০৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
শুধু দরিদ্রদের জন্য স্কুল নয়, দরকার সবার জন্য সমতার শিক্ষা গুগলের শান্ত অধিনায়ক সুন্দর পিচাই: এআই ঝড়ে নেতৃত্বে নতুন অধ্যায় লন্ডনের নদী বাঁচাতে ‘সুপার সিউয়ার’: শতবর্ষ পুরোনো সংকটের আধুনিক সমাধান এনবিআরের ‘হয়রানি’ অভিযোগে অটোখাতে সংকটের শঙ্কা, যুক্তিসঙ্গত শুল্ক কাঠামোর দাবি বারভিডার সাতক্ষীরার উন্নয়নে ১৬ দফা দাবি: ঢাকায় যুবকদের মানববন্ধনে জোরালো বার্তা ধানমন্ডিতে ১১ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ৬১% আমেরিকানের চোখে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে আইবিএমের ঝড়: ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কি বদলে দেবে সবকিছু? মস্তিষ্কের সংকেতেই চলবে প্রযুক্তি, পক্ষাঘাতগ্রস্তদের নতুন আশার নাম ‘সিঙ্ক্রন’ মেট গালার থিমে শরীরের ভাষা: পাঁচ নারী শিল্পীর দৃষ্টিতে নতুন শিল্পভাবনা

বারিধারায় ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, মুখে আঘাতের চিহ্নে বাড়ছে প্রশ্ন

রাজধানীর বারিধারা এলাকায় এক ভারতীয় নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে, কারণ তার মুখে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট

মৃত নারীর পরিচয় ও ঘটনাস্থল

মৃত ওই নারীর নাম শামীম সেলিম কাসিম, তার বয়স ছিল ৬৭ বছর। তিনি বারিধারায় তার ছেলের সঙ্গে বসবাস করতেন। হঠাৎ অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুলশানে ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু: শরীরে আঘাতের চিহ্ন

হাসপাতালে নেওয়ার পর কী জানা গেল

সকালে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা সনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

মুখে আঘাতের চিহ্ন, বাড়ছে রহস্য

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তার মুখে কালচে দাগ ও ফোলাভাব ছিল। চোখের আশপাশে রক্ত জমাটের মতো চিহ্নও দেখা গেছে। এসব লক্ষণ মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

পুলিশ সপ্তাহ সমাপ্ত: এ বাহিনী যথার্থই জনগণের বন্ধু হয়ে উঠুক

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা এই মৃত্যুর খবর পায়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা যায়নি। বাইরে থেকে গুরুতর আঘাতের সুস্পষ্ট প্রমাণও পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

পারিবারিক তথ্য

জানা গেছে, মৃত নারী তার ছেলের সঙ্গে বারিধারায় বসবাস করতেন। তার ছেলে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এই মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো ঘটনার ফল।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু দরিদ্রদের জন্য স্কুল নয়, দরকার সবার জন্য সমতার শিক্ষা

বারিধারায় ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, মুখে আঘাতের চিহ্নে বাড়ছে প্রশ্ন

১২:১৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর বারিধারা এলাকায় এক ভারতীয় নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে, কারণ তার মুখে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট

মৃত নারীর পরিচয় ও ঘটনাস্থল

মৃত ওই নারীর নাম শামীম সেলিম কাসিম, তার বয়স ছিল ৬৭ বছর। তিনি বারিধারায় তার ছেলের সঙ্গে বসবাস করতেন। হঠাৎ অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুলশানে ভারতীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যু: শরীরে আঘাতের চিহ্ন

হাসপাতালে নেওয়ার পর কী জানা গেল

সকালে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা সনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

মুখে আঘাতের চিহ্ন, বাড়ছে রহস্য

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তার মুখে কালচে দাগ ও ফোলাভাব ছিল। চোখের আশপাশে রক্ত জমাটের মতো চিহ্নও দেখা গেছে। এসব লক্ষণ মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

পুলিশ সপ্তাহ সমাপ্ত: এ বাহিনী যথার্থই জনগণের বন্ধু হয়ে উঠুক

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা এই মৃত্যুর খবর পায়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা যায়নি। বাইরে থেকে গুরুতর আঘাতের সুস্পষ্ট প্রমাণও পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

পারিবারিক তথ্য

জানা গেছে, মৃত নারী তার ছেলের সঙ্গে বারিধারায় বসবাস করতেন। তার ছেলে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এই মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো ঘটনার ফল।