০২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

গণভোটে ‘না’ বললেই স্বৈরাচারের দোসর, আর ‘হ্যাঁ’ প্রচার মানেই নাৎসিবাদের সঙ্গী: জিএম কাদের

যদি গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে কথা বলাকে স্বৈরাচারের দোসর হওয়া বলা হয়, তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে যারা প্রকাশ্যে প্রচার চালাচ্ছেন, তারা নাৎসিবাদের দোসর বলেই গণ্য হন—এমন কড়া মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তাঁর দাবি, গণভোটকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত দমনে ভয় ও চাপের রাজনীতি শুরু হয়েছে, যা সংসদের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি।

রংপুর নগরীর সেনপাড়ায় নিজ পৈত্রিক বাড়ি স্কাইভিউতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জিএম কাদের বলেন, সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করতে রাষ্ট্রীয় অর্থ ও সরকারি কর্মচারীদের ব্যবহার করছে। যারা এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে, তাদের ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, মতপ্রকাশের এই দমননীতি চলতে থাকলে গণভোট আর জনগণের স্বাধীন মতের প্রতিফলন থাকবে না।

নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জিএম কাদের বলেন, সরকার, এনসিপি ও জামায়াত একসঙ্গে নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে অবাধ ও নিরপেক্ষ মতামত প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক রাজনৈতিক কর্মী ও প্রার্থী এলাকায় যেতে পারছেন না, কেউ কেউ কারাগার থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

সংসদের স্বাধীনতা নিয়ে আশঙ্কা
তিনি বলেন, সরকার যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করাতে পারে, তাহলে তারা দাবি করবে জনগণ সংস্কার সম্পন্ন করার ম্যান্ডেট দিয়েছে। সেই সংস্কারের নামে তারা ছয় মাস, ছয় বছর কিংবা আরও দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে পারে। এতে সংসদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সংসদ সদস্যদের নিজস্ব মতের স্বাধীনতা থাকবে না।

দেশের পরিস্থিতি ও করণীয়
জিএম কাদেরের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার গত দেড় বছরে দেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে। দেশে কর্মসংস্থান নেই, নিরাপত্তা নেই, মানুষের জীবনে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে এবং গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে গণতন্ত্র ও সংসদের স্বাধীনতা রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

গণভোটে ‘না’ বললেই স্বৈরাচারের দোসর, আর ‘হ্যাঁ’ প্রচার মানেই নাৎসিবাদের সঙ্গী: জিএম কাদের

০৬:৫৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

যদি গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে কথা বলাকে স্বৈরাচারের দোসর হওয়া বলা হয়, তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে যারা প্রকাশ্যে প্রচার চালাচ্ছেন, তারা নাৎসিবাদের দোসর বলেই গণ্য হন—এমন কড়া মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তাঁর দাবি, গণভোটকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত দমনে ভয় ও চাপের রাজনীতি শুরু হয়েছে, যা সংসদের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি।

রংপুর নগরীর সেনপাড়ায় নিজ পৈত্রিক বাড়ি স্কাইভিউতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জিএম কাদের বলেন, সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করতে রাষ্ট্রীয় অর্থ ও সরকারি কর্মচারীদের ব্যবহার করছে। যারা এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে, তাদের ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, মতপ্রকাশের এই দমননীতি চলতে থাকলে গণভোট আর জনগণের স্বাধীন মতের প্রতিফলন থাকবে না।

নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জিএম কাদের বলেন, সরকার, এনসিপি ও জামায়াত একসঙ্গে নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে অবাধ ও নিরপেক্ষ মতামত প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক রাজনৈতিক কর্মী ও প্রার্থী এলাকায় যেতে পারছেন না, কেউ কেউ কারাগার থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

সংসদের স্বাধীনতা নিয়ে আশঙ্কা
তিনি বলেন, সরকার যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করাতে পারে, তাহলে তারা দাবি করবে জনগণ সংস্কার সম্পন্ন করার ম্যান্ডেট দিয়েছে। সেই সংস্কারের নামে তারা ছয় মাস, ছয় বছর কিংবা আরও দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে পারে। এতে সংসদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সংসদ সদস্যদের নিজস্ব মতের স্বাধীনতা থাকবে না।

দেশের পরিস্থিতি ও করণীয়
জিএম কাদেরের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার গত দেড় বছরে দেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে। দেশে কর্মসংস্থান নেই, নিরাপত্তা নেই, মানুষের জীবনে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে এবং গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে গণতন্ত্র ও সংসদের স্বাধীনতা রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।