০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
রাজধানীর উত্তরায় সাততলা ভবনে আগুন: একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত বেড়ে ৬ ভাষার বাইরে ভালোবাসার মানে খোঁজে নতুন কোরিয়ান প্রেমকাহিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে বাজি এখন শক্তি, বিকৃতি আর ঝুঁকির নাম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৫) এশীয় বাজারে এলএনজি দরে বড় পতন, যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড রপ্তানি ও চীনের আমদানি কৌশলে চাপ গ্রিনল্যান্ডে সেনা বাড়াচ্ছে ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যেই কৌশলগত প্রস্তুতি গ্রিনল্যান্ড কেন ওয়াশিংটনের লক্ষ্য, আর কেন ইউরোপ এখন অসহায় প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫২) আবুধাবিতে স্থলভাগে তেল আবিষ্কার, ভারতের জ্বালানি কূটনীতিতে নতুন মাইলফলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মলিয়েরের হাস্যরস? প্যারিসে মঞ্চে নতুন নাটকের চমক

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রতিষ্ঠার ৫৩তম বছর পূর্তি উদযাপন

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 97
সারাক্ষণ ডেস্ক
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪) বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ৫৩তম বছর পূর্তি উদযাপন করে। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জন্ম নেয়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এই দিনটিকে ‘বিমান বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। ১৯৭১ সালে দেশের আপামর জনতার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান বাহিনীর অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পক্ষ ত্যাগ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকার, বীর উত্তম, পিএসএ (অবঃ) মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চীফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন। সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিমান বাহিনীর সাহসী সদস্যগণ সেক্টর কমান্ডারের মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এছাড়াও, এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ, বীর উত্তম, এসিএসসি, (অবঃ) কিলো ফ্লাইটের অধিনায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন।
রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে যুদ্ধের গতি-প্রকৃতিকে সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য একটি স্বতন্ত্র বিমান বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়।
আর এ লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর একটি অটার বিমান, একটি ড্যাকোটা বিমান ও একটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টার এবং বাঙালি বৈমানিক, কারিগরি পেশার বিমানসেনা ও বেসামরিক বৈমানিকসহ ৫৭ জন সদস্য নিয়ে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে ‘কিলো ফ্লাইট’ নামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী যাত্রা শুরু করে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে ৫০টিরও অধিক বিমান অভিযান সাফল্যের সাথে পরিচালনার মাধ্যমে ‘কিলো ফ্লাইট’ মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
এই দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর সকল ঘাঁটি, ইউনিট ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্টসমূহে (BANAIR) দোয়া ও মোনাজাত এবং বিভিন্ন মেসসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর উত্তরায় সাততলা ভবনে আগুন: একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত বেড়ে ৬

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রতিষ্ঠার ৫৩তম বছর পূর্তি উদযাপন

০৫:৫২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সারাক্ষণ ডেস্ক
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪) বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ৫৩তম বছর পূর্তি উদযাপন করে। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জন্ম নেয়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এই দিনটিকে ‘বিমান বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। ১৯৭১ সালে দেশের আপামর জনতার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান বাহিনীর অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পক্ষ ত্যাগ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকার, বীর উত্তম, পিএসএ (অবঃ) মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চীফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন। সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিমান বাহিনীর সাহসী সদস্যগণ সেক্টর কমান্ডারের মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এছাড়াও, এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ, বীর উত্তম, এসিএসসি, (অবঃ) কিলো ফ্লাইটের অধিনায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন।
রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে যুদ্ধের গতি-প্রকৃতিকে সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য একটি স্বতন্ত্র বিমান বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়।
আর এ লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর একটি অটার বিমান, একটি ড্যাকোটা বিমান ও একটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টার এবং বাঙালি বৈমানিক, কারিগরি পেশার বিমানসেনা ও বেসামরিক বৈমানিকসহ ৫৭ জন সদস্য নিয়ে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে ‘কিলো ফ্লাইট’ নামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী যাত্রা শুরু করে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে ৫০টিরও অধিক বিমান অভিযান সাফল্যের সাথে পরিচালনার মাধ্যমে ‘কিলো ফ্লাইট’ মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
এই দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর সকল ঘাঁটি, ইউনিট ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্টসমূহে (BANAIR) দোয়া ও মোনাজাত এবং বিভিন্ন মেসসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।