০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ক্রিপ্টো বাজারে নতুন অধ্যায়: যুক্তরাষ্ট্রে নরম নিয়মে শিল্পের সুযোগ বৃদ্ধি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ধারণ করছে জাপানের চেরি ফুলের সময়সূচি পারিসে নয়, অ্যান্টওয়ার্প নিয়েছে ফ্যাশনের নেতৃত্ব ভারতীয় মুসলিম প্রতিনিধিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে ৪৮৩ কর্মকর্তা বদলি, অন্য রাজ্যে মাত্র ২৩ ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ভাষণ: গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ দিক ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানকে ‘অগুরুত্বপূর্ণ’ বললেন ম্যাক্রোঁ, ন্যাটো নিয়ে সমালোচনাও ট্রাম্পের হুমকির জবাবে তেহরানের কড়া বার্তা, হামলা চলছেই মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও জ্বালানি উদ্বেগে বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপের মুখে: বিশেষজ্ঞরা তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ল, হামলা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 115

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রিপ্টো বাজারে নতুন অধ্যায়: যুক্তরাষ্ট্রে নরম নিয়মে শিল্পের সুযোগ বৃদ্ধি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)