১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
হঠাৎ কোটিপতি হওয়ার মানসিক চাপ, নতুন ধনী শ্রেণির অদৃশ্য সংকট কান মঞ্চে শাড়ির নতুন রূপ: আলিয়া ভাটের ইন্দো-ওয়েস্টার্ন লুকে ঝড় যখন আকাশ মেঘলা  হরমুজের লড়াই: জ্বালানি পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন ভূরাজনৈতিক সংঘাত চীনা গাড়ির সামনে আমেরিকার দেয়াল কতদিন টিকবে আল-কায়েদার ছায়া কি আবার বিশ্বকে তাড়া করছে? লেবার পার্টির পুরোনো জোট ভেঙে গেছে, স্টারমার একা এর সমাধান নন স্টারমারের নেতৃত্বে চাপে ব্রিটিশ লেবার পার্টি, ভাঙনের আশঙ্কায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ আফ্রিকার একাধিক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ PM তারেক রহমানের হুঁশিয়ারি: মুখস্থনির্ভর শিক্ষায় স্নাতক হয়ে লক্ষ লক্ষ তরুণ বেকার

ট্রাম্পের শুল্ক নীতি বন্ধ! সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিভাজন শক্তির জয়

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ রায়ে স্পষ্ট হল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সাংবিধানিক নয়। ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনকে অতি-ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা আদালত বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট সীমাহীন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা একতরফাভাবে ব্যবহার করতে পারবে না; এর জন্য কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন আবশ্যক।

কংগ্রেসের ক্ষমতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা

Why the supreme court's tariffs ruling is a win for world trade – but also tricky | Trump tariffs | The Guardian

আদালতের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, আমদানিতে শুল্ক আরোপের একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের। সাধারণ মার্কিন পরিবার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই রায়ের মাধ্যমে স্বস্তি পাবে। যদিও ট্রাম্প তার পরাজয় স্বীকার করেননি, সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রশাসন এখন অন্যান্য আইন, বিশেষ করে ১৯৬০-এর ট্রেড সম্প্রসারণ আইন ব্যবহার করবে শুল্ক আরোপের জন্য।

শুল্ক বিতর্কের মূল কারণ: ক্ষমতার বিভাজন

এই মামলার মূল বিষয় ছিল ক্ষমতার বিভাজন। ট্রাম্প শুল্ক ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট মনে করিয়েছে, সংবিধানের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স মন্তব্য করেছেন, এই রায় মার্কিন জনগণের জয় এবং সংবিধানিক ক্ষমতার বিভাজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বাইডেন বনাম ট্রাম্প: কে কতটা এগিয়ে

মার্কিন অর্থনীতিতে প্রভাব

শুল্ক বাতিলের খবরের পর মার্কিন শেয়ারবাজার ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ট্রাম্পের শুল্ক নীতির কারণে আমেরিকান ভোটাররা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক মূল্যায়ন করে আসছিলেন। তবে প্রশাসন সম্ভবত শুল্ক আরোপের প্রচেষ্টা থামাবে না।

ট্রাম্প বনাম বাইডেন: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার সম্পর্কিত মামলার দৃষ্টান্তের মিল লক্ষ্য করা গেছে। বাইডেনও সীমিত আইনকে ব্যবহার করে ব্যাপক নীতিমালা চালু করতে চেয়েছিলেন, যা আদালত বেআইনি ঘোষণা করেছিল। ট্রাম্পকে এখন কঠোরভাবে কংগ্রেসের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করতে হবে, যদি তিনি সত্যিই শুল্ক নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে চান।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ কোটিপতি হওয়ার মানসিক চাপ, নতুন ধনী শ্রেণির অদৃশ্য সংকট

ট্রাম্পের শুল্ক নীতি বন্ধ! সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিভাজন শক্তির জয়

০৬:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ রায়ে স্পষ্ট হল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সাংবিধানিক নয়। ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনকে অতি-ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা আদালত বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট সীমাহীন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা একতরফাভাবে ব্যবহার করতে পারবে না; এর জন্য কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন আবশ্যক।

কংগ্রেসের ক্ষমতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা

Why the supreme court's tariffs ruling is a win for world trade – but also tricky | Trump tariffs | The Guardian

আদালতের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, আমদানিতে শুল্ক আরোপের একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের। সাধারণ মার্কিন পরিবার এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই রায়ের মাধ্যমে স্বস্তি পাবে। যদিও ট্রাম্প তার পরাজয় স্বীকার করেননি, সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রশাসন এখন অন্যান্য আইন, বিশেষ করে ১৯৬০-এর ট্রেড সম্প্রসারণ আইন ব্যবহার করবে শুল্ক আরোপের জন্য।

শুল্ক বিতর্কের মূল কারণ: ক্ষমতার বিভাজন

এই মামলার মূল বিষয় ছিল ক্ষমতার বিভাজন। ট্রাম্প শুল্ক ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট মনে করিয়েছে, সংবিধানের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স মন্তব্য করেছেন, এই রায় মার্কিন জনগণের জয় এবং সংবিধানিক ক্ষমতার বিভাজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বাইডেন বনাম ট্রাম্প: কে কতটা এগিয়ে

মার্কিন অর্থনীতিতে প্রভাব

শুল্ক বাতিলের খবরের পর মার্কিন শেয়ারবাজার ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ট্রাম্পের শুল্ক নীতির কারণে আমেরিকান ভোটাররা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক মূল্যায়ন করে আসছিলেন। তবে প্রশাসন সম্ভবত শুল্ক আরোপের প্রচেষ্টা থামাবে না।

ট্রাম্প বনাম বাইডেন: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার সম্পর্কিত মামলার দৃষ্টান্তের মিল লক্ষ্য করা গেছে। বাইডেনও সীমিত আইনকে ব্যবহার করে ব্যাপক নীতিমালা চালু করতে চেয়েছিলেন, যা আদালত বেআইনি ঘোষণা করেছিল। ট্রাম্পকে এখন কঠোরভাবে কংগ্রেসের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করতে হবে, যদি তিনি সত্যিই শুল্ক নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে চান।