১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
শান্তি নাকি কঠোর নিরাপত্তা? কলম্বিয়ার নির্বাচনের আগে বড় চ্যালেঞ্জ ইসরায়েল-লেবানন উত্তেজনা কমাতে নতুন মার্কিন প্রস্তাব, যুদ্ধবিরতির পথে কূটনৈতিক তৎপরতা বিশ্বের ইউরেনিয়াম সরবরাহ কার হাতে? পারমাণবিক শক্তির দৌড়ে বাড়ছে কয়েক দেশের প্রভাব তেলবাজারে নতুন উত্তেজনা, ইরান ইস্যুতে মার্কিন অবস্থান কঠোর হওয়ায় দাম বাড়ল অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে নতুন আশার আলো, নতুন ওষুধে দ্বিগুণ হলো রোগীদের বেঁচে থাকার সময় ওয়াকা ফ্লকা ফ্লেমের ঘরে আসছে প্রথম সন্তান, ছেলে সন্তানের অপেক্ষায় র‌্যাপ তারকা গ্রাহাম প্ল্যাটনারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, ‘গসিপ’ বলে উড়িয়ে দিলেন স্ত্রী ইরানের ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে মার্কিন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ভার্জিনিয়ার ডেপুটি হত্যাকাণ্ডের পর নাটকীয় অভিযান, বন্যপ্রাণী ক্যামেরায় ধরা পড়ে অবশেষে গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন লেবাননে আরও গভীরে ইসরায়েলি অভিযান, হিজবুল্লাহকে চাপে রাখতে নতুন নির্দেশ নেতানিয়াহুর

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তি নাকি কঠোর নিরাপত্তা? কলম্বিয়ার নির্বাচনের আগে বড় চ্যালেঞ্জ

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)