যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি খচিত একটি স্মারক ২৪ ক্যারেট সোনার মুদ্রার নকশা অনুমোদন পেয়েছে। তবে এই অনুমোদন ঘিরে আইনি বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
মুদ্রা অনুমোদনের প্রক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পবিষয়ক ফেডারেল কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে এই মুদ্রার নকশা অনুমোদন দেয়। যুক্তরাষ্ট্র মিন্ট কর্তৃপক্ষ নকশা উপস্থাপনের পর কমিশন তা অনুমোদন করে। মুদ্রাটিতে ট্রাম্পকে একটি ডেস্কের ওপর মুষ্টিবদ্ধ হাতে ভর দিয়ে থাকা অবস্থায় দেখানো হয়েছে।
কমিশনের সহ-সভাপতি জেমস ম্যাকক্রেরি মুদ্রাটিকে যত বড় সম্ভব আকারে তৈরির পরামর্শ দেন, এমনকি ব্যাস তিন ইঞ্চি পর্যন্ত করার সুপারিশও করেন। তুলনামূলকভাবে, একটি সাধারণ মার্কিন কয়েন এক ইঞ্চিরও কম।

আইন ও বিতর্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান আইনে জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি মুদ্রায় ব্যবহার করার অনুমতি নেই। ফলে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্টের বিশেষ ক্ষমতার আওতায় এই সোনার প্রুফ মুদ্রা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
চূড়ান্ত মাপ নির্ধারণের পর মুদ্রা উৎপাদনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
গত বছর নিউইয়র্কের এক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা রিচি টরেস একটি বিল প্রস্তাব করেছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল প্রেসিডেন্টদের নিজেদের প্রতিকৃতি যুক্ত মুদ্রা প্রকাশে বাধা দেওয়া। তবে বিলটি এখনও পাস হয়নি।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ট্রাম্প পূর্বে কমিশনের সদস্যদের সরিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ দিয়েছিলেন, যা নিয়েও সমালোচনা রয়েছে।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট
এর আগে জীবিত অবস্থায় মুদ্রায় স্থান পাওয়া একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ক্যালভিন কুলিজ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ট্রাম্পের এই মুদ্রা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
নকশার উৎস
মুদ্রার নকশাটি ট্রাম্পের প্রধান হোয়াইট হাউস ফটোগ্রাফারের তোলা একটি ছবির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে, যা বর্তমানে ওয়াশিংটনের একটি গ্যালারিতে সংরক্ষিত রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















