তেহরান টাইমস জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শনিবার তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তার কার্যালয়ে লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন–ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় শহীদ হয়েছেন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।
খবরে বলা হয়, হামলার সময় তার সঙ্গে তার কন্যা, জামাতা, নাতি এবং পরিবারের আরও এক সদস্যও নিহত হন। ইরানের একাধিক সরকারি কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে শোক প্রকাশ করেন।

তেহরান টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব অস্থায়ীভাবে একটি শীর্ষ নেতৃত্ব দলের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট, পার্লামেন্ট স্পিকার ও বিচার বিভাগের প্রধান মিলে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নতুন নেতা নির্বাচন করবে বিশেষজ্ঞ পরিষদ।
সরকার ইতোমধ্যে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১৯৮৯ সালে ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশটির সামরিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নীতিনির্ধারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তার মৃত্যু ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















