০৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
এলসি খোলা বাড়লেও নিষ্পত্তিতে বাধা শেখ হাসিনার সঙ্গে তিশার ছবি জাদুঘরে রাখার প্রস্তাব, শাওনের কটাক্ষে তোলপাড় শেয়ারবাজারে লেনদেনের গতি বাড়ল, সূচকের উত্থানে ফিরল বিনিয়োগকারীদের আস্থা আইসিসির প্রত্যাখ্যান, বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ ১,৩০০ কোটি টাকার জিকে সেচ পুনর্বাসন প্রকল্পে নতুন প্রাণ পাচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমের কৃষি আফ্রিকার খাদ্যবাজারের অদৃশ্য শক্তি: মহাদেশের ভেতরের বাণিজ্য যতটা ভাবা হয় তার চেয়ে অনেক বড় গাজায় শান্তিতে বিরক্ত ট্রাম্প, বোর্ডের রাজনীতি আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ইরানের রক্তাক্ত দমন-পীড়নের পর ক্ষমতার ভেতরে ফাটল, বাড়ছে শাসনব্যবস্থার অস্থিরতা ফরিদপুরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ বুড়ো কৃষকের ভারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৃষি: উন্নয়নের সামনে নতুন সতর্কবার্তা

রাজশাহির ঘরে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, এমভিপি শরিফুলের প্রাপ্তি ১৫ লাখ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বাদশ আসর শুক্রবার রাতে পর্দা নামায় এক নতুন চ্যাম্পিয়নের উত্থানের মধ্য দিয়ে। প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ট্রফির সঙ্গে দলটি নিশ্চিত করে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও।

চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার
ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে শিরোপা জয় করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এই জয়ের সুবাদে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে তারা পায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা প্রাইজমানি। অভিষেক মৌসুমেই এমন সাফল্য রাজশাহীর জন্য বাড়তি গর্বের উপলক্ষ।

রানার্সআপ চট্টগ্রামের লড়াই
মৌসুমের শুরুতে মালিকানা সংকট সামাল দিয়ে ফাইনালে ওঠা চট্টগ্রাম রয়্যালস শেষ পর্যন্ত শিরোপা ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হয়। তবে রানার্সআপ হিসেবে দলটি পেয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এমভিপি শরিফুলের রেকর্ডময় আসর
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আসরের সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম ছিলেন শরিফুল ইসলাম। চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই পেসার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার নতুন রেকর্ড গড়েন। ১২ ম্যাচে তার শিকার ২৬ উইকেট, যা আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যায়। ৫ দশমিক ৮৪ ইকোনমি রেটের সঙ্গে নিয়মিত ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া পারফরম্যান্সে তিনি হন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম পেসার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেলেন শরিফুল। সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তিনি পান ১০ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ায় আরও ৫ লাখ টাকা, মোট প্রাপ্তি দাঁড়ায় ১৫ লাখ টাকা।

চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী পেল ২ কোটি ৭৫ লাখ, টুর্নামেন্টসেরা শরীফুল কত টাকা পেলেন

ফাইনালের নায়ক তানজিদ হাসান
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে রাজশাহীর জয়ের প্রধান নায়ক ছিলেন তানজিদ হাসান। ফাইনালে সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেন তিনি। এর জন্য তানজিদ পান ৫ লাখ টাকা পুরস্কার। বিপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি করা মাত্র তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তিনি জায়গা করে নেন বিশেষ তালিকায়।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক পারভেজ
দল ফাইনালে না উঠলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আলোচনায় ছিলেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ ইনিংসে ৩৯৫ রান করে তিনি হন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩২ দশমিক ৯৯। এই কৃতিত্বের জন্য পারভেজ পান ৫ লাখ টাকা।

উদীয়মান ও সেরা ফিল্ডার
রাজশাহীর তরুণ পেসার রিপন মণ্ডল হন টুর্নামেন্টের উদীয়মান খেলোয়াড়। মাত্র ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি একটি হ্যাটট্রিক ও সুপার ওভারে জয়ের নায়ক হওয়ায় তিনি পান ৩ লাখ টাকা।

অন্যদিকে রংপুর রাইডার্সের লিটন দাস সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার জেতেন। উইকেটকিপিং না করে কেবল ফিল্ডার হিসেবে খেলা এই ব্যাটার ১১ ম্যাচে ধরেন ১০টি ক্যাচ। তার পুরস্কার মূল্য ছিল ৩ লাখ টাকা।

জনপ্রিয় সংবাদ

এলসি খোলা বাড়লেও নিষ্পত্তিতে বাধা

রাজশাহির ঘরে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, এমভিপি শরিফুলের প্রাপ্তি ১৫ লাখ

০৬:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বাদশ আসর শুক্রবার রাতে পর্দা নামায় এক নতুন চ্যাম্পিয়নের উত্থানের মধ্য দিয়ে। প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ট্রফির সঙ্গে দলটি নিশ্চিত করে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও।

চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার
ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে শিরোপা জয় করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এই জয়ের সুবাদে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে তারা পায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা প্রাইজমানি। অভিষেক মৌসুমেই এমন সাফল্য রাজশাহীর জন্য বাড়তি গর্বের উপলক্ষ।

রানার্সআপ চট্টগ্রামের লড়াই
মৌসুমের শুরুতে মালিকানা সংকট সামাল দিয়ে ফাইনালে ওঠা চট্টগ্রাম রয়্যালস শেষ পর্যন্ত শিরোপা ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হয়। তবে রানার্সআপ হিসেবে দলটি পেয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এমভিপি শরিফুলের রেকর্ডময় আসর
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আসরের সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম ছিলেন শরিফুল ইসলাম। চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই পেসার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার নতুন রেকর্ড গড়েন। ১২ ম্যাচে তার শিকার ২৬ উইকেট, যা আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যায়। ৫ দশমিক ৮৪ ইকোনমি রেটের সঙ্গে নিয়মিত ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া পারফরম্যান্সে তিনি হন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম পেসার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেলেন শরিফুল। সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তিনি পান ১০ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ায় আরও ৫ লাখ টাকা, মোট প্রাপ্তি দাঁড়ায় ১৫ লাখ টাকা।

চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী পেল ২ কোটি ৭৫ লাখ, টুর্নামেন্টসেরা শরীফুল কত টাকা পেলেন

ফাইনালের নায়ক তানজিদ হাসান
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে রাজশাহীর জয়ের প্রধান নায়ক ছিলেন তানজিদ হাসান। ফাইনালে সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেন তিনি। এর জন্য তানজিদ পান ৫ লাখ টাকা পুরস্কার। বিপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি করা মাত্র তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তিনি জায়গা করে নেন বিশেষ তালিকায়।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক পারভেজ
দল ফাইনালে না উঠলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আলোচনায় ছিলেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ ইনিংসে ৩৯৫ রান করে তিনি হন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩২ দশমিক ৯৯। এই কৃতিত্বের জন্য পারভেজ পান ৫ লাখ টাকা।

উদীয়মান ও সেরা ফিল্ডার
রাজশাহীর তরুণ পেসার রিপন মণ্ডল হন টুর্নামেন্টের উদীয়মান খেলোয়াড়। মাত্র ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি একটি হ্যাটট্রিক ও সুপার ওভারে জয়ের নায়ক হওয়ায় তিনি পান ৩ লাখ টাকা।

অন্যদিকে রংপুর রাইডার্সের লিটন দাস সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার জেতেন। উইকেটকিপিং না করে কেবল ফিল্ডার হিসেবে খেলা এই ব্যাটার ১১ ম্যাচে ধরেন ১০টি ক্যাচ। তার পুরস্কার মূল্য ছিল ৩ লাখ টাকা।