১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধের মোড়ে ট্রাম্প: এগোবেন না কি পিছু হটবেন—চাপে আমেরিকা, দোলাচলে বিশ্ব ট্রাম্পের দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ইরান যুদ্ধ: বিভ্রান্ত বার্তা, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরান যুদ্ধের পরও মধ্যপ্রাচ্যে বদল আসবে না, সতর্ক বিশ্লেষণ মন্দা পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিশ্ব শিল্পবাজার, নিউইয়র্কের নিলামেই জোয়ার পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটেই মহাকাশ দৌড়ে বিপ্লব, খরচ কমিয়ে নতুন যুগের সূচনা ইরান সংকটে ট্রাম্পের অপ্রথাগত কূটনীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন নিউজিল্যান্ডের দুষ্টু কেয়া পাখি বিলুপ্তির পথে, পাহাড়ি প্রকৃতির এই বিস্ময় এখন সংকটে ডার্ক ম্যাটার : ব্রাউন ডোয়ার্ফের ভেতরে লুকিয়ে থাকা মহাবিশ্বের অদৃশ্য রহস্য সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় মৃত্যু ২, নিখোঁজ আরও ২: ঝড়-বৃষ্টিতে থমকে উদ্ধার অভিযান ইসরায়েলের গ্যাসক্ষেত্রে হামলা: বিশ্ব জ্বালানি বাজারে আতঙ্ক, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন বিস্ফোরণ

৩ মাসে বিদেশি ঋণ ১৩০ কোটি ডলার বৃদ্ধি, আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

দেশে আবারও বাড়তে শুরু করেছে বিদেশি ঋণের বোঝা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন মাসে ঋণ বৃদ্ধির চিত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৃদ্ধি।

আগের ওঠানামার প্রেক্ষাপট

এরও আগে গত জুন মাসে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। পরে সেপ্টেম্বরে কিছুটা কমে গেলেও বছরের শেষে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বাড়ার ধারা ফিরে এসেছে।

কেন বাড়ছে বিদেশি ঋণ

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এই ঋণ গ্রহণ বাড়ছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও সামগ্রিকভাবে দুই খাতের ঋণ মিলেই মোট পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি ঋণ বাড়লে একদিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসে, অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের চাপও বৃদ্ধি পায়। ফলে ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের মোড়ে ট্রাম্প: এগোবেন না কি পিছু হটবেন—চাপে আমেরিকা, দোলাচলে বিশ্ব

৩ মাসে বিদেশি ঋণ ১৩০ কোটি ডলার বৃদ্ধি, আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

০৯:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দেশে আবারও বাড়তে শুরু করেছে বিদেশি ঋণের বোঝা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন মাসে ঋণ বৃদ্ধির চিত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৃদ্ধি।

আগের ওঠানামার প্রেক্ষাপট

এরও আগে গত জুন মাসে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। পরে সেপ্টেম্বরে কিছুটা কমে গেলেও বছরের শেষে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বাড়ার ধারা ফিরে এসেছে।

কেন বাড়ছে বিদেশি ঋণ

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এই ঋণ গ্রহণ বাড়ছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও সামগ্রিকভাবে দুই খাতের ঋণ মিলেই মোট পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি ঋণ বাড়লে একদিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসে, অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের চাপও বৃদ্ধি পায়। ফলে ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।