১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ইউক্রেনের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যেই ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক মডেল প্রকৃতি ও পাখির টানে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বিল অডি খোলা পানিতে সাঁতার কতটা নিরাপদ, বৃষ্টির পর বাড়ে যে ভয় রাশিয়ার বেটিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কের বিতর্কে ইতালির কোচের দৌড় থেকে ছিটকে পিরলো আঠা-লেবেল ছাড়াই কাগজের প্যাকেজিং, বদলে যেতে পারে পুনর্ব্যবহারের ভবিষ্যৎ বালিতে বিদেশিদের দৌড় ক্লাবে স্থানীয়দের বাদ দেওয়ার অভিযোগ, দুই ডাচ নাগরিক নিষিদ্ধ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ে ৬ লাখের বেশি মানুষ জাপানে প্রথম মসজিদ নির্মাণ ঘিরে তীব্র বিতর্ক, পরিচয় সংকটে ফুজিসাওয়া আয়ারল্যান্ডের উপকূলে বিশাল হাঙরের অবিশ্বাস্য কাছাকাছি দেখা মিলছে বয়স বাড়লেও হাড় শক্ত রাখবে যেসব খাবার, দুধের বাইরেও আছে সহজ উপায়

৩০ বছরের পুরনো সেতু ধসে সুনামগঞ্জে ৫০ হাজার মানুষ কার্যত বিচ্ছিন্ন

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নে বেড়িগাঁও সেতু ধসে পড়ায় তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই সেতুটি সুরমা, জাহাঙ্গীরনগর ও রাঙ্গারচর ইউনিয়নের মানুষের জন্য একমাত্র প্রধান যোগাযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল সেতুটি

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুটি প্রায় তিন দশক ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল এবং বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালের শুরুতে সেতুটি অনিরাপদ ঘোষণা করে সাময়িক মেরামত করা হয়েছিল, কিন্তু সেই সংস্কার ধরে রাখতে পারেনি এবং রমজানে সেতুটি সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ে।

বিকল্প পথে দুই কিলোমিটার ঘুরতে হচ্ছে, শিক্ষার্থী-রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

সেতু ধসের পর এলাকার মানুষ পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকান্তা বাজার হয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যাতায়াত করছেন। এতে পরিবহন খরচ ও সময় উভয়ই বাড়ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে একটি অস্থায়ী বেইলি সেতু স্থাপনের পাশাপাশি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেনের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যেই ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক মডেল

৩০ বছরের পুরনো সেতু ধসে সুনামগঞ্জে ৫০ হাজার মানুষ কার্যত বিচ্ছিন্ন

০৮:০৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নে বেড়িগাঁও সেতু ধসে পড়ায় তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই সেতুটি সুরমা, জাহাঙ্গীরনগর ও রাঙ্গারচর ইউনিয়নের মানুষের জন্য একমাত্র প্রধান যোগাযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল সেতুটি

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুটি প্রায় তিন দশক ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল এবং বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালের শুরুতে সেতুটি অনিরাপদ ঘোষণা করে সাময়িক মেরামত করা হয়েছিল, কিন্তু সেই সংস্কার ধরে রাখতে পারেনি এবং রমজানে সেতুটি সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ে।

বিকল্প পথে দুই কিলোমিটার ঘুরতে হচ্ছে, শিক্ষার্থী-রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

সেতু ধসের পর এলাকার মানুষ পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকান্তা বাজার হয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যাতায়াত করছেন। এতে পরিবহন খরচ ও সময় উভয়ই বাড়ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে একটি অস্থায়ী বেইলি সেতু স্থাপনের পাশাপাশি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।