০৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ওষুধের ব্র্যান্ড নামেই প্রেসক্রিপশন, ভুলে শিশুকে খাওয়ানো হলো মৃগীর ওষুধ পেন্টাগনের গোপন নথিতে কড়াকড়ি, ইরান যুদ্ধ নিয়ে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্বেগের পর অ্যাক্সেস কমানো ময়লা ব্যবস্থাপনায় মিশর-চীন অংশীদারত্ব, কাজে লাগবে আধুনিক প্রযুক্তি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত দুই ফিলিস্তিনি কিশোর ভারতের ‘সারাং’ হেলিকপ্টার দলের অভিষেক, মিসরের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৩ পূর্বাঞ্চলীয় তেল শোধনাগার সম্প্রসারণে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, আগস্টেই আক্রান্ত ১২০২ হিমালয়ের হিমবাহে দূষণের কালো আস্তরণ, বাড়ছে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রাশিয়ার কারাগার থেকে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে তিউনিসীয় তরুণরা, নিয়োগের নেপথ্যে কী?

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা, ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়’ বেইজিং

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষাই এর মূল উদ্দেশ্য।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথেই অটল রয়েছে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

প্রশান্ত মহাসাগর নিয়ে নতুন বিতর্ক

সম্প্রতি একটি তথাকথিত অভ্যন্তরীণ নথির উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। ওই নথিতে দাবি করা হয়, বেইজিং নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও নৌবাহিনীর তৎপরতা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিয়মিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হতে পারে।

এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, আলোচিত ওই তথাকথিত নথি সম্পর্কে তার কোনো তথ্য জানা নেই। একই সঙ্গে তিনি এ ধরনের দাবি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

শান্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক শক্তির বিকাশকে বৈশ্বিক শান্তির জন্য ইতিবাচক শক্তি হিসেবে দেখা উচিত। বেইজিংয়ের মতে, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুধু দেশের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করে না, বরং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও সহায়তা করে।

চীনা কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, তাদের প্রতিরক্ষা নীতি মূলত আত্মরক্ষামূলক এবং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে পরিচালিত নয়। সামরিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে তারা নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে।

File:Flag-map of the People's Republic of China.svg - Wikimedia Commons

আঞ্চলিক পর্যবেক্ষণ বাড়ছে

বিশ্ব রাজনীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের সামরিক কার্যক্রমও বিভিন্ন দেশের নজরে এসেছে। তবে বেইজিং বারবার দাবি করছে, তাদের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও নিজস্ব নিরাপত্তা চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে চীনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বার্তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বেইজিং বলছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার অংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওষুধের ব্র্যান্ড নামেই প্রেসক্রিপশন, ভুলে শিশুকে খাওয়ানো হলো মৃগীর ওষুধ

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা, ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়’ বেইজিং

০৭:৪৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষাই এর মূল উদ্দেশ্য।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথেই অটল রয়েছে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

প্রশান্ত মহাসাগর নিয়ে নতুন বিতর্ক

সম্প্রতি একটি তথাকথিত অভ্যন্তরীণ নথির উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। ওই নথিতে দাবি করা হয়, বেইজিং নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও নৌবাহিনীর তৎপরতা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিয়মিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হতে পারে।

এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, আলোচিত ওই তথাকথিত নথি সম্পর্কে তার কোনো তথ্য জানা নেই। একই সঙ্গে তিনি এ ধরনের দাবি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

শান্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক শক্তির বিকাশকে বৈশ্বিক শান্তির জন্য ইতিবাচক শক্তি হিসেবে দেখা উচিত। বেইজিংয়ের মতে, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুধু দেশের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করে না, বরং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও সহায়তা করে।

চীনা কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, তাদের প্রতিরক্ষা নীতি মূলত আত্মরক্ষামূলক এবং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে পরিচালিত নয়। সামরিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে তারা নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে।

File:Flag-map of the People's Republic of China.svg - Wikimedia Commons

আঞ্চলিক পর্যবেক্ষণ বাড়ছে

বিশ্ব রাজনীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের সামরিক কার্যক্রমও বিভিন্ন দেশের নজরে এসেছে। তবে বেইজিং বারবার দাবি করছে, তাদের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও নিজস্ব নিরাপত্তা চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে চীনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বার্তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বেইজিং বলছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার অংশ।