মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মুখোমুখি অবস্থানকে কেন্দ্র করে। সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এ ঘটনাকে অঞ্চলজুড়ে চলমান উত্তেজনার আরও একটি বড় বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি
সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে মোট সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তবে প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, সাতটির মধ্যে ছয়টি সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। বাকি একটি ক্ষেপণাস্ত্রও নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারেনি।
এর ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে।

সংঘাতের পেছনের প্রেক্ষাপট
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কয়েক ঘণ্টা আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হরমুজ প্রণালীর দিকে অগ্রসর হওয়া ইরানি হামলাকারী ড্রোন প্রতিহত করার পাশাপাশি ইরানের কয়েকটি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয় বলে জানা যায়।
এর পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে, যা দুই পক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাহরাইন ঘাঁটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ দাবি অস্বীকার করা হয়েছে।
সামরিক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বাহরাইনে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট ঘাঁটিতে কোনো ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। হামলায় সেখানে অবস্থানরত কোনো সেনা সদস্যও হতাহত হননি।
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে এখন নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















