০৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
কেরালা স্টোরি ২: বিতর্ক, রাজনীতি ও প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষাপট অন্নার মুখ্যমন্ত্রীত্ব: স্মারক, উত্তরাধিকার ও অম্লান ছাপ আমির খান ও গৌরি স্প্র্যাট লিলাবতি হাসপাতালে সলিম খানের খোঁজ নিতে গেলেন স্বাস্থ্যের উদ্বেগের পর ফারহান আক্তার হলিউডে পা রাখছেন: পণ্ডিত রবি শঙ্করের চরিত্রে অভিনয় করবে বিটলস বায়োপিক্সে ভারত এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’-এ নেই, তবে মূল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্যবেক্ষক হিসেবে খাদ্য রপ্তানি হ্রাস, আমদানি বৃদ্ধি: পাকিস্তানের খাদ্য বাণিজ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে পাকিস্তান নেই শেহবাজের সঙ্গে মার্কো রুবিওর বৈঠক: গাজা শান্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা গভীর সাগরের মাছের চোখে নতুন আবিষ্কার: হাইব্রিড ভিজ্যুয়াল সিস্টেম উদ্ভাবন পাকিস্তান আফগান তালিবানকে তীব্র নোটিশ দিলো, বজৌরে সেনা হত্যার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া চায়

নির্বাচন সুষ্ঠু, তবে ফলাফলে কারচুপি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তবে গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা তা মেনে নিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও সদস্যসচিব মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা নির্বাচন ফলাফল মেনে নিয়েছি। কারণ আমাদের লক্ষ্য জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর করা। সংবিধান সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশ আগের অবস্থায়ই থাকবে। শেখ হাসিনার কাঠামো থাকবে, তবে দেশ পরিচালনা করবে অন্য নেতৃত্ব।’

বিএনপির সমালোচনা

তিনি বলেন, বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি গণরায়ের প্রতি এক ধরনের প্রতারণা।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বর্তমান মন্ত্রিসভার মাধ্যমে কোনো বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব নয়। এটি পুরোনো বন্দোবস্তের ধারাবাহিকতা। আঞ্চলিক, ধর্মীয় ও জাতিগত ভারসাম্য হয়নি। নারী প্রতিনিধিত্ব সীমিত, অনেক জেলা থেকে কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।’

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য একই দিনে শপথ নেবেন। কিন্তু বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ও গণরায়ের প্রতি প্রতারণা হিসেবে ধরা হবে। আমরা আশা করি, তারা দ্রুত শপথ নেবেন।’

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে মন্তব্য

নাহিদ ইসলাম জানান, ‘মন্ত্রিসভার অনেকেই ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিগ্রস্ত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সাবেক অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছে। একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও খুনের মামলায় অভিযুক্তকে মন্ত্রী করা হয়েছে। তাই এই মন্ত্রিসভার থেকে দেশের জন্য ভালো কিছু আশা করা ঠিক নয়।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে আগে নিজের মন্ত্রিসভা থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।’

কেরালা স্টোরি ২: বিতর্ক, রাজনীতি ও প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষাপট

নির্বাচন সুষ্ঠু, তবে ফলাফলে কারচুপি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তবে গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা তা মেনে নিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও সদস্যসচিব মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা নির্বাচন ফলাফল মেনে নিয়েছি। কারণ আমাদের লক্ষ্য জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর করা। সংবিধান সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশ আগের অবস্থায়ই থাকবে। শেখ হাসিনার কাঠামো থাকবে, তবে দেশ পরিচালনা করবে অন্য নেতৃত্ব।’

বিএনপির সমালোচনা

তিনি বলেন, বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি গণরায়ের প্রতি এক ধরনের প্রতারণা।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বর্তমান মন্ত্রিসভার মাধ্যমে কোনো বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব নয়। এটি পুরোনো বন্দোবস্তের ধারাবাহিকতা। আঞ্চলিক, ধর্মীয় ও জাতিগত ভারসাম্য হয়নি। নারী প্রতিনিধিত্ব সীমিত, অনেক জেলা থেকে কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।’

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য একই দিনে শপথ নেবেন। কিন্তু বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ও গণরায়ের প্রতি প্রতারণা হিসেবে ধরা হবে। আমরা আশা করি, তারা দ্রুত শপথ নেবেন।’

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে মন্তব্য

নাহিদ ইসলাম জানান, ‘মন্ত্রিসভার অনেকেই ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিগ্রস্ত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সাবেক অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছে। একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও খুনের মামলায় অভিযুক্তকে মন্ত্রী করা হয়েছে। তাই এই মন্ত্রিসভার থেকে দেশের জন্য ভালো কিছু আশা করা ঠিক নয়।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে আগে নিজের মন্ত্রিসভা থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।’