মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত বাড়ছে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি। এই পরিস্থিতিতে তেল স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় উচ্চক্ষমতার লেজার অস্ত্রকে নতুন সম্ভাবনাময় সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
লেজার প্রযুক্তির নতুন সম্ভাবনা
উচ্চক্ষমতার লেজার অস্ত্র সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি ড্রোনের ঝাঁক কিংবা ক্ষেপণাস্ত্রের মতো দ্রুতগতির হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তেল স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এ কারণে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।
খরচের দিক থেকে বড় পার্থক্য
প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ অত্যন্ত বেশি। উদাহরণ হিসেবে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কথা বলা যায়, যেখানে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে খরচ হতে পারে ৩০ লাখ ডলারেরও বেশি।
এর বিপরীতে লেজার অস্ত্র দিয়ে একটি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে খরচ হতে পারে মাত্র প্রায় সাড়ে তিন ডলার। এই বিশাল ব্যয় পার্থক্যই নতুন করে লেজার প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়াচ্ছে।

ড্রোন হুমকি বাড়ায় আগ্রহ
ইরান এবং তার মিত্র গোষ্ঠীগুলো মধ্যপ্রাচ্যে তুলনামূলক সস্তা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়েছে। এসব অস্ত্র সহজে তৈরি করা যায় এবং তুলনামূলক কম খরচে ব্যাপক হামলা চালানো সম্ভব।
এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলো এখন নতুন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে লেজার প্রযুক্তিকে সম্ভাব্য কার্যকর ও সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় উচ্চক্ষমতার লেজার অস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষ করে যখন একসঙ্গে বহু ড্রোনের হামলা মোকাবিলা করতে হয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

























