০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বের সংকটের কেন্দ্রে কি এক ব্যক্তির রাজনীতি? স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের সংকটের কেন্দ্রে কি এক ব্যক্তির রাজনীতি?

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)