সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নে বেড়িগাঁও সেতু ধসে পড়ায় তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই সেতুটি সুরমা, জাহাঙ্গীরনগর ও রাঙ্গারচর ইউনিয়নের মানুষের জন্য একমাত্র প্রধান যোগাযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল সেতুটি
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুটি প্রায় তিন দশক ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল এবং বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালের শুরুতে সেতুটি অনিরাপদ ঘোষণা করে সাময়িক মেরামত করা হয়েছিল, কিন্তু সেই সংস্কার ধরে রাখতে পারেনি এবং রমজানে সেতুটি সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ে।
বিকল্প পথে দুই কিলোমিটার ঘুরতে হচ্ছে, শিক্ষার্থী-রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
সেতু ধসের পর এলাকার মানুষ পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকান্তা বাজার হয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যাতায়াত করছেন। এতে পরিবহন খরচ ও সময় উভয়ই বাড়ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে একটি অস্থায়ী বেইলি সেতু স্থাপনের পাশাপাশি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















