১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬
পৃথিবীর অনড় সৌন্দর্য আর সহমর্মিতার কল্পনা, সাও পাওলো বিয়েনালের নতুন ভাষা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩) ২০২৫-এর প্রাণীবিজ্ঞানের নতুন আবিষ্কারগুলো নীরব শক্তির জাপান: পরিচিত ব্র্যান্ডের আড়ালে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক আধিপত্য আকাশজুড়ে ডানার মিছিল: তামিলনাড়ুর থুথুকুডিতে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখির আগমন প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫০) ২০২৫-এ নবায়নযোগ্য শক্তি ও মহাসাগর সুরক্ষা অগ্রগতি মালয়েশিয়ায় দুরিয়ানের সুনামি: দাম পড়ে ইতিহাসের তলানিতে, মুসাং কিং কিনতে ক্রেতাদের হুড়োহুড়ি ফরাসি নাগরিকত্বে ক্লুনি পরিবার: গোপনীয়তার নিশ্চয়তায় নতুন ঠিকানা দীর্ঘ পরিকল্পনার ফলেই বিরল খনিজে চীনের একচেটিয়া আধিপত্য

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 7

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

 

 

পৃথিবীর অনড় সৌন্দর্য আর সহমর্মিতার কল্পনা, সাও পাওলো বিয়েনালের নতুন ভাষা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)