১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শেষ বাঁশির পর: ফুটবল যে আয়নায় আমেরিকা ও বিশ্বের ভবিষ্যৎ দেখা গেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষত ও অনশনের আর্তনাদ: আমরা কবে শুনব ক্ষুধার ভাষা? শুধু শ্রদ্ধা নয়, শহীদ সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রের প্রকৃত দায়িত্ব এখনই পালন করতে হবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফসিলে বিশেষ সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক আইএমএফের সতর্কবার্তা: প্রবৃদ্ধি ৩.৫%, মধ্যমেয়াদে ৩ শতাংশের নিচে নামার শঙ্কা বাগেরহাটে ঘরে মিলল দম্পতির মরদেহ, পাশে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার দেড় মাসের শিশু বিশ্বকাপের পরাজয়ের যন্ত্রণা নয়, অনুভূতিহীনতাই জীবনের সবচেয়ে বড় হার কালেমার পতাকা ইস্যুতে উগ্রবাদী তৎপরতার প্রমাণ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চীনের দল নেই, তবু বিশ্বকাপ জ্বরে উন্মাতাল দেশ; দর্শক, ব্র্যান্ড ও ব্যবসায় নতুন সাফল্যের গল্প বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ

হাম চিকিৎসা কেন জরুরি ঘোষণা করা হচ্ছে না

প্রতিদিন হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মারা যাচ্ছে। মৃত্যুর হার গড়ে প্রায় প্রতিদিনই একই বা কাছাকাছি সংখ্যক থাকছে। কেউ কেউ বলছেনবেশি আক্রান্ত অনেকগুলো জেলাতে এখন হামের প্রাদুর্ভাব কমে যাবার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের ফলে যদি সেটা কমে থাকে- অবশ্যই দেশের জন্য মঙ্গল। মানুষের জন্যও বড় সু-সংবাদ। কারণপ্রতিদিন শিশু মৃত্যু- এর থেকে বড় যন্ত্রণা একটি জাতির কাঁধে আর কিছু হতে পারে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব দেশকে এখান থেকে বের করে আনা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেশের মানুষ লক্ষ্য করছে সরকার বিষয়টি শুধু অতীতের ব্যর্থতার ওপর ছেড়ে দিয়ে যেন বসে আছে। অতীত সব সময়ই অতীত। তাছাড়া মনে রাখতে হবে অতীতে কিছু এনজিও করা স্বার্থান্বেষী লোক ক্ষমতায় ছিল। তাই বর্তমানে যা ঘটছে সেখানে প্রয়োজনীয় মোকাবিলা করা ও সিদ্ধান্ত নেয়া এটাই মূলত এখন সরকারের কাজ।

হামের চিকিৎসা কেন বিনামূল্যে নয়?

গত দুই মাসের মতো সময় ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকারি হিসাবে যে ৪শ এর ওপরে শিশু মারা গেছে তার অধিকাংশই কিন্তু সময় মতো সঠিক চিকিৎসা পায়নি কেন পায়নি সেই প্রশ্নের সমাধান পরে খুঁজতে হবে। এ মুহূর্তে প্রয়োজন আর যেন চিকিৎসার অবহেলা না হয়। আর সেজন্য প্রয়োজন দেশের সকল বিশেষজ্ঞ যেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিশুদের জীবন রক্ষা করে। এ কাজ করতে হলে সরকারের সকল ধরনের প্রতিহিংসা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মাইলস্টোন দুর্ঘটনার পরে যেমন দেশসেরা বার্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সামন্তলাল সেনকে সেবা দিতে দেওয়া হয়নিএক্ষেত্রে যেন তেমন না হয়। কারণবিশেষজ্ঞের কাজ অন্যকে দিয়ে হয় না। অন্যদিকে অবিলম্বে হামের চিকিৎসাকে জরুরি ঘোষণা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

আর কোনো কিছু জরুরি ঘোষণা করলে যা যা ব্যবস্থা নিতে হয় সেগুলো অবিলম্বে নিতে হবে। এ কাজে যত দেরি হবে ততই একটি না একটি শিশুর মৃত্যু ঘটবে। শিশুর জীবনকে সবার ওপরে স্থান দেয়া হোক এটাই কিন্তু এ মুহূর্তে জাতির প্রতিটি সচেতন মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও কামনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের শেষ বাঁশির পর: ফুটবল যে আয়নায় আমেরিকা ও বিশ্বের ভবিষ্যৎ দেখা গেল

হাম চিকিৎসা কেন জরুরি ঘোষণা করা হচ্ছে না

০৯:০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

প্রতিদিন হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মারা যাচ্ছে। মৃত্যুর হার গড়ে প্রায় প্রতিদিনই একই বা কাছাকাছি সংখ্যক থাকছে। কেউ কেউ বলছেনবেশি আক্রান্ত অনেকগুলো জেলাতে এখন হামের প্রাদুর্ভাব কমে যাবার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের ফলে যদি সেটা কমে থাকে- অবশ্যই দেশের জন্য মঙ্গল। মানুষের জন্যও বড় সু-সংবাদ। কারণপ্রতিদিন শিশু মৃত্যু- এর থেকে বড় যন্ত্রণা একটি জাতির কাঁধে আর কিছু হতে পারে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব দেশকে এখান থেকে বের করে আনা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেশের মানুষ লক্ষ্য করছে সরকার বিষয়টি শুধু অতীতের ব্যর্থতার ওপর ছেড়ে দিয়ে যেন বসে আছে। অতীত সব সময়ই অতীত। তাছাড়া মনে রাখতে হবে অতীতে কিছু এনজিও করা স্বার্থান্বেষী লোক ক্ষমতায় ছিল। তাই বর্তমানে যা ঘটছে সেখানে প্রয়োজনীয় মোকাবিলা করা ও সিদ্ধান্ত নেয়া এটাই মূলত এখন সরকারের কাজ।

হামের চিকিৎসা কেন বিনামূল্যে নয়?

গত দুই মাসের মতো সময় ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকারি হিসাবে যে ৪শ এর ওপরে শিশু মারা গেছে তার অধিকাংশই কিন্তু সময় মতো সঠিক চিকিৎসা পায়নি কেন পায়নি সেই প্রশ্নের সমাধান পরে খুঁজতে হবে। এ মুহূর্তে প্রয়োজন আর যেন চিকিৎসার অবহেলা না হয়। আর সেজন্য প্রয়োজন দেশের সকল বিশেষজ্ঞ যেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিশুদের জীবন রক্ষা করে। এ কাজ করতে হলে সরকারের সকল ধরনের প্রতিহিংসা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মাইলস্টোন দুর্ঘটনার পরে যেমন দেশসেরা বার্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সামন্তলাল সেনকে সেবা দিতে দেওয়া হয়নিএক্ষেত্রে যেন তেমন না হয়। কারণবিশেষজ্ঞের কাজ অন্যকে দিয়ে হয় না। অন্যদিকে অবিলম্বে হামের চিকিৎসাকে জরুরি ঘোষণা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

আর কোনো কিছু জরুরি ঘোষণা করলে যা যা ব্যবস্থা নিতে হয় সেগুলো অবিলম্বে নিতে হবে। এ কাজে যত দেরি হবে ততই একটি না একটি শিশুর মৃত্যু ঘটবে। শিশুর জীবনকে সবার ওপরে স্থান দেয়া হোক এটাই কিন্তু এ মুহূর্তে জাতির প্রতিটি সচেতন মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও কামনা।