সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। রোববার লেনদেনের শুরুতেই ঢাকার শেয়ারবাজারে সূচক পতন হলেও চট্টগ্রামের শেয়ারবাজারে উত্থান লক্ষ্য করা যায়।
ডিএসইতে সূচকের নিম্নগতি
লেনদেনের প্রথমার্ধে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০ পয়েন্ট কমে যায়। একই সময়ে শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ৩ পয়েন্ট হ্রাস পায় এবং শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস৩০ কমে যায় ১০ পয়েন্ট।
ডিএসইতে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরে চাপ দেখা গেছে। এই সময়ে ১৭৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, বিপরীতে ১৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত ছিল ৬৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র
ডিএসইতে দিনের প্রথম ভাগেই মোট লেনদেনের পরিমাণ ২৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়, যা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।
চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। লেনদেনের প্রথমার্ধে সিএসইর সার্বিক সূচক ক্যাসপি ২৫ পয়েন্ট বেড়েছে।
এ সময় চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে ৪৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দর কমেছে ২১টি প্রতিষ্ঠানের এবং ১২টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল।
সিএসইতে লেনদেনের অবস্থা
একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মোট লেনদেনের পরিমাণ ২ কোটি টাকা অতিক্রম করে, যা বাজারে ইতিবাচক গতিবিধির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















