০১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা, আগুন ও সাময়িকভাবে বন্ধ কিছু কার্যক্রম জলবায়ু ঝুঁকির প্রমাণ আছে, এবার নেপালের দরকার কার্যকর পদক্ষেপ জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্টে উগ্র ডানপন্থীদের বড় জয়, চাপে মূলধারার রাজনীতি নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলনের এক বছর, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না: কার্কি ‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান

কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে চাই

  • Sarakhon Report
  • ০৯:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 87

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “আওয়ামী লীগ আমলে পাচার ২৮ লাখ কোটি টাকা”

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলারের দাম ১২০ টাকা) এর পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি টাকা। এই হিসাবে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আর্থিক খাতের রাঘববোয়াল (ক্রীড়নক), আমলা ও মধ্যস্বত্বভোগীরা এই পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন।

গতকাল রোববার অর্থনীতি নিয়ে তৈরি শ্বেতপত্র প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। ওই প্রতিবেদনে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের টাকা পাচারের আনুমানিক এই চিত্র তুলে ধরা হয়। গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি রিপোর্টস (জিএফআইআরএস) এবং কিছু নির্দিষ্ট পূর্বানুমানের ভিত্তিতে টাকা পাচারের হিসাব করেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি।

শ্বেতপত্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে অর্থ পাচার বাংলাদেশে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকা পাচারের বিষয়টিকে অর্থনীতিতে ক্ষতিকর ‘টিউমার’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে এই প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, বিগত সরকারের আমলে অর্থনীতি ও সম্পদের বড় অংশ এই ক্ষতিকর টিউমার চুষে নেয়।

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি মনে করে, প্রতিবছর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৪ শতাংশের পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ও প্রবাস আয় থেকে যত অর্থ এসেছে, এর এক-পঞ্চমাংশ পরিমাণ অর্থ এক বছরে পাচার হয়। বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ হিসেবে যত অর্থ আসে, এর দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ পাচার হয়।

 

দৈনিক ইত্তেফাকের একটি শিরোনাম “ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সুখবর দিলো মেক্সিকো”

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেক্সিকো ভ্রমণের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। ভিসা আবেদনের সুবিধা বাড়িয়েছে মেক্সিকো সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের যে কোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বের অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেক্সিকো ভ্রমণের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। ভিসা আবেদনের সুবিধা বাড়িয়েছে মেক্সিকো সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের যে কোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বের অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসার আবেদনের জন্য দিল্লিতে মেক্সিকান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হতো।

মেক্সিকান অভিবাসন বিধিমালা সব দেশের দর্শনার্থীদের মেক্সিকান ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিন পর্যন্ত প্রবেশের অনুমতি দেয়, তবে শর্ত থাকে যে তাদের কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের বা শেনজেন অঞ্চলের যে কোনও দেশের বৈধ পাসপোর্ট এবং বৈধ ভিসা থাকতে হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই সুবিধা বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বৃহত্তর যোগাযোগ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে চাই”

দেশের ক্রান্তিকালে সেনাবাহিনী পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে গতকাল বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের সংবর্ধনা এবং সেনাবাহিনীর শান্তিকালীন পদক অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, ‘সামনে কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় আমরা নিয়ে যেতে চাই।’

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, ‘দেশ ও জাতি গঠনের বিভিন্ন কাজে আমরা নিয়োজিত আছি। ইউএন মিশনে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণেও কাজ করছি এবং আমরা পারদর্শিতা অর্জন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘সামনে একটু কঠিন সময় পার করতে হবে। আমরা যেন দেশ ও জাতিকে একটা ভালো জায়গায় এবং নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে পারি, সে জন্য আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে ইনশা আল্লাহ দেশের ক্রান্তিলগ্ন থেকে দেশকে উদ্ধার করতে সক্ষম হব। একটা শান্তি-সুশৃঙ্খল ভবিষ্যতের দিকে যেতে সক্ষম হব।’

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন। এছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শান্তিকালে বিভিন্ন বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন সেনাবাহিনী পদক (এসবিপি), পাঁচজন অসামান্য সেবা পদক (ওএসপি) ও ১৮ জন বিশিষ্ট সেবা পদক (বিএসপি) প্রাপ্ত সর্বমোট ২৮ জন সেনাসদস্যকে পদক পরিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাথা এবং শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের কর্মকাণ্ডের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

 

মানবজমিনের একটি শিরোনাম “যে কারণে সাজার রায় বাতিল”

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে এই রায় দেন। আদালত আসামিদের আপিল গ্রহণ করে রুল যথাযথ ঘোষণা করেন এবং ডেথ রেফারেন্স বাতিল করে মোট ৪৯ জনকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার, রাসেল আহমেদ এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লাবনী আক্তার। বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টুসহ দণ্ডিত বেশ কয়েকজনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রায়ের পর্যবেক্ষণে উচ্চ আদালত বলেছেন, শোনা সাক্ষীর ভিত্তিতে বিচারিক আদালত রায় দিয়েছিল।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় রায়কে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা সব মামলা ছিল ষড়যন্ত্রমূলক।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা, আগুন ও সাময়িকভাবে বন্ধ কিছু কার্যক্রম

কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে চাই

০৯:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “আওয়ামী লীগ আমলে পাচার ২৮ লাখ কোটি টাকা”

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলারের দাম ১২০ টাকা) এর পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি টাকা। এই হিসাবে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আর্থিক খাতের রাঘববোয়াল (ক্রীড়নক), আমলা ও মধ্যস্বত্বভোগীরা এই পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন।

গতকাল রোববার অর্থনীতি নিয়ে তৈরি শ্বেতপত্র প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। ওই প্রতিবেদনে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের টাকা পাচারের আনুমানিক এই চিত্র তুলে ধরা হয়। গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি রিপোর্টস (জিএফআইআরএস) এবং কিছু নির্দিষ্ট পূর্বানুমানের ভিত্তিতে টাকা পাচারের হিসাব করেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি।

শ্বেতপত্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে অর্থ পাচার বাংলাদেশে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকা পাচারের বিষয়টিকে অর্থনীতিতে ক্ষতিকর ‘টিউমার’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে এই প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, বিগত সরকারের আমলে অর্থনীতি ও সম্পদের বড় অংশ এই ক্ষতিকর টিউমার চুষে নেয়।

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি মনে করে, প্রতিবছর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৪ শতাংশের পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ও প্রবাস আয় থেকে যত অর্থ এসেছে, এর এক-পঞ্চমাংশ পরিমাণ অর্থ এক বছরে পাচার হয়। বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ হিসেবে যত অর্থ আসে, এর দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ পাচার হয়।

 

দৈনিক ইত্তেফাকের একটি শিরোনাম “ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সুখবর দিলো মেক্সিকো”

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেক্সিকো ভ্রমণের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। ভিসা আবেদনের সুবিধা বাড়িয়েছে মেক্সিকো সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের যে কোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বের অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেক্সিকো ভ্রমণের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। ভিসা আবেদনের সুবিধা বাড়িয়েছে মেক্সিকো সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের যে কোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বের অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসার আবেদনের জন্য দিল্লিতে মেক্সিকান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হতো।

মেক্সিকান অভিবাসন বিধিমালা সব দেশের দর্শনার্থীদের মেক্সিকান ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিন পর্যন্ত প্রবেশের অনুমতি দেয়, তবে শর্ত থাকে যে তাদের কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের বা শেনজেন অঞ্চলের যে কোনও দেশের বৈধ পাসপোর্ট এবং বৈধ ভিসা থাকতে হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই সুবিধা বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বৃহত্তর যোগাযোগ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে চাই”

দেশের ক্রান্তিকালে সেনাবাহিনী পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে গতকাল বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের সংবর্ধনা এবং সেনাবাহিনীর শান্তিকালীন পদক অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, ‘সামনে কঠিন সময় পার করে দেশ ও জাতিকে নিরাপদ জায়গায় আমরা নিয়ে যেতে চাই।’

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, ‘দেশ ও জাতি গঠনের বিভিন্ন কাজে আমরা নিয়োজিত আছি। ইউএন মিশনে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণেও কাজ করছি এবং আমরা পারদর্শিতা অর্জন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘সামনে একটু কঠিন সময় পার করতে হবে। আমরা যেন দেশ ও জাতিকে একটা ভালো জায়গায় এবং নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে পারি, সে জন্য আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে ইনশা আল্লাহ দেশের ক্রান্তিলগ্ন থেকে দেশকে উদ্ধার করতে সক্ষম হব। একটা শান্তি-সুশৃঙ্খল ভবিষ্যতের দিকে যেতে সক্ষম হব।’

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন। এছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শান্তিকালে বিভিন্ন বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন সেনাবাহিনী পদক (এসবিপি), পাঁচজন অসামান্য সেবা পদক (ওএসপি) ও ১৮ জন বিশিষ্ট সেবা পদক (বিএসপি) প্রাপ্ত সর্বমোট ২৮ জন সেনাসদস্যকে পদক পরিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাথা এবং শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের কর্মকাণ্ডের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

 

মানবজমিনের একটি শিরোনাম “যে কারণে সাজার রায় বাতিল”

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে এই রায় দেন। আদালত আসামিদের আপিল গ্রহণ করে রুল যথাযথ ঘোষণা করেন এবং ডেথ রেফারেন্স বাতিল করে মোট ৪৯ জনকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার, রাসেল আহমেদ এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লাবনী আক্তার। বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টুসহ দণ্ডিত বেশ কয়েকজনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রায়ের পর্যবেক্ষণে উচ্চ আদালত বলেছেন, শোনা সাক্ষীর ভিত্তিতে বিচারিক আদালত রায় দিয়েছিল।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় রায়কে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা সব মামলা ছিল ষড়যন্ত্রমূলক।