০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
নীরব মহামারি: কেন এখনই ফ্যাটি লিভার রোগকে জাতীয় স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখতে হবে মিশরজুড়ে বিশ্বকাপ নায়কদের বীরের সংবর্ধনা, ইতিহাস গড়া দলকে ঘিরে উচ্ছ্বাস আপত্তির মুখে ভারতের নাগরিকত্ব যাচাই অভিযান, দেশে ফিরল সোনালি বিবির পরিবার চ্যাটজিপিটি ওয়ার্ক উন্মোচন, কর্মক্ষেত্রের এআইয়ের দৌড়ে নতুন অধ্যায় দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি ধ্বংসস্তূপের খার্তুমে ফিরেছে ২০ লাখ মানুষ, সংকট বিদ্যুৎ-পানি ও কর্মসংস্থানে গাজায় বিশ্বকাপ দেখানোর আয়োজন করা ত্রাণকর্মী বিমান হামলায় নিহত স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, নিহত ১২ ও নিখোঁজ ২৩ ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সহায়তার অঙ্গীকার ন্যাটোর, ক্ষুব্ধ রাশিয়া সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল যুবকের মরদেহ, হত্যার আলামত

চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল

চীন তার রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় ২০টি জাপানি প্রতিষ্ঠান যুক্ত করেছে এবং আরও ২০টিকে পর্যবেক্ষণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই পদক্ষেপে টোকিয়োর উপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক বিরোধকে জাপানের বড় কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও কড়া নজরদারি

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় রয়েছে, তাদের কাছে দ্বৈত ব্যবহারের পণ্য—যা সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহারযোগ্য—রপ্তানি নিষিদ্ধ। এছাড়াও, চীনে উৎপাদিত পণ্যগুলিও বিদেশী রপ্তানিকারকদের জন্য এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো নিষিদ্ধ।

যেসব প্রতিষ্ঠান তালিকায় রয়েছে

তালিকাভুক্ত ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, কাওয়াসাকি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আইএইচআই-এর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলো, পাশাপাশি জাপানের ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমিও। এই প্রতিষ্ঠানগুলো নৌযান, বিমান, রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম গবেষণা, উন্নয়ন ও উৎপাদনে জড়িত।

পর্যবেক্ষণ তালিকায় নতুন সংযোজন

একই সঙ্গে আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানকে পর্যবেক্ষণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে stricter scrutiny-এর আওতায় দ্বৈত ব্যবহারের পণ্যের ব্যবসা পরীক্ষা করা হবে। এই তালিকায় রয়েছে গাড়ি প্রস্তুতকারী সুবারু, যার এয়ারস্পেস বিভাগ প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য কনট্রাক্ট রয়েছে। এছাড়াও সুমিতোমো হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এবং টোকিওর পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সও তালিকাভুক্ত হয়েছে।

চীনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, যেসব পণ্য জাপানের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হিসেবে চিহ্নিত হবে, সেগুলোর রপ্তানি অনুমোদন দেওয়া হবে না।

দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্যের প্রভাব

যদিও এই ধরনের পণ্য মূলত বেসামরিক ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়, তবে এগুলি অস্ত্র ও সামরিক সিস্টেম উন্নয়ন বা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীরব মহামারি: কেন এখনই ফ্যাটি লিভার রোগকে জাতীয় স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখতে হবে

চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল

১১:০০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চীন তার রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় ২০টি জাপানি প্রতিষ্ঠান যুক্ত করেছে এবং আরও ২০টিকে পর্যবেক্ষণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই পদক্ষেপে টোকিয়োর উপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক বিরোধকে জাপানের বড় কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও কড়া নজরদারি

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় রয়েছে, তাদের কাছে দ্বৈত ব্যবহারের পণ্য—যা সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহারযোগ্য—রপ্তানি নিষিদ্ধ। এছাড়াও, চীনে উৎপাদিত পণ্যগুলিও বিদেশী রপ্তানিকারকদের জন্য এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো নিষিদ্ধ।

যেসব প্রতিষ্ঠান তালিকায় রয়েছে

তালিকাভুক্ত ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, কাওয়াসাকি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আইএইচআই-এর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলো, পাশাপাশি জাপানের ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমিও। এই প্রতিষ্ঠানগুলো নৌযান, বিমান, রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম গবেষণা, উন্নয়ন ও উৎপাদনে জড়িত।

পর্যবেক্ষণ তালিকায় নতুন সংযোজন

একই সঙ্গে আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানকে পর্যবেক্ষণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে stricter scrutiny-এর আওতায় দ্বৈত ব্যবহারের পণ্যের ব্যবসা পরীক্ষা করা হবে। এই তালিকায় রয়েছে গাড়ি প্রস্তুতকারী সুবারু, যার এয়ারস্পেস বিভাগ প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য কনট্রাক্ট রয়েছে। এছাড়াও সুমিতোমো হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এবং টোকিওর পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সও তালিকাভুক্ত হয়েছে।

চীনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, যেসব পণ্য জাপানের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হিসেবে চিহ্নিত হবে, সেগুলোর রপ্তানি অনুমোদন দেওয়া হবে না।

দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্যের প্রভাব

যদিও এই ধরনের পণ্য মূলত বেসামরিক ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়, তবে এগুলি অস্ত্র ও সামরিক সিস্টেম উন্নয়ন বা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।