ভারতের মঙ্গালুরু বন্দরে একসঙ্গে অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস খালাস শুরু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে নতুন গতি এসেছে। রবিবার সকাল থেকেই বন্দর এলাকায় জাহাজ থেকে তেল ও গ্যাস নামানোর কার্যক্রম শুরু হয়, যা দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাশিয়া থেকে আসা অপরিশোধিত তেল খালাস শুরু
রাশিয়া থেকে আসা ‘অ্যাকুয়া টাইটান’ নামের জাহাজটি শনিবার রাতে মঙ্গালুরু উপকূলে পৌঁছায়। প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী এই জাহাজটি সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং এলাকায় নোঙর করার পর রবিবার থেকেই তেল খালাস শুরু করে। এই তেল মঙ্গালুরু রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের জন্য আনা হয়েছে।
জাহাজটি মূলত চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল, তবে জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ অনুমতির ফলে মাঝপথে দিক পরিবর্তন করে ভারতে আসে। এতে প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এল এলপিজি, দ্রুত খালাস
একই দিনে ‘পাইসিস পাইওনিয়ার’ নামের আরেকটি জাহাজ ভোরে মঙ্গালুরু বন্দরের ১৩ নম্বর জেটিতে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা এই জাহাজে ছিল ১৬ হাজার ৭১৪ টন এলপিজি। জাহাজটি পৌঁছানোর পরপরই গ্যাস খালাস কার্যক্রম শুরু হয়, যা একটি বেসরকারি সংস্থার জন্য আনা হয়েছে।

শুল্ক ছাড়ে বাড়ছে কার্যক্রম
মার্চ মাসের শেষ পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি খালাসে বন্দর কর্তৃপক্ষের শুল্ক ছাড়ের সিদ্ধান্ত কার্যক্রম আরও দ্রুত করেছে। এই সুবিধার ফলে বন্দর দিয়ে জ্বালানি আমদানি বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জ্বালানি সরবরাহে ইতিবাচক প্রভাব
বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামার মধ্যে একাধিক উৎস থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















