চীন ও রাশিয়ার আর্কটিক কূটনীতিতে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। বরফে ঢাকা এই অঞ্চল কেবল বৈজ্ঞানিক গবেষণার কেন্দ্র নয়, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও কৌশলগত পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে নজরকাড়া বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।

চীনের আর্কটিক স্বপ্ন ও রাশিয়ার ভূমিকা
চীন আর্কটিক অঞ্চলে নিজের উপস্থিতি বাড়াতে বাণিজ্য ও গবেষণার নামে উদ্যোগ নিচ্ছে। রাশিয়ার উত্তর সামুদ্রিক পথ এখন চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক করিডর হিসেবে কাজ করছে, যা ইউরোপে পৌঁছানোর সময় কমিয়ে দিয়েছে। এই পথ এবং রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম চীনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।
নিরাপত্তা ও কৌশলগত উদ্বেগ
আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কম নয়। অনেক দেশ চীনের ভূমিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা নিয়ে সতর্ক, কারণ তারা মনে করে এই কার্যক্রম শুধুই বৈজ্ঞানিক নয়, বরং ভবিষ্যতে সামরিক ও কৌশলগত প্রয়োগের প্রস্তুতি হতে পারে। সমুদ্র পথ, তথ্য সংগ্রহ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে।

নতুন বাণিজ্য ও কৌশলগত বাস্তবতা
চীন ও রাশিয়া শুধু শিপিং করিডরেই নয়, আর্কটিকের নিরাপত্তা, তথ্য-সংগ্রহ ও সম্ভাব্য কৌশলগত কার্যক্রমেও যৌথভাবে কাজ করছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন আর্কটিক এখন শক্তি ও প্রতিযোগিতার মাঠে পরিণত হয়েছে, যেখানে বড় শক্তিগুলি নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে।
সারসংক্ষেপ
চীন ও রাশিয়ার ঘনত্ব আর্কটিক কূটনীতিকে নতুন চাপে ফেলে দিয়েছে। বাণিজ্যিক শিপিং রুট, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং পরিবেশগত পরিবর্তন এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















