মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশে মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়, আমদানি খরচ ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং এলএনজির দাম ৫০ শতাংশ বাড়লে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে যেতে পারে। রপ্তানি প্রায় ২ শতাংশ, আমদানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। প্রকৃত মজুরিও প্রায় ১ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই চাপ সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে তৈরি পোশাক, পরিবহন, কৃষি এবং জ্বালানি-নির্ভর শিল্পখাতে। গবেষকেরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে জ্বালানি আমদানির উৎস বাড়ানো, কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন হলে রেশনিং চালু করা দরকার। দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার বিকল্প নেই।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















