১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
চাঁদপুরে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুতের কর্মীকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাড়বে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা রক্ষণ ভাঙার সব কৌশল ছিল, গোলটাই ছিল না: ঘানার কাছে কেন থমকে গেল ইংল্যান্ড চীনের বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরঝড়ের আতঙ্ক কতটা বাস্তব, আর কতটা মোকাবিলা করা সম্ভব? রোনালদিনহোর অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: ৪৬ বছর বয়সে ইতালির রাভেন্নায় যোগ দিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি ডলার নির্ভরতা কমাতে ইন্দোনেশিয়া-চীনের নতুন উদ্যোগ, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনে গতি পোশাক খাতে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করার দাবি বিজিএমইএর ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা ফেনীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২

ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে চীনের ওপর শুল্ক অপরিবর্তিত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র

ওয়াশিংটন আসন্ন উচ্চপর্যায়ের ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক বর্তমান অবস্থায়ই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আরোপিত কিছু শুল্ক বাতিল করলেও, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ট্রাম্প প্রশাসন বিদ্যমান হার বহাল রাখবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার।

বুধবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গ্রিয়ার বলেন, গত বছর দুই দেশ বাণিজ্যযুদ্ধ ‘শীতল’ করার পর যে হারে শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা এখনই বাড়ানো হবে না। বর্তমানে পণ্যের ধরন অনুযায়ী চীনা পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ রয়েছে।

What happened when Trump met Xi? | Brookings

শুল্ক নীতিতে ‘ধারাবাহিকতা’ বজায় রাখার কৌশল

গ্রিয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করা নয়। তিনি বলেন, আমরা এর বাইরে গিয়ে উত্তেজনা বাড়াতে চাই না। আগের যে সমঝোতা ছিল, সেটিতেই স্থির থাকতে চাই।

এই অবস্থান এমন সময়ে নেওয়া হলো, যখন দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বৈঠকটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক : সুপ্রিম কোর্টের রায় 'উপেক্ষা' ট্রাম্পের, কী বলছে আইন?

সুপ্রিম কোর্টের রায় ও ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আরোপিত কিছু শুল্ক বাতিল করলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি দাবি করেন, তার হাতে আরও শক্তিশালী বিকল্প রয়েছে, যা প্রয়োগ করলে সরকার আরও বেশি রাজস্ব আয় করতে পারবে।

ট্রাম্প জানান, তিনি ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারা প্রয়োগ করে বৈশ্বিকভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তবে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, এই হার বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হবে, যা আইনে অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমা।

ট্রাম্প প্রশাসনের গুরত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিচ্ছেন ম...

বাণিজ্য অংশীদারদের উদ্বেগ

ট্রাম্প প্রশাসন নতুন আইনি উপকরণ ব্যবহার করে কীভাবে বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো বজায় রাখবে এবং একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো রক্ষা করবে—তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদাররা এখনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে এই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে শুল্কনীতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের ফলাফলের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুতের কর্মীকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে চীনের ওপর শুল্ক অপরিবর্তিত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র

০৪:১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ওয়াশিংটন আসন্ন উচ্চপর্যায়ের ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক বর্তমান অবস্থায়ই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আরোপিত কিছু শুল্ক বাতিল করলেও, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ট্রাম্প প্রশাসন বিদ্যমান হার বহাল রাখবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার।

বুধবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গ্রিয়ার বলেন, গত বছর দুই দেশ বাণিজ্যযুদ্ধ ‘শীতল’ করার পর যে হারে শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা এখনই বাড়ানো হবে না। বর্তমানে পণ্যের ধরন অনুযায়ী চীনা পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ রয়েছে।

What happened when Trump met Xi? | Brookings

শুল্ক নীতিতে ‘ধারাবাহিকতা’ বজায় রাখার কৌশল

গ্রিয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করা নয়। তিনি বলেন, আমরা এর বাইরে গিয়ে উত্তেজনা বাড়াতে চাই না। আগের যে সমঝোতা ছিল, সেটিতেই স্থির থাকতে চাই।

এই অবস্থান এমন সময়ে নেওয়া হলো, যখন দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বৈঠকটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক : সুপ্রিম কোর্টের রায় 'উপেক্ষা' ট্রাম্পের, কী বলছে আইন?

সুপ্রিম কোর্টের রায় ও ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আরোপিত কিছু শুল্ক বাতিল করলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি দাবি করেন, তার হাতে আরও শক্তিশালী বিকল্প রয়েছে, যা প্রয়োগ করলে সরকার আরও বেশি রাজস্ব আয় করতে পারবে।

ট্রাম্প জানান, তিনি ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারা প্রয়োগ করে বৈশ্বিকভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তবে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, এই হার বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হবে, যা আইনে অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমা।

ট্রাম্প প্রশাসনের গুরত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিচ্ছেন ম...

বাণিজ্য অংশীদারদের উদ্বেগ

ট্রাম্প প্রশাসন নতুন আইনি উপকরণ ব্যবহার করে কীভাবে বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো বজায় রাখবে এবং একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো রক্ষা করবে—তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদাররা এখনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে এই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে শুল্কনীতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের ফলাফলের ওপর।