাম আগের বছরের তুলনায় পঁয়ষট্টি শতাংশের বেশি বেড়েছে। শুধু ডিসেম্বর মাসেই সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সাড়ে চার শতাংশ।