০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ইরান–আমেরিকা উত্তেজনা: হামলার মুখে মার্কিন ঘাঁটি ‘বৈধ লক্ষ্য’ ইরানের হুঁশিয়ারি গাজায় ফুটবলের নতুন সূচনা: ফিফা ও বোর্ড অফ পিসের ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব পাকিস্তান–যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগে রুজভেল্ট হোটেলের পুনর্বিকাশের চুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে আমরা সবাই উদ্যোক্তা: নতুন কর্মসংস্থান বাস্তবতা শিশুদের কোয়াড বাইক চালনার সতর্কতা: পুলিশের কঠোর বার্তা রাশিয়ার অর্থনীতি মৃত্যুর অঞ্চলে প্রবেশ করেছে: যুদ্ধ, বাজেট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার সংকট কংগ্রেসের সময় বেআইনি বাংলাদেশি আগ্রাসন: শাহের সরাসরি আক্রমণ রাশিয়ায় যুদ্ধের ছয়লাপ: চার বছরের সংঘাত কিভাবে জীবন বদলে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেকের মাতৃভাষা দিবস স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন কুষ্টিয়ায় ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত পাঁচ, ছায়া ভাঙল শহরের শান্তি

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান–আমেরিকা উত্তেজনা: হামলার মুখে মার্কিন ঘাঁটি ‘বৈধ লক্ষ্য’ ইরানের হুঁশিয়ারি

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)