০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার পুনর্মূল্যায়ন: কিভাবে টোকিও আরও বিপজ্জনক বিশ্বের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে ইইউ ঋণ আটকে দিল হাঙ্গেরি, তেল সংকটে ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনা চরমে চীনের ভঙ্গুর ভবিষ্যত: সিপিপি কতটা নিরাপদ? ইউক্রেনকে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করল স্লোভাকিয়া, তেল পাইপলাইন ঘিরে উত্তেজনা আমির হামজার বিরুদ্ধে মোরাল পুলিশিংয়ের অভিযোগ, কী বলছেন কুষ্টিয়ার এই সংসদ সদস্য? চীনা পর্যটক টোকিও ছেড়ে সিউলে ছুটছেন: কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পানামা খালে হংকং কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ শেষ, দুই বন্দরের দায়িত্ব সরকারের হাতে ফ্রান্সে ডানপন্থী বিক্ষোভে উত্তেজনা, ছাত্র ন্যাশনালিস্টের মৃত্যুতে সাড়া ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত, ট্রাম্পের শুল্ক রদে প্রভাব হংকং’য়ে নতুন একাডেমি ও পেটেন্ট মূল্যায়ন সহায়তার মাধ্যমে আইপি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা হবে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 60

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় সমাজের মেরুদণ্ডস্বরূপ এক ধরণের সাহিত্য পরবর্তী কালে গড়ে উঠেছিল। এগুলি স্মৃতি নামেই অধিক পরিচিত। কেউ কেউ অবশ্য এই স্মৃতি সাহিত্যকে ধর্ম সংহিতা নামেও উল্লেখ করেছিল। স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা মোটামুটি কুড়িটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে- (১) মনুসংহিতা, (২) অত্রি সংহিতা, (৩) বিষ্ণু সংহিতা, (৪) হারীত সংহিতা, (৫) যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা, (৬) উশনঃ সংহিতা, (৭) অঙ্গিরঃ সংহিতা, (৮) যম সংহিতা, (৯) আপস্তম্ব সংহিতা, (১০) সংবর্ত সংহিতা, (১১) কাত্যায়ন সংহিতা, (১২) বৃহস্পতি সংহিতা (১৩) পরাশর সংহিতা, (১৪) ব্যাস সংহিতা, (১৫) শঙ্খ সংহিতা, (১৬) লিখিত সংহিতা, (১৭) দক্ষ সংহিতা, (১৮) গৌতম সংহিতা, (১৯) শাতাতপ সংহিতা (২০). বশিষ্ঠ সংহিতা।

আবার অনেকে কশ্যপ সংহিতা, গর্গ সংহিতা, ও প্রচেতা সংহিতা প্রভৃতির নামও স্মৃতি বা ধর্মসংহিতার সঙ্গে যুক্ত করেন।

স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা রচিত হবার পরই পুরাণ নামে এক ধরণের ইতিহাসাশ্রিত সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। পুরাণ প্রধানতঃ দুই প্রকার-যথা (১) মহাপুরাণ ও (২) উপপুরাণ। মহাপুরাণ মোটামুটি আঠারোটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে যথা ব্রহ্মপুরাণ, (২) পদ্মপুরাণ (৩) বিষ্ণুপুরাণ, (৪) শিবপুরাণ, (৫) লিঙ্গ পুরাণ, (৬) গরুড়ু পুরাণ, (৭) নারদীয় পুরাণ, (৮) মৎসপুরাণ, (৯) ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, (১০) মার্কণ্ডেয় পুরাণ, (১১)

শ্রীমদ্ভাগবত, (১২) অগ্নি পুরাণ, (১৩) স্কন্দপুরাণ, (১৪) ভবিষ্য পুরাণ, (১৫) বামন পুরাণ, (১৬) বরাহ পুরাণ, (১৭) কৃৰ্ম্মপুরাণ, (১৮) ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ।

উপপুরাণ আবার আঠারোখানি। এগুলি হচ্ছে- (১) সনৎকুমারোক্ত আদ্য,(২) নারসিংহ, (৩) কুমারোক্ত স্কন্দ, (৪) নান্দীশভাষিত শিবধর্ম, (৫) দুর্ব্বাসা,(৬) নারদীয়, (৭) কাপিল, (৮) বামন, (৯) উশনা, (১০) ব্রহ্মাণ্ড, (১১) বারুণ, (১২) কালিকা, (১৩) মাহেশ্বর, (১৪) শাম্ব, (১৫) সৌর, (১৬) পরাশর, (১৭) মারীচ, (১৮) ভার্গব। এছাড়াও অনেকে বায়বীয়, নান্দিকেশ্বর, পাদ্ম, দেবী ও ভাস্কর নামে আরও পাঁচটি উপপুরাণের নাম উল্লেখ করে থাকেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার পুনর্মূল্যায়ন: কিভাবে টোকিও আরও বিপজ্জনক বিশ্বের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৮)

১০:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় সমাজের মেরুদণ্ডস্বরূপ এক ধরণের সাহিত্য পরবর্তী কালে গড়ে উঠেছিল। এগুলি স্মৃতি নামেই অধিক পরিচিত। কেউ কেউ অবশ্য এই স্মৃতি সাহিত্যকে ধর্ম সংহিতা নামেও উল্লেখ করেছিল। স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা মোটামুটি কুড়িটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে- (১) মনুসংহিতা, (২) অত্রি সংহিতা, (৩) বিষ্ণু সংহিতা, (৪) হারীত সংহিতা, (৫) যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা, (৬) উশনঃ সংহিতা, (৭) অঙ্গিরঃ সংহিতা, (৮) যম সংহিতা, (৯) আপস্তম্ব সংহিতা, (১০) সংবর্ত সংহিতা, (১১) কাত্যায়ন সংহিতা, (১২) বৃহস্পতি সংহিতা (১৩) পরাশর সংহিতা, (১৪) ব্যাস সংহিতা, (১৫) শঙ্খ সংহিতা, (১৬) লিখিত সংহিতা, (১৭) দক্ষ সংহিতা, (১৮) গৌতম সংহিতা, (১৯) শাতাতপ সংহিতা (২০). বশিষ্ঠ সংহিতা।

আবার অনেকে কশ্যপ সংহিতা, গর্গ সংহিতা, ও প্রচেতা সংহিতা প্রভৃতির নামও স্মৃতি বা ধর্মসংহিতার সঙ্গে যুক্ত করেন।

স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা রচিত হবার পরই পুরাণ নামে এক ধরণের ইতিহাসাশ্রিত সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। পুরাণ প্রধানতঃ দুই প্রকার-যথা (১) মহাপুরাণ ও (২) উপপুরাণ। মহাপুরাণ মোটামুটি আঠারোটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে যথা ব্রহ্মপুরাণ, (২) পদ্মপুরাণ (৩) বিষ্ণুপুরাণ, (৪) শিবপুরাণ, (৫) লিঙ্গ পুরাণ, (৬) গরুড়ু পুরাণ, (৭) নারদীয় পুরাণ, (৮) মৎসপুরাণ, (৯) ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, (১০) মার্কণ্ডেয় পুরাণ, (১১)

শ্রীমদ্ভাগবত, (১২) অগ্নি পুরাণ, (১৩) স্কন্দপুরাণ, (১৪) ভবিষ্য পুরাণ, (১৫) বামন পুরাণ, (১৬) বরাহ পুরাণ, (১৭) কৃৰ্ম্মপুরাণ, (১৮) ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ।

উপপুরাণ আবার আঠারোখানি। এগুলি হচ্ছে- (১) সনৎকুমারোক্ত আদ্য,(২) নারসিংহ, (৩) কুমারোক্ত স্কন্দ, (৪) নান্দীশভাষিত শিবধর্ম, (৫) দুর্ব্বাসা,(৬) নারদীয়, (৭) কাপিল, (৮) বামন, (৯) উশনা, (১০) ব্রহ্মাণ্ড, (১১) বারুণ, (১২) কালিকা, (১৩) মাহেশ্বর, (১৪) শাম্ব, (১৫) সৌর, (১৬) পরাশর, (১৭) মারীচ, (১৮) ভার্গব। এছাড়াও অনেকে বায়বীয়, নান্দিকেশ্বর, পাদ্ম, দেবী ও ভাস্কর নামে আরও পাঁচটি উপপুরাণের নাম উল্লেখ করে থাকেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)