১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হলিউডের মোহ, লস অ্যাঞ্জেলেসের রোদ আর কুতুরের জাদুতে ডিওর ক্রুজ ২০২৭ মসলাদার গরুর মাংসের টাকো বাটি যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন ব্যবহারের পথ খুলল চীন, বদলাল প্রতিরক্ষা আইন বাংলাদেশের লাওয়াছড়ায় বনে ছেড়ে দেওয়া ৯ ধীরলোরির ৭টিই মারা গেল ঘরে দুই শিশুর নিথর দেহ, পাশে বাবার মরদেহ—যশোরে হৃদয়বিদারক ঘটনা নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সব এফআইআর বাতিল সুপ্রিম কোর্টের বৃদ্ধার চোখে বিজয়ের দামি চশমা, মানবিকতায় মুগ্ধ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর ভক্ত নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জলবায়ু সংকটের দায় এড়াচ্ছে পশ্চিমা গণমাধ্যম? হারাল্ডের মৃত্যুর পর নরওয়েতে রাজতন্ত্রের সমর্থন বেড়ে ৭২ শতাংশ, নতুন রাজার শপথ গোপন তহবিলের নামে জবাবদিহি এড়ানোর সুযোগ নেই

২ কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভারে ট্যাক্স ছাড়, স্বস্তি ছোট ব্যবসায়ীদের

বার্ষিক টার্নওভার ২ কোটি টাকা পর্যন্ত এমন ব্যবসা ও কোম্পানিকে টার্নওভার ট্যাক্স থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ছোট ব্যবসার ওপর করের চাপ কমাতে মঙ্গলবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে টার্নওভার ট্যাক্সের কাঠামোতে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন কাঠামোয় ২ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভার রয়েছে—এমন ব্যবসা ও কোম্পানিকে তাদের মোট বার্ষিক টার্নওভারের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে। আর ৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার হলে আগের মতো ন্যূনতম ১ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে।

ছোট ব্যবসায় করের চাপ কমবে

এনবিআরের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ছোট ব্যবসাগুলোর করের বোঝা কমানো এবং তাদের আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারে কর অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সাধারণ শ্রেণির অধিকাংশ ব্যবসা ও কোম্পানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই কাঠামোয় আংশিক পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে বিশেষ করে ছোট ব্যবসাগুলো সরাসরি সুবিধা পাবে।

ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি

ন্যূনতম টার্নওভার ট্যাক্স নিয়ে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের আপত্তি রয়েছে। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, লাভের পরিমাণ কম হলেও টার্নওভারের ভিত্তিতে কর দিতে হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের কার্যকর করের বোঝা বেড়ে যায়। এমনকি কোনো ব্যবসা লোকসানে থাকলেও নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ব্যবসা ও কোম্পানির ওপর আরোপিত ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার ট্যাক্স ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিও একই ধরনের দাবি জানায়।

শিল্প ও বিশেষ খাতে ভিন্ন হার

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য অবশ্য ইতোমধ্যেই কিছু ছাড় রয়েছে। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর তারা ১ শতাংশের পরিবর্তে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে পারে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট কয়েকটি খাতে আলাদা হারে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য। সিগারেট, বিড়ি ও তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩ শতাংশ হারে এবং কার্বনেটেড পানীয় ও মিষ্টি উৎপাদনকারীদের ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হয়। মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে এ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

এনবিআরের সর্বশেষ পরিবর্তনটি মূলত সাধারণ শ্রেণির সেই ব্যবসা ও কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য, যেগুলো আগে ১ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্সের আওতায় ছিল।

ছোট ব্যবসার টার্নওভার ট্যাক্সে নতুন স্বস্তি; ২ কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভারে আর দিতে হবে না টার্নওভার ট্যাক্স। নতুন কাঠামোয় ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের জন্যও কমেছে করের হার।

জনপ্রিয় সংবাদ

হলিউডের মোহ, লস অ্যাঞ্জেলেসের রোদ আর কুতুরের জাদুতে ডিওর ক্রুজ ২০২৭

২ কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভারে ট্যাক্স ছাড়, স্বস্তি ছোট ব্যবসায়ীদের

০৯:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বার্ষিক টার্নওভার ২ কোটি টাকা পর্যন্ত এমন ব্যবসা ও কোম্পানিকে টার্নওভার ট্যাক্স থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ছোট ব্যবসার ওপর করের চাপ কমাতে মঙ্গলবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে টার্নওভার ট্যাক্সের কাঠামোতে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন কাঠামোয় ২ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভার রয়েছে—এমন ব্যবসা ও কোম্পানিকে তাদের মোট বার্ষিক টার্নওভারের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে। আর ৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার হলে আগের মতো ন্যূনতম ১ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে।

ছোট ব্যবসায় করের চাপ কমবে

এনবিআরের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ছোট ব্যবসাগুলোর করের বোঝা কমানো এবং তাদের আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারে কর অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সাধারণ শ্রেণির অধিকাংশ ব্যবসা ও কোম্পানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই কাঠামোয় আংশিক পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে বিশেষ করে ছোট ব্যবসাগুলো সরাসরি সুবিধা পাবে।

ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি

ন্যূনতম টার্নওভার ট্যাক্স নিয়ে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের আপত্তি রয়েছে। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, লাভের পরিমাণ কম হলেও টার্নওভারের ভিত্তিতে কর দিতে হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের কার্যকর করের বোঝা বেড়ে যায়। এমনকি কোনো ব্যবসা লোকসানে থাকলেও নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ব্যবসা ও কোম্পানির ওপর আরোপিত ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার ট্যাক্স ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিও একই ধরনের দাবি জানায়।

শিল্প ও বিশেষ খাতে ভিন্ন হার

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য অবশ্য ইতোমধ্যেই কিছু ছাড় রয়েছে। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর তারা ১ শতাংশের পরিবর্তে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে পারে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট কয়েকটি খাতে আলাদা হারে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য। সিগারেট, বিড়ি ও তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩ শতাংশ হারে এবং কার্বনেটেড পানীয় ও মিষ্টি উৎপাদনকারীদের ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হয়। মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে এ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

এনবিআরের সর্বশেষ পরিবর্তনটি মূলত সাধারণ শ্রেণির সেই ব্যবসা ও কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য, যেগুলো আগে ১ শতাংশ হারে টার্নওভার ট্যাক্সের আওতায় ছিল।

ছোট ব্যবসার টার্নওভার ট্যাক্সে নতুন স্বস্তি; ২ কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভারে আর দিতে হবে না টার্নওভার ট্যাক্স। নতুন কাঠামোয় ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের জন্যও কমেছে করের হার।