০৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পঞ্চম সপ্তাহে তীব্রতা বৃদ্ধি, বৈরুত ও তুরস্কে নতুন উত্তেজনা চিপ পাচার কেলেঙ্কারি: নিষেধাজ্ঞা ভেঙে চীনে পৌঁছাচ্ছে উন্নত প্রযুক্তি, নিয়ন্ত্রণে বড় ফাঁক বাইটড্যান্সের ঝড়ো উত্থান: টিকটক থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—বিশ্ব প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন শক্তির উত্থান ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতারণা: শীর্ষ কর্মকর্তার পরিচয়ে যুবক গ্রেপ্তার, বেরিয়ে এলো চক্রের কৌশল বরিশালে হামের ভয়াবহ বিস্তার, তিন মাসে ৭ শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গা ও নাটোরে অভিযান, অনিয়মে দুই লাখ টাকা জরিমানা শরিয়াহ মানদণ্ডে ফাঁক, আস্থার সংকট—ইসলামী ব্যাংকিংয়ে সংস্কারের ডাক ঢাকার শহীদ মিনার এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার তিস্তা সীমান্তে জ্বালানি চোরাচালান ঠেকাতে কড়াকড়ি, অভিযানে সক্রিয় বিজিবি সায়েদাবাদে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণীর, ঢাকায় আবারও সড়ক নিরাপত্তা প্রশ্নে

সানওয়ের অধিগ্রহণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের আহ্বান আইজেএমের

মালয়েশিয়ার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় করপোরেট অধিগ্রহণ প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার মুখে পড়েছে। স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টা প্রস্তাবটিকে “ন্যায্য নয় এবং যুক্তিসঙ্গত নয়” বলে মন্তব্য করার পর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান আইজেএম কর্পোরেশন তাদের শেয়ারহোল্ডারদের সানওয়ে গ্রুপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে বলেছে।

প্রায় ১১ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ২.৮ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি শুধু ব্যবসায়িক দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক কারণেও মালয়েশিয়ায় বিতর্ক তৈরি করেছিল।

অধিগ্রহণ প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক

বহু বিশ্লেষকের মতে, আইজেএম অধিগ্রহণের জন্য সানওয়ে গ্রুপের প্রস্তাবটি ছিল বেশ সাহসী। এর অন্যতম কারণ ছিল অর্থপ্রদানের কাঠামো। প্রস্তাব অনুযায়ী মোট অর্থের মাত্র ১০ শতাংশ নগদে এবং বাকি ৯০ শতাংশ সানওয়ের নতুন ইস্যু করা শেয়ারের মাধ্যমে পরিশোধের কথা ছিল।

এই কাঠামো অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়েছে।

স্বাধীন মূল্যায়নে বড় পার্থক্য

মালয়েশিয়ার আইনের অধীনে যেকোনো অধিগ্রহণ প্রস্তাবের ক্ষেত্রে স্বাধীন উপদেষ্টার মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এমঅ্যান্ডএ সিকিউরিটিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানওয়ে প্রতি আইজেএম শেয়ারের জন্য ৩.১৫ রিঙ্গিত মূল্য প্রস্তাব করলেও এটি কোম্পানির প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক কম।

উপদেষ্টার মূল্যায়ন অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যবসা খাতের সম্মিলিত হিসাব ধরে আইজেএমের প্রতি শেয়ারের মূল্য হওয়া উচিত প্রায় ৫.৮৪ থেকে ৬.৪৮ রিঙ্গিত।

তবে বাস্তবে চলতি বছরের শুরু থেকে আইজেএমের শেয়ারের দাম কখনও ৩ রিঙ্গিতের উপরে ওঠেনি। এই কারণেই কিছু ইকুইটি বিশ্লেষক আগে এই অধিগ্রহণ চুক্তিকে সমর্থন করেছিলেন।

বিশ্লেষকদের প্রতিক্রিয়া

স্বাধীন উপদেষ্টার মূল্যায়ন অনেক বিশেষজ্ঞকেই বিস্মিত করেছে।

অ্যাস্ট্রামিনা অ্যাডভাইজরির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ং মুহ রং বলেন, এই মূল্যায়ন তার প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি।

তার নিজের প্রাথমিক বিশ্লেষণে আইজেএমের মোট মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ১৬ থেকে ১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিত। সে হিসেবে প্রতি শেয়ারের মূল্য দাঁড়াতে পারে ৪.৫৬ থেকে ৫.১৩ রিঙ্গিত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সানওয়ের শেয়ার গ্রহণ করলে আইজেএম শেয়ারহোল্ডারদের সম্ভাব্য লাভ অনিশ্চিত।

কারণ প্রস্তাবদাতার উল্লেখ করা সম্ভাব্য সুবিধাগুলো ভবিষ্যতনির্ভর এবং শর্তসাপেক্ষ। অন্যদিকে আইজেএম বর্তমানে নিজস্বভাবে মূল্য বৃদ্ধির একটি সক্রিয় পর্যায়ে রয়েছে।

একই ধরনের ব্যবসা হওয়ায় সংশয়

কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, এই দুই কোম্পানির ব্যবসার ধরন প্রায় একই হওয়ায় একীভূত হলেও খুব বেশি নতুন মূল্য সৃষ্টি নাও হতে পারে।

মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অব কর্পোরেট ডিরেক্টরসের ফেলো মাজলি নূর বলেন, আইজেএম এবং সানওয়ে মূলত একই ধরনের নির্মাণ খাতে কাজ করে।

তার মতে, একীভূত হলে বাজারমূল্য কিছুটা বাড়তে পারে, কিন্তু বাস্তবে নতুন অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টির সুযোগ সীমিত।

শেয়ারবাজারের প্রতিক্রিয়া

স্বাধীন উপদেষ্টার মূল্যায়ন প্রকাশের পর শেয়ারবাজারে আইজেএমের শেয়ারের দাম ৫.৩ শতাংশ কমে ২.৩২ রিঙ্গিতে নেমে আসে।

অন্যদিকে সানওয়ের শেয়ারের দামও সামান্য কমে ০.৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৫.১৪ রিঙ্গিতে দাঁড়ায়।

সানওয়ের কৌশলগত লাভ

যদিও এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, তবুও কিছু বিশ্লেষকের মতে সানওয়ে এই প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

ওয়ং মুহ রং বলেন, কৌশলগতভাবে এই স্বেচ্ছা প্রস্তাবের মাধ্যমে সানওয়ের লাভই বেশি, ক্ষতির ঝুঁকি কম।

কারণ এই প্রস্তাবের মাধ্যমে তারা নিজেদের তুলনামূলক উচ্চ শেয়ারমূল্যের সুবিধা নিয়েছে এবং একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সানওয়ে এবং আইজেএম একই ধরনের প্রকল্পের দরপত্রে প্রতিযোগিতা করে। ফলে এই প্রস্তাব আইজেএম ব্যবস্থাপনার মনোযোগ দৈনন্দিন কার্যক্রম ও কৌশলগত পরিকল্পনা থেকে কিছুটা সরিয়ে দিতে পারে।

রাজনৈতিক বিতর্কও সৃষ্টি

এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি রাজনৈতিক বিতর্কও উসকে দেয়।

কিছু রাজনীতিবিদ বিষয়টিকে এমনভাবে তুলে ধরেছিলেন যে এটি যেন একটি চীনা মালয়েশীয় কোম্পানি একটি মালয় মালিকানাধীন ব্যবসা অধিগ্রহণ করতে চাইছে।

৫ মার্চ মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন এই অধিগ্রহণ প্রস্তাব নিয়ে তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দেয়। যদিও একই সময়ে এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে সংসদে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও উঠেছিল।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও সানওয়ে এবং আইজেএম তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পঞ্চম সপ্তাহে তীব্রতা বৃদ্ধি, বৈরুত ও তুরস্কে নতুন উত্তেজনা

সানওয়ের অধিগ্রহণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের আহ্বান আইজেএমের

০৬:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়ার সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় করপোরেট অধিগ্রহণ প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার মুখে পড়েছে। স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টা প্রস্তাবটিকে “ন্যায্য নয় এবং যুক্তিসঙ্গত নয়” বলে মন্তব্য করার পর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান আইজেএম কর্পোরেশন তাদের শেয়ারহোল্ডারদের সানওয়ে গ্রুপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে বলেছে।

প্রায় ১১ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ২.৮ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি শুধু ব্যবসায়িক দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক কারণেও মালয়েশিয়ায় বিতর্ক তৈরি করেছিল।

অধিগ্রহণ প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক

বহু বিশ্লেষকের মতে, আইজেএম অধিগ্রহণের জন্য সানওয়ে গ্রুপের প্রস্তাবটি ছিল বেশ সাহসী। এর অন্যতম কারণ ছিল অর্থপ্রদানের কাঠামো। প্রস্তাব অনুযায়ী মোট অর্থের মাত্র ১০ শতাংশ নগদে এবং বাকি ৯০ শতাংশ সানওয়ের নতুন ইস্যু করা শেয়ারের মাধ্যমে পরিশোধের কথা ছিল।

এই কাঠামো অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়েছে।

স্বাধীন মূল্যায়নে বড় পার্থক্য

মালয়েশিয়ার আইনের অধীনে যেকোনো অধিগ্রহণ প্রস্তাবের ক্ষেত্রে স্বাধীন উপদেষ্টার মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এমঅ্যান্ডএ সিকিউরিটিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানওয়ে প্রতি আইজেএম শেয়ারের জন্য ৩.১৫ রিঙ্গিত মূল্য প্রস্তাব করলেও এটি কোম্পানির প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক কম।

উপদেষ্টার মূল্যায়ন অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যবসা খাতের সম্মিলিত হিসাব ধরে আইজেএমের প্রতি শেয়ারের মূল্য হওয়া উচিত প্রায় ৫.৮৪ থেকে ৬.৪৮ রিঙ্গিত।

তবে বাস্তবে চলতি বছরের শুরু থেকে আইজেএমের শেয়ারের দাম কখনও ৩ রিঙ্গিতের উপরে ওঠেনি। এই কারণেই কিছু ইকুইটি বিশ্লেষক আগে এই অধিগ্রহণ চুক্তিকে সমর্থন করেছিলেন।

বিশ্লেষকদের প্রতিক্রিয়া

স্বাধীন উপদেষ্টার মূল্যায়ন অনেক বিশেষজ্ঞকেই বিস্মিত করেছে।

অ্যাস্ট্রামিনা অ্যাডভাইজরির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ং মুহ রং বলেন, এই মূল্যায়ন তার প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি।

তার নিজের প্রাথমিক বিশ্লেষণে আইজেএমের মোট মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ১৬ থেকে ১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিত। সে হিসেবে প্রতি শেয়ারের মূল্য দাঁড়াতে পারে ৪.৫৬ থেকে ৫.১৩ রিঙ্গিত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সানওয়ের শেয়ার গ্রহণ করলে আইজেএম শেয়ারহোল্ডারদের সম্ভাব্য লাভ অনিশ্চিত।

কারণ প্রস্তাবদাতার উল্লেখ করা সম্ভাব্য সুবিধাগুলো ভবিষ্যতনির্ভর এবং শর্তসাপেক্ষ। অন্যদিকে আইজেএম বর্তমানে নিজস্বভাবে মূল্য বৃদ্ধির একটি সক্রিয় পর্যায়ে রয়েছে।

একই ধরনের ব্যবসা হওয়ায় সংশয়

কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, এই দুই কোম্পানির ব্যবসার ধরন প্রায় একই হওয়ায় একীভূত হলেও খুব বেশি নতুন মূল্য সৃষ্টি নাও হতে পারে।

মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অব কর্পোরেট ডিরেক্টরসের ফেলো মাজলি নূর বলেন, আইজেএম এবং সানওয়ে মূলত একই ধরনের নির্মাণ খাতে কাজ করে।

তার মতে, একীভূত হলে বাজারমূল্য কিছুটা বাড়তে পারে, কিন্তু বাস্তবে নতুন অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টির সুযোগ সীমিত।

শেয়ারবাজারের প্রতিক্রিয়া

স্বাধীন উপদেষ্টার মূল্যায়ন প্রকাশের পর শেয়ারবাজারে আইজেএমের শেয়ারের দাম ৫.৩ শতাংশ কমে ২.৩২ রিঙ্গিতে নেমে আসে।

অন্যদিকে সানওয়ের শেয়ারের দামও সামান্য কমে ০.৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৫.১৪ রিঙ্গিতে দাঁড়ায়।

সানওয়ের কৌশলগত লাভ

যদিও এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, তবুও কিছু বিশ্লেষকের মতে সানওয়ে এই প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

ওয়ং মুহ রং বলেন, কৌশলগতভাবে এই স্বেচ্ছা প্রস্তাবের মাধ্যমে সানওয়ের লাভই বেশি, ক্ষতির ঝুঁকি কম।

কারণ এই প্রস্তাবের মাধ্যমে তারা নিজেদের তুলনামূলক উচ্চ শেয়ারমূল্যের সুবিধা নিয়েছে এবং একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সানওয়ে এবং আইজেএম একই ধরনের প্রকল্পের দরপত্রে প্রতিযোগিতা করে। ফলে এই প্রস্তাব আইজেএম ব্যবস্থাপনার মনোযোগ দৈনন্দিন কার্যক্রম ও কৌশলগত পরিকল্পনা থেকে কিছুটা সরিয়ে দিতে পারে।

রাজনৈতিক বিতর্কও সৃষ্টি

এই অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি রাজনৈতিক বিতর্কও উসকে দেয়।

কিছু রাজনীতিবিদ বিষয়টিকে এমনভাবে তুলে ধরেছিলেন যে এটি যেন একটি চীনা মালয়েশীয় কোম্পানি একটি মালয় মালিকানাধীন ব্যবসা অধিগ্রহণ করতে চাইছে।

৫ মার্চ মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন এই অধিগ্রহণ প্রস্তাব নিয়ে তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দেয়। যদিও একই সময়ে এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে সংসদে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও উঠেছিল।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও সানওয়ে এবং আইজেএম তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।