০৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান, নিখোঁজ প্রায় ৫০ হাজার হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা এসকর্ট কার্যক্রম স্থগিত শি: বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের বিআরআই সহযোগিতায় প্রস্তুত চীন গুদগুদিতে হাসে মানুষ ও বনমানুষ, মিলল হাসির বিবর্তনের ছন্দময় সূত্র ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড জনজীবন, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা বাগেরহাটে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার: দুই মাসে হাসপাতালে ২০০-এর বেশি রোগী, রেড জোন ঘোষণা শেষ মুহূর্তের গোলে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাল তুরস্ক, তবু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মার্কিনিরাই ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি নতুন এশিয়ার ভ্রমণ মানচিত্র: বালির গল্পে দেখা যাচ্ছে আঞ্চলিক অর্থনীতির নতুন শক্তি

মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা, জ্বালানি সংকটে চাপ বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশে মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়, আমদানি খরচ ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং এলএনজির দাম ৫০ শতাংশ বাড়লে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে যেতে পারে। রপ্তানি প্রায় ২ শতাংশ, আমদানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। প্রকৃত মজুরিও প্রায় ১ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জ্বালানি সংকটে মূল্যস্ফীতি ৪% পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা | অর্থনীতি | Citizens  Voice

এই চাপ সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে তৈরি পোশাক, পরিবহন, কৃষি এবং জ্বালানি-নির্ভর শিল্পখাতে। গবেষকেরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে জ্বালানি আমদানির উৎস বাড়ানো, কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন হলে রেশনিং চালু করা দরকার। দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার বিকল্প নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান, নিখোঁজ প্রায় ৫০ হাজার

মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা, জ্বালানি সংকটে চাপ বাড়ছে

১১:৩৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশে মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়, আমদানি খরচ ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং এলএনজির দাম ৫০ শতাংশ বাড়লে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে যেতে পারে। রপ্তানি প্রায় ২ শতাংশ, আমদানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। প্রকৃত মজুরিও প্রায় ১ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জ্বালানি সংকটে মূল্যস্ফীতি ৪% পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা | অর্থনীতি | Citizens  Voice

এই চাপ সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে তৈরি পোশাক, পরিবহন, কৃষি এবং জ্বালানি-নির্ভর শিল্পখাতে। গবেষকেরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে জ্বালানি আমদানির উৎস বাড়ানো, কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন হলে রেশনিং চালু করা দরকার। দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার বিকল্প নেই।