পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত বড়ইপাড়া গ্রামে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে এক নারী স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মরদেহটি উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
নিহত শিক্ষিকার নাম গীতা রানী (৪৫)। তিনি চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। তিনি একই গ্রামের বাসিন্দা নন্দ দাসের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গীতা রানী বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে খুঁজে না পেয়ে স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল প্রায় ১১টার দিকে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে তাঁর মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহ উদ্ধার ও তদন্ত
আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, কীভাবে এই মৃত্যু হয়েছে বা এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা হবে।
পাবনায় সেপটিক ট্যাংক থেকে স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর মিলবে আরও তথ্য।
#পাবনা #আটঘরিয়া #স্কুলশিক্ষিকা #মরদেহউদ্ধার #সেপটিকট্যাংক #অপরাধ #বাংলাদেশ #পুলিশ #তদন্ত #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















