হলিউড অভিনেত্রী গুইনেথ প্যালট্রো আবারও প্রকাশ্যে কথা বললেন নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের অভিজ্ঞতা নিয়ে। উদ্বেগ কীভাবে সামলান, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন একেবারে ব্যক্তিগত ও অপ্রচলিত কিছু উপায়ের কথা, যার মধ্যে রয়েছে ঝোপঝাড়ের দিকে চিৎকার করা। তাঁর ভাষায়, এতে সত্যিই উপকার হয়।
উদ্বেগ এড়ানো নয়, সামলানোর চেষ্টা
সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক ভক্ত জানতে চান, উদ্বেগ কীভাবে সামলান তিনি। উত্তরে গুইনেথ প্যালট্রো বলেন, উদ্বেগ পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়। তবে কৃতজ্ঞতার কথা মনে রাখা, গভীর শ্বাস নেওয়া, হাঁটতে বেরোনো, নিজের প্রতি সদয় থাকা এবং কখনও কখনও ঝোপঝাড়ে চিৎকার করাও তাঁকে কিছুটা স্বস্তি দেয়।

অতিরিক্ত কাজ ও মানসিক ক্লান্তির স্বীকারোক্তি
অতিরিক্ত কাজ করা ও মানসিক ক্লান্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অকপটে স্বীকার করেন, এই অবস্থা তিনি এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। নিজেকে অতিরিক্ত কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা ও ক্লান্ত হয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে। তবে চলতি বছরে তিনি ঘুমকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের সীমানা নির্ধারণে বেশি মনোযোগী হতে চাইছেন।
হরমোন, সংবেদনশীলতা ও জনজীবনের চাপ
নিজের জীবনের বর্তমান পর্যায় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গুইনেথ জানান, হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে জীবনে প্রথমবারের মতো তীব্র উদ্বেগ অনুভব করছেন তিনি। তাঁর মতে, এটি শারীরিক, মানসিক, আবেগগত এবং দীর্ঘদিন জনজীবনে থাকার সম্মিলিত প্রভাব। মানুষের মতামত ও সেই মতামতের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগ তাঁকে সহজেই স্পর্শ করে, যা স্নায়ুতন্ত্রের চাপ সৃষ্টি করে।

থেরাপি ও পরিবারের ভরসা
এই মানসিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি নিয়মিত থেরাপির সাহায্য নিচ্ছেন। এর মধ্যে স্নায়ুতন্ত্র বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। পাশাপাশি পরিবারের কাছ থেকেও তিনি মানসিক শক্তি ও আরোগ্য পান বলে জানান। সন্তান ও স্বামীর সঙ্গে সময় কাটানো তাঁকে স্থির থাকতে সাহায্য করে।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনের ঝলক
নব্বইয়ের দশকে একের পর এক আলোচিত ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান গুইনেথ প্যালট্রো। ঐতিহাসিক প্রেমের ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি পান সর্বোচ্চ অভিনয় সম্মান। পরবর্তীতে নানা ঘরানার ছবিতে কাজ করলেও মাতৃত্বের পর অভিনয়ের কাজ কিছুটা কমিয়ে দেন। তবু মাঝেমধ্যে অভিনয় ও অন্যান্য সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে তিনি আলোচনায় থেকেছেন।
:max_bytes(150000):strip_icc():focal(999x0:1001x2)/Gwyneth-Paltrow-010626-1-854ff04a7660483fbde0031f6a2a5284.jpg)
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















