০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হলিউডের মোহ, লস অ্যাঞ্জেলেসের রোদ আর কুতুরের জাদুতে ডিওর ক্রুজ ২০২৭ মসলাদার গরুর মাংসের টাকো বাটি যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন ব্যবহারের পথ খুলল চীন, বদলাল প্রতিরক্ষা আইন বাংলাদেশের লাওয়াছড়ায় বনে ছেড়ে দেওয়া ৯ ধীরলোরির ৭টিই মারা গেল ঘরে দুই শিশুর নিথর দেহ, পাশে বাবার মরদেহ—যশোরে হৃদয়বিদারক ঘটনা নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সব এফআইআর বাতিল সুপ্রিম কোর্টের বৃদ্ধার চোখে বিজয়ের দামি চশমা, মানবিকতায় মুগ্ধ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর ভক্ত নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জলবায়ু সংকটের দায় এড়াচ্ছে পশ্চিমা গণমাধ্যম? হারাল্ডের মৃত্যুর পর নরওয়েতে রাজতন্ত্রের সমর্থন বেড়ে ৭২ শতাংশ, নতুন রাজার শপথ গোপন তহবিলের নামে জবাবদিহি এড়ানোর সুযোগ নেই

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে শত্রু করতে চান না: নোয়াব সভাপতি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে শত্রুতে পরিণত করতে চান না। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি ও মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন, কাউকে শত্রুতে পরিণত করার ইচ্ছা তার নেই। তার মতে, রাষ্ট্র বা সরকারের কোনো প্রধানের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আগে শোনা যায়নি, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

প্রেসের স্বাধীনতা ও শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনা
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াবের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পত্রিকা শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে তিনি উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছেন, যা দেশের জন্য ইতিবাচক। তিনি আরও বলেন, সরকার এই পথ ধরে এগোলে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম তার পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

 

অর্থনৈতিক চাপে গণমাধ্যম
তিনি তুলে ধরেন যে গণমাধ্যম শিল্প বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে, যা এর টিকে থাকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব বিষয় তারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

তার ভাষায়, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সব কথা শুনেছেন এবং আন্তরিকভাবে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ফলে এই খাতের সমস্যাগুলো তিনি ভালোভাবেই বোঝেন।

দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আশ্বাস
মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, নোয়াবের বেশ কিছু দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন, যদিও বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে। অতীতে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কথাও তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি জানিয়েছেন, তার সরকার সেই পথে হাঁটবে না।

নোয়াব সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী

সাংবাদিকদের হয়রানি প্রসঙ্গ
বৈঠকে সাংবাদিকদের হয়রানি, মামলা ও আটক থাকার বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো সাংবাদিক অযৌক্তিকভাবে কারাগারে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

নিয়মিত সংলাপের প্রতিশ্রুতি
মতিউর রহমান চৌধুরী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী অন্তত প্রতি তিন মাসে একবার এ ধরনের বৈঠক করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন, যা গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে সংলাপ বাড়াতে সহায়ক হবে।

বৈঠকে উপস্থিতি
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের বিদায়ী সভাপতি ও সমকাল সম্পাদক এ কে আজাদ, প্রথম আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, বণিক বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এবং ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুরসহ অন্যরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

হলিউডের মোহ, লস অ্যাঞ্জেলেসের রোদ আর কুতুরের জাদুতে ডিওর ক্রুজ ২০২৭

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে শত্রু করতে চান না: নোয়াব সভাপতি

০৭:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে শত্রুতে পরিণত করতে চান না। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি ও মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন, কাউকে শত্রুতে পরিণত করার ইচ্ছা তার নেই। তার মতে, রাষ্ট্র বা সরকারের কোনো প্রধানের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আগে শোনা যায়নি, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

প্রেসের স্বাধীনতা ও শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনা
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াবের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পত্রিকা শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে তিনি উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছেন, যা দেশের জন্য ইতিবাচক। তিনি আরও বলেন, সরকার এই পথ ধরে এগোলে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম তার পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

 

অর্থনৈতিক চাপে গণমাধ্যম
তিনি তুলে ধরেন যে গণমাধ্যম শিল্প বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে, যা এর টিকে থাকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব বিষয় তারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

তার ভাষায়, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সব কথা শুনেছেন এবং আন্তরিকভাবে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ফলে এই খাতের সমস্যাগুলো তিনি ভালোভাবেই বোঝেন।

দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আশ্বাস
মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, নোয়াবের বেশ কিছু দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন, যদিও বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে। অতীতে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কথাও তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি জানিয়েছেন, তার সরকার সেই পথে হাঁটবে না।

নোয়াব সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী

সাংবাদিকদের হয়রানি প্রসঙ্গ
বৈঠকে সাংবাদিকদের হয়রানি, মামলা ও আটক থাকার বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো সাংবাদিক অযৌক্তিকভাবে কারাগারে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

নিয়মিত সংলাপের প্রতিশ্রুতি
মতিউর রহমান চৌধুরী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী অন্তত প্রতি তিন মাসে একবার এ ধরনের বৈঠক করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন, যা গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে সংলাপ বাড়াতে সহায়ক হবে।

বৈঠকে উপস্থিতি
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের বিদায়ী সভাপতি ও সমকাল সম্পাদক এ কে আজাদ, প্রথম আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, বণিক বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এবং ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুরসহ অন্যরা।