যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি কঠোর বার্তা দিয়েছেন—যদি তেহরান সামরিকভাবে পরাজয় মেনে না নেয়, তাহলে আরও ভয়াবহ হামলার মুখে পড়তে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের চতুর্থ সপ্তাহে এই সতর্কতা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
হোয়াইট হাউসের কড়া বার্তা
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ট্রাম্প কোনও ব্লাফ দেন না এবং প্রয়োজনে “নরক উন্মুক্ত” করতে প্রস্তুত। তার ভাষায়, ইরান যদি বর্তমান বাস্তবতা না বোঝে এবং সামরিকভাবে নিজেদের পরাজয় স্বীকার না করে, তাহলে তাদের ওপর এমন আঘাত আসবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ঘিরে অনিশ্চয়তা
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা নিয়ে ইরান এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। প্রথম প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক হলেও, পুরোপুরি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেনি তেহরান। এতে বোঝা যাচ্ছে, কূটনৈতিক পথ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি।
আলোচনা চলছে, তবে গোপনীয়তা বজায়
মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং তা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে। তবে সম্ভাব্য একটি পরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ১৫ দফা পরিকল্পনার খবর পুরোপুরি সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার চেষ্টা
এই সংঘাত থামাতে ইতোমধ্যে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশরসহ একাধিক দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এখনও কোনও সমাধান দৃশ্যমান হয়নি।
বিশ্ববাজারে প্রতিক্রিয়া
যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। একই সঙ্গে তেলের দাম সামান্য কমেছে, যদিও জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















