জাতীয় নির্বাচনের পরবর্তী ধাপে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে বড় সহায়তা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কাছে ৩০টি ডেস্কটপ কম্পিউটার হস্তান্তর করেছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণ, জ্ঞান সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নির্বাচন-পরবর্তী সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর
সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অর্জিত অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ, শিক্ষা গ্রহণ এবং সামনে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি জোরদারে। এ প্রেক্ষাপটে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটকে কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে আরও কার্যকর করে তুলতে এই প্রযুক্তি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাচন কমিশনের জন্য নতুন প্রযুক্তি সহায়তা
নতুন কম্পিউটারগুলো ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ, সিমুলেশনভিত্তিক অনুশীলন এবং উন্নত তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে পুরো নির্বাচনী চক্রজুড়ে ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াবে।
তেরোতম জাতীয় নির্বাচন সফল আয়োজনের পর
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দেশের তেরোতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। নির্বাচন কমিশনের পরিচালন দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব সেখানে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করে। দীর্ঘদিনের কারিগরি সহায়তার ফলে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিই এ সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সক্ষমতা জোরদারের ক্ষেত্রে এ সহায়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদাররা পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে একসঙ্গে কাজ করলে টেকসই অগ্রগতি সম্ভব হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















