০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল সংকট: কারা মূল শক্তি ও কী তাদের ভূমিকা

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা চরমে। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে চলা গণবিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে শনিবার ইরানের ওপর হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে নতুন করে বৈশ্বিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তির সমীকরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নিচে এই সংকটের প্রধান পক্ষগুলো এবং তাদের ভূমিকা তুলে ধরা হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইলেও ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান বরাবরই কঠোর।

গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েলের অভিযানে সরাসরি যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি তারা কোনোভাবেই সহ্য করবে না।

গত মাসে ইরানে ব্যাপক গণবিক্ষোভ শুরু হলে ট্রাম্প প্রকাশ্যে সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, অতীতে যেমন হয়েছে, তেমনি যদি কর্তৃপক্ষ জনগণকে হত্যা শুরু করে, তাহলে তিনি “খুব কঠোরভাবে” জবাব দেবেন। এই বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

তার প্রথম মেয়াদেই ট্রাম্প “সর্বোচ্চ চাপ” নীতির প্রবর্তন করেন, যার লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ইরানকে দুর্বল করা।

২০১৮ সালে তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের যে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়েছিল, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়।

বর্তমান সংকট সেই দীর্ঘদিনের নীতিগত বিরোধ ও পারস্পরিক অবিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ, যা এখন সরাসরি সামরিক পদক্ষেপে রূপ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল সংকট: কারা মূল শক্তি ও কী তাদের ভূমিকা

০৪:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা চরমে। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে চলা গণবিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে শনিবার ইরানের ওপর হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে নতুন করে বৈশ্বিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তির সমীকরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নিচে এই সংকটের প্রধান পক্ষগুলো এবং তাদের ভূমিকা তুলে ধরা হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইলেও ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান বরাবরই কঠোর।

গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েলের অভিযানে সরাসরি যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি তারা কোনোভাবেই সহ্য করবে না।

গত মাসে ইরানে ব্যাপক গণবিক্ষোভ শুরু হলে ট্রাম্প প্রকাশ্যে সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, অতীতে যেমন হয়েছে, তেমনি যদি কর্তৃপক্ষ জনগণকে হত্যা শুরু করে, তাহলে তিনি “খুব কঠোরভাবে” জবাব দেবেন। এই বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

তার প্রথম মেয়াদেই ট্রাম্প “সর্বোচ্চ চাপ” নীতির প্রবর্তন করেন, যার লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ইরানকে দুর্বল করা।

২০১৮ সালে তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের যে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়েছিল, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়।

বর্তমান সংকট সেই দীর্ঘদিনের নীতিগত বিরোধ ও পারস্পরিক অবিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ, যা এখন সরাসরি সামরিক পদক্ষেপে রূপ নিয়েছে।