ইরানি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান উপসাগরীয় দেশগুলো এবং জর্ডানের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন। একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে টেলিফোন আলাপে তিনি স্পষ্ট করে জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সৌদি আরব সব ধরনের সক্ষমতা নিয়ে পাশে থাকবে।

উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ
শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফা, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ এবং জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফোনালাপ করেন যুবরাজ। আলোচনায় সাম্প্রতিক ইরানি হামলার প্রেক্ষাপট ও এর আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে কথা হয়।
পূর্ণ সংহতির বার্তা
আলাপচারিতায় যুবরাজ বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় সৌদি আরব দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি জানান, যেকোনো প্রতিক্রিয়ামূলক পদক্ষেপে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সৌদি আরব তার সব সামর্থ্য উন্মুক্ত রাখবে। তার ভাষায়, এই হামলা শুধু নির্দিষ্ট দেশ নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
ইরানের হামলাকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে। তাই যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সমন্বিত প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের এই অবস্থান উপসাগরীয় জোটকে আরও ঘনিষ্ঠ করতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যে সৌদি আরবের এই কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















