চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে খদিমপুর ইউনিয়নের যুগিরহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পটভূমি
স্থানীয় সূত্র ও বিএনপির নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোট চাওয়ার বদলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এর জের ধরেই প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি।

বিএনপির অভিযোগ
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ জানান, এটি ছিল জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পিত হামলা। সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত নয়জন কর্মী গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে নারী কর্মীরাও রয়েছেন। তিনি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দাবি জানান।
জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে তাদের পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি
স্থানীয় বাসিন্দা কাফিল উদ্দিন জানান, জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী জয়নাল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভোট চাইতে যান। তার অভিযোগ, তারা পরিবারের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর চান এবং ভোটের বিনিময়ে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে।
পুলিশের অবস্থান
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বনি ইসরাইল জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















