১১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
চীনা সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে মার্কিন গবেষকদের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের ক্ষোভ মার্কিন এআই সরবরাহব্যবস্থা সুরক্ষার উদ্যোগ ব্যর্থ হবে: চীনা শিক্ষাবিদ চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ভরসা বাড়ছে আফ্রিকার ব্যবসায়, পাশে রাখছে পশ্চিমাকেও চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফ খুঁজতে চীনের চাং’এ-৭ অভিযান স্থগিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের স্বীকৃতির অপেক্ষায় থাকবেন না, ভালো বাবা-মা হওয়ার প্রমাণ দিতে গিয়ে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে কর্মজীবী বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়ালে লাভবান হয় প্রতিষ্ঠানও দুই পক্ষের আকাশযুদ্ধে ব্যবহৃত রুশ যুদ্ধবিমান সু-২৭-এর বিস্ময়কর কাহিনি উচ্চ আদালতে শুল্ক মামলার আগে স্বাধীন যাচাই চালু করল এফবিআর বিশ্ববাজারের মূল্যঝুঁকিতে পাকিস্তানের খাদ্যনিরাপত্তা তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধে গভীর সংকটে আফগান নারীরা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 101

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় সমাজের মেরুদণ্ডস্বরূপ এক ধরণের সাহিত্য পরবর্তী কালে গড়ে উঠেছিল। এগুলি স্মৃতি নামেই অধিক পরিচিত। কেউ কেউ অবশ্য এই স্মৃতি সাহিত্যকে ধর্ম সংহিতা নামেও উল্লেখ করেছিল। স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা মোটামুটি কুড়িটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে- (১) মনুসংহিতা, (২) অত্রি সংহিতা, (৩) বিষ্ণু সংহিতা, (৪) হারীত সংহিতা, (৫) যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা, (৬) উশনঃ সংহিতা, (৭) অঙ্গিরঃ সংহিতা, (৮) যম সংহিতা, (৯) আপস্তম্ব সংহিতা, (১০) সংবর্ত সংহিতা, (১১) কাত্যায়ন সংহিতা, (১২) বৃহস্পতি সংহিতা (১৩) পরাশর সংহিতা, (১৪) ব্যাস সংহিতা, (১৫) শঙ্খ সংহিতা, (১৬) লিখিত সংহিতা, (১৭) দক্ষ সংহিতা, (১৮) গৌতম সংহিতা, (১৯) শাতাতপ সংহিতা (২০). বশিষ্ঠ সংহিতা।

আবার অনেকে কশ্যপ সংহিতা, গর্গ সংহিতা, ও প্রচেতা সংহিতা প্রভৃতির নামও স্মৃতি বা ধর্মসংহিতার সঙ্গে যুক্ত করেন।

স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা রচিত হবার পরই পুরাণ নামে এক ধরণের ইতিহাসাশ্রিত সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। পুরাণ প্রধানতঃ দুই প্রকার-যথা (১) মহাপুরাণ ও (২) উপপুরাণ। মহাপুরাণ মোটামুটি আঠারোটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে যথা ব্রহ্মপুরাণ, (২) পদ্মপুরাণ (৩) বিষ্ণুপুরাণ, (৪) শিবপুরাণ, (৫) লিঙ্গ পুরাণ, (৬) গরুড়ু পুরাণ, (৭) নারদীয় পুরাণ, (৮) মৎসপুরাণ, (৯) ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, (১০) মার্কণ্ডেয় পুরাণ, (১১)

শ্রীমদ্ভাগবত, (১২) অগ্নি পুরাণ, (১৩) স্কন্দপুরাণ, (১৪) ভবিষ্য পুরাণ, (১৫) বামন পুরাণ, (১৬) বরাহ পুরাণ, (১৭) কৃৰ্ম্মপুরাণ, (১৮) ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ।

উপপুরাণ আবার আঠারোখানি। এগুলি হচ্ছে- (১) সনৎকুমারোক্ত আদ্য,(২) নারসিংহ, (৩) কুমারোক্ত স্কন্দ, (৪) নান্দীশভাষিত শিবধর্ম, (৫) দুর্ব্বাসা,(৬) নারদীয়, (৭) কাপিল, (৮) বামন, (৯) উশনা, (১০) ব্রহ্মাণ্ড, (১১) বারুণ, (১২) কালিকা, (১৩) মাহেশ্বর, (১৪) শাম্ব, (১৫) সৌর, (১৬) পরাশর, (১৭) মারীচ, (১৮) ভার্গব। এছাড়াও অনেকে বায়বীয়, নান্দিকেশ্বর, পাদ্ম, দেবী ও ভাস্কর নামে আরও পাঁচটি উপপুরাণের নাম উল্লেখ করে থাকেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে মার্কিন গবেষকদের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের ক্ষোভ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৮)

১০:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় সমাজের মেরুদণ্ডস্বরূপ এক ধরণের সাহিত্য পরবর্তী কালে গড়ে উঠেছিল। এগুলি স্মৃতি নামেই অধিক পরিচিত। কেউ কেউ অবশ্য এই স্মৃতি সাহিত্যকে ধর্ম সংহিতা নামেও উল্লেখ করেছিল। স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা মোটামুটি কুড়িটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে- (১) মনুসংহিতা, (২) অত্রি সংহিতা, (৩) বিষ্ণু সংহিতা, (৪) হারীত সংহিতা, (৫) যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা, (৬) উশনঃ সংহিতা, (৭) অঙ্গিরঃ সংহিতা, (৮) যম সংহিতা, (৯) আপস্তম্ব সংহিতা, (১০) সংবর্ত সংহিতা, (১১) কাত্যায়ন সংহিতা, (১২) বৃহস্পতি সংহিতা (১৩) পরাশর সংহিতা, (১৪) ব্যাস সংহিতা, (১৫) শঙ্খ সংহিতা, (১৬) লিখিত সংহিতা, (১৭) দক্ষ সংহিতা, (১৮) গৌতম সংহিতা, (১৯) শাতাতপ সংহিতা (২০). বশিষ্ঠ সংহিতা।

আবার অনেকে কশ্যপ সংহিতা, গর্গ সংহিতা, ও প্রচেতা সংহিতা প্রভৃতির নামও স্মৃতি বা ধর্মসংহিতার সঙ্গে যুক্ত করেন।

স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা রচিত হবার পরই পুরাণ নামে এক ধরণের ইতিহাসাশ্রিত সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। পুরাণ প্রধানতঃ দুই প্রকার-যথা (১) মহাপুরাণ ও (২) উপপুরাণ। মহাপুরাণ মোটামুটি আঠারোটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে যথা ব্রহ্মপুরাণ, (২) পদ্মপুরাণ (৩) বিষ্ণুপুরাণ, (৪) শিবপুরাণ, (৫) লিঙ্গ পুরাণ, (৬) গরুড়ু পুরাণ, (৭) নারদীয় পুরাণ, (৮) মৎসপুরাণ, (৯) ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, (১০) মার্কণ্ডেয় পুরাণ, (১১)

শ্রীমদ্ভাগবত, (১২) অগ্নি পুরাণ, (১৩) স্কন্দপুরাণ, (১৪) ভবিষ্য পুরাণ, (১৫) বামন পুরাণ, (১৬) বরাহ পুরাণ, (১৭) কৃৰ্ম্মপুরাণ, (১৮) ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ।

উপপুরাণ আবার আঠারোখানি। এগুলি হচ্ছে- (১) সনৎকুমারোক্ত আদ্য,(২) নারসিংহ, (৩) কুমারোক্ত স্কন্দ, (৪) নান্দীশভাষিত শিবধর্ম, (৫) দুর্ব্বাসা,(৬) নারদীয়, (৭) কাপিল, (৮) বামন, (৯) উশনা, (১০) ব্রহ্মাণ্ড, (১১) বারুণ, (১২) কালিকা, (১৩) মাহেশ্বর, (১৪) শাম্ব, (১৫) সৌর, (১৬) পরাশর, (১৭) মারীচ, (১৮) ভার্গব। এছাড়াও অনেকে বায়বীয়, নান্দিকেশ্বর, পাদ্ম, দেবী ও ভাস্কর নামে আরও পাঁচটি উপপুরাণের নাম উল্লেখ করে থাকেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)