১১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শ্রীলঙ্কা’তে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ঘোষণা: কর ছাড় সহ আর্থিক কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অর্থনীতি শক্তিশালী এবং ত্বরান্বিত বৃদ্ধির পথে অ্যারুন্ধতী রায় বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিরতি: গাজা নিয়ে জুরি সভাপতি মন্তব্যের প্রতিবাদ বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনে ঢুকে নিহত ফায়ারফাইটার বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আসছে অরেঞ্জ বন্ড ও সুকুক রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ তিতাস এলাকায় গ্যাসের তীব্র চাপ সংকট, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ভোগান্তির আশঙ্কা প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী হাসান ও. রশিদের পদত্যাগ, কার্যকর হবে ৩১ মার্চ ২০২৬ সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষ: ৫ শতাধিকের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ৩ নতুন সরকারের অধীনে ছয় মাসেই ঘুরে দাঁড়াতে পারে পুঁজিবাজার: বিসিআইএ’র প্রত্যাশা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 90

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কা’তে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ঘোষণা: কর ছাড় সহ আর্থিক কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)