১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণ মোটরসাইকেল আরোহীর চার জেলায় ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, শিশু ও বৃদ্ধা নির্যাতনে বাড়ছে উদ্বেগ তাদাতেরু কোনোয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশের শোক, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান স্মরণ রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি বৈদেশিক ঋণের চাপে বাংলাদেশ চরাচর মহানন্দা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের গাজীপুরে ২০ কিলোমিটার যানজট, ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি ঈদযাত্রায় বাড়তে পারে হামের সংক্রমণ, সতর্ক করলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ‘দ্য জাপানিজ ওয়ে অব প্যারেন্টিং’ বইয়ে জাপানি মাতৃত্বের অদৃশ্য শ্রম ও আধুনিক পরিবারের নতুন প্রশ্ন

জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গায় আহত ১৪ জন

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে খদিমপুর ইউনিয়নের যুগিরহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পটভূমি
স্থানীয় সূত্র ও বিএনপির নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোট চাওয়ার বদলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এর জের ধরেই প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি।

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ১৩

বিএনপির অভিযোগ
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ জানান, এটি ছিল জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পিত হামলা। সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত নয়জন কর্মী গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে নারী কর্মীরাও রয়েছেন। তিনি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দাবি জানান।

জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে তাদের পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

Bangladesh Times | ভোট চাওয়া নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে  আহত ১৪

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি
স্থানীয় বাসিন্দা কাফিল উদ্দিন জানান, জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী জয়নাল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভোট চাইতে যান। তার অভিযোগ, তারা পরিবারের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর চান এবং ভোটের বিনিময়ে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে।

পুলিশের অবস্থান
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বনি ইসরাইল জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণ মোটরসাইকেল আরোহীর

জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গায় আহত ১৪ জন

১০:২৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে খদিমপুর ইউনিয়নের যুগিরহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পটভূমি
স্থানীয় সূত্র ও বিএনপির নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোট চাওয়ার বদলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এর জের ধরেই প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি।

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ১৩

বিএনপির অভিযোগ
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ জানান, এটি ছিল জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পিত হামলা। সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত নয়জন কর্মী গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে নারী কর্মীরাও রয়েছেন। তিনি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দাবি জানান।

জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে তাদের পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

Bangladesh Times | ভোট চাওয়া নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে  আহত ১৪

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি
স্থানীয় বাসিন্দা কাফিল উদ্দিন জানান, জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী জয়নাল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভোট চাইতে যান। তার অভিযোগ, তারা পরিবারের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর চান এবং ভোটের বিনিময়ে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে।

পুলিশের অবস্থান
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বনি ইসরাইল জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।