যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ফায়ারিং স্কোয়াডের অনুমতি এবং প্রাণঘাতী ইনজেকশন ব্যবহারের পুনর্বহালের ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার বিচার বিভাগ জানায়, বাইডেন প্রশাসনের সময় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে যে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল, তার অনেকগুলো তুলে নেওয়া হবে।
বাইডেনের স্থগিতাদেশ শেষ
২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসন ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়। পরে মেয়াদের শেষ দিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪০ জনের মধ্যে ৩৭ জনের সাজা কমিয়ে দেন বাইডেন।
এর আগে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ১৭ বছর বিরতির পর ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু করেন। তার প্রথম মেয়াদের শেষ কয়েক মাসে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

৪৪ আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড চাইছে বিচার বিভাগ
ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর বিচার বিভাগ স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে এবং ৪৪ জন আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রাণঘাতী ইনজেকশন নিয়ে আগেও আইনি চ্যালেঞ্জ হয়েছে। আপত্তিকারীদের যুক্তি ছিল, এটি মার্কিন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীতে নিষিদ্ধ “নিষ্ঠুর ও অস্বাভাবিক শাস্তি”র সীমা লঙ্ঘন করতে পারে। তবে বিচার বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেন্টোবারবিটাল ব্যবহার সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
নতুন execution protocol
বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ব্যুরো অব প্রিজনসকে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের execution protocol পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই পদ্ধতিতে প্রাণঘাতী উপাদান হিসেবে পেন্টোবারবিটাল ব্যবহার করা হয়।

একই সঙ্গে ফেডারেল death row স্থানান্তর বা সম্প্রসারণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। নতুন execution facility নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফায়ারিং স্কোয়াড, প্রাণঘাতী ইনজেকশন এবং death row সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















