১০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬
ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন আকাশযুদ্ধের কিংবদন্তি ল্যাঙ্কাস্টার: ভুল পরিকল্পনা থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ বোমারু বিমানের উত্থান ‘প্যানজার’ ভেবে ভুল, আসলে ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী প্যাটন ট্যাংক চীনের চাপের মুখে যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদার, তাইওয়ানের বৃহত্তম সামরিক মহড়া শুরু এক দশকের ভালোবাসার প্রতিদান, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম স্টেডিয়াম কনসার্ট নিয়ে ফিরছেন চার্লি পুথ রোগীর আস্থা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফল ব্যবহার সম্ভব নয়: সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাপটের গাড়ি থেকে ‘ভয়ের প্রতীক’: কেন বদলে গেল মাহিন্দ্রা থারের ভাবমূর্তি? কর্মক্ষেত্রে আহত শ্রমিকদের আইনি লড়াই কঠিন হয়ে উঠছে, আইনজীবীর সংকটে বাড়ছে ভোগান্তি জাতিসংঘের সামনে তিব্বতি কর্মীর আত্মাহুতি, নতুন করে আলোচনায় তিব্বত আন্দোলন ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: উদযাপনের অপেক্ষায় ভক্তরা, কিন্তু বাড়ছে হতাশা

এই চিঠির স্থান কোন জাদুঘরে হবে শাওনের প্রশ্নে কারা ফটকের কান্না

“কোনো জাদুঘরে কি এই চিঠির স্থান হবে মাননীয় উপদেষ্টাদের দলের?”—কারাগারে বসে লেখা একটি চিঠিকে সামনে রেখে এই প্রশ্নই তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে নয় মাস বয়সী মৃত সন্তানকে কোলে নেওয়ার সেই হৃদয়বিদারক মুহূর্তের বর্ণনা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি তুলে ধরেন এক নির্মম বাস্তবতার ছবি।

শাওন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন লেখা প্রকাশ করেন। পোস্টটির সঙ্গে যুক্ত করেন কারাবন্দি অবস্থায় লেখা জুয়েল হাসান সাদ্দামের একটি চিঠির ছবি। চিঠির শেষ দুই লাইনে লেখা ছিল, “মায়ের দিকে খেয়াল রাখিস। আমার ছেলেটাকে কোলে নিতে পারলাম না—এইটাই কষ্ট।”

শাওন লেখেন, ছেলেটা আজ তার বাবার কোলে উঠেছে। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজেই সংশোধন করেন—কারা ফটকে সাদ্দাম আজ তার নয় মাস বয়সী ‘মৃত’ ছেলেটাকেই প্রথমবারের মতো কোলে নিয়েছেন।

সাদ্দাম আপনি কাঁদেন, অনেক কাঁদেন': শাওন

পোস্টে আরও বলা হয়, সংবাদে দেখা গেছে—মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে সাদ্দাম তার স্ত্রীর মরদেহ স্পর্শ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই দৃশ্য ছিল অসহনীয়, নির্বাক করে দেওয়ার মতো।

সাদ্দামের উদ্দেশে শাওন লেখেন, “সাদ্দাম, আপনি কাঁদেন, অনেক কাঁদেন, চিৎকার করে কাঁদেন। তারপর অভিশাপ দেন সেই মানুষরূপী অমানুষগুলোকে, যাদের কারণে আজ আপনার এই দিন দেখতে হলো।”

পোস্টের শেষাংশে তিনি আবারও প্রশ্ন তোলেন—কোনো জাদুঘরে কি এই চিঠির স্থান হবে মাননীয় উপদেষ্টাদের দলের?

উল্লেখ্য, স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও নয় মাসের শিশু সন্তান নাজিমের মৃত্যুর ঘটনায় প্যারোলে মুক্তির অনুমতি না পাওয়ায় বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকেই শেষবারের মতো তাদের মরদেহ দেখেন। শনিবার সন্ধ্যায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স কারা ফটকে পৌঁছালে কারা কর্তৃপক্ষ পাঁচ মিনিটের জন্য ছয়জন স্বজনসহ সাদ্দামকে মরদেহ দেখার সুযোগ দেয়।

পুলিশ জানায়, বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ ও তার শিশুসন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে হতাশাজনিত কারণে সন্তান হত্যার পর আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি থাকায় সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির আবেদন নাকচ হলে মরদেহ কারা ফটকে আনার ব্যবস্থা করা হয় বলে স্বজনেরা জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন

এই চিঠির স্থান কোন জাদুঘরে হবে শাওনের প্রশ্নে কারা ফটকের কান্না

১১:০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

“কোনো জাদুঘরে কি এই চিঠির স্থান হবে মাননীয় উপদেষ্টাদের দলের?”—কারাগারে বসে লেখা একটি চিঠিকে সামনে রেখে এই প্রশ্নই তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে নয় মাস বয়সী মৃত সন্তানকে কোলে নেওয়ার সেই হৃদয়বিদারক মুহূর্তের বর্ণনা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি তুলে ধরেন এক নির্মম বাস্তবতার ছবি।

শাওন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন লেখা প্রকাশ করেন। পোস্টটির সঙ্গে যুক্ত করেন কারাবন্দি অবস্থায় লেখা জুয়েল হাসান সাদ্দামের একটি চিঠির ছবি। চিঠির শেষ দুই লাইনে লেখা ছিল, “মায়ের দিকে খেয়াল রাখিস। আমার ছেলেটাকে কোলে নিতে পারলাম না—এইটাই কষ্ট।”

শাওন লেখেন, ছেলেটা আজ তার বাবার কোলে উঠেছে। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজেই সংশোধন করেন—কারা ফটকে সাদ্দাম আজ তার নয় মাস বয়সী ‘মৃত’ ছেলেটাকেই প্রথমবারের মতো কোলে নিয়েছেন।

সাদ্দাম আপনি কাঁদেন, অনেক কাঁদেন': শাওন

পোস্টে আরও বলা হয়, সংবাদে দেখা গেছে—মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে সাদ্দাম তার স্ত্রীর মরদেহ স্পর্শ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই দৃশ্য ছিল অসহনীয়, নির্বাক করে দেওয়ার মতো।

সাদ্দামের উদ্দেশে শাওন লেখেন, “সাদ্দাম, আপনি কাঁদেন, অনেক কাঁদেন, চিৎকার করে কাঁদেন। তারপর অভিশাপ দেন সেই মানুষরূপী অমানুষগুলোকে, যাদের কারণে আজ আপনার এই দিন দেখতে হলো।”

পোস্টের শেষাংশে তিনি আবারও প্রশ্ন তোলেন—কোনো জাদুঘরে কি এই চিঠির স্থান হবে মাননীয় উপদেষ্টাদের দলের?

উল্লেখ্য, স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও নয় মাসের শিশু সন্তান নাজিমের মৃত্যুর ঘটনায় প্যারোলে মুক্তির অনুমতি না পাওয়ায় বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকেই শেষবারের মতো তাদের মরদেহ দেখেন। শনিবার সন্ধ্যায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স কারা ফটকে পৌঁছালে কারা কর্তৃপক্ষ পাঁচ মিনিটের জন্য ছয়জন স্বজনসহ সাদ্দামকে মরদেহ দেখার সুযোগ দেয়।

পুলিশ জানায়, বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ ও তার শিশুসন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে হতাশাজনিত কারণে সন্তান হত্যার পর আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি থাকায় সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির আবেদন নাকচ হলে মরদেহ কারা ফটকে আনার ব্যবস্থা করা হয় বলে স্বজনেরা জানান।