মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ইসরায়েল এক নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়েছে। দেশটির বিমান বাহিনী একযোগে ২০০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে ইরানের ভেতরে প্রায় ৫০০ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকাশ হামলা হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

অভিযানের ব্যাপকতা ও পরিকল্পনা
সামরিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও বহুস্তরভিত্তিক। একাধিক সামরিক স্থাপনা, অস্ত্রভাণ্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং কৌশলগত অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। একই সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণ চালিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করার কৌশল নেওয়া হয়েছিল।
২০০-এর বেশি যুদ্ধবিমান আকাশে উঠে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানে নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহারের দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলের বার্তা ও কৌশল
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং সম্ভাব্য হুমকি আগেই ঠেকানো। সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় পরিসরে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে যে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে তারা কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্থিরতার শঙ্কা
এই অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইরান কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে বড় প্রশ্ন। সম্ভাব্য পাল্টা হামলা বা আঞ্চলিক সংঘাত বিস্তারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















