০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
থোয়েটস হিমবাহে ভয়াবহ ধাক্কা, বরফে বন্দি যন্ত্রে ও মিলল উষ্ণ সাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত চীনের ক্ষমতার অন্দরে হঠাৎ কম্পন, শি জিনপিংয়ের নতুন শুদ্ধি অভিযানে বাড়ছে সন্দেহ ও শঙ্কা দিশা পাটানির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে নীরবতা ভাঙলেন তালবিন্দর, জানালেন সম্পর্কের আসল অবস্থান রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের লিঙ্গ পরিবর্তন অস্ত্রোপচারে আপত্তি শীর্ষ চিকিৎসক সংগঠনের মার্কিন অভিজাতদের ‘অশ্লীল ঘনিষ্ঠতা’ ফাঁস, এপস্টিন নথি ঘিরে তীব্র মন্তব্য ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের ভেনেজুয়েলার তেলে শত বিলিয়ন ডলারের বাজি, ভরসা ভাঙা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভারতে গণবাতিল উড়ান নিয়ে বড় তদন্ত, প্রতিযোগিতা লঙ্ঘনের অভিযোগে চাপের মুখে ইন্ডিগো ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কিছুটা স্থবির ও বাধাগ্রস্ত ছিল: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি আলোচনায় বন্দি বিনিময় চুক্তি, তবু যুদ্ধবিরতি অনিশ্চিত

শিশু আয়ানের মৃত্যু : ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলের শুনানি ৫ মার্চ

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • 95

নিজস্ব প্রতিনিধি

রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনার জন্য অজ্ঞান করা শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি আগামী ৫ মার্চ। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রুল শুনানির জন্য বুধবার এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। ইউনাইটেড হাসপাতালের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। সাথে ছিলেন ব্যারিস্টার জারিন রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান। আর এই মামলায় ইন্টাভেনর হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সুন্নতে খতনা করানোর জন্য আয়ানকে সাঁতারকূল বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান অভিভাবকরা। খতনা শেষ হওয়ার পর আয়ানের জ্ঞান না ফেরায় তাকে সেখান থেকে পাঠানো হয় গুলশান-২ এর ইউনাইটেড হাসপাতালে। সেখানে পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। এর সাতদিন পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। এরপর আয়ানের মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করে আয়ানের পরিবারকে কেন পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চান আদালত।
হাইকোর্টের সে আদেশ অনুসারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক ডা. পরিমল কুমার পালের সই করা ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছিল। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনকে এক ধরনের আইওয়াশ বলে মন্তব্য করে প্রতিবেদনের সুপারিশকে হাস্যকর উল্লেখ করেন উচ্চ আদালত। এরপর হাইকোর্ট নতুন করে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ৫ সদস্য বিশিষ্ট সে কমিটির আহ্বায়ক করা হয় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার এ বি এম মাকসুদুল আলমকে। সচিব হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত এই বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি রিপোর্ট নথিভুক্ত করে আদালত রুল শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

থোয়েটস হিমবাহে ভয়াবহ ধাক্কা, বরফে বন্দি যন্ত্রে ও মিলল উষ্ণ সাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত

শিশু আয়ানের মৃত্যু : ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলের শুনানি ৫ মার্চ

০৭:০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি

রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনার জন্য অজ্ঞান করা শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি আগামী ৫ মার্চ। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রুল শুনানির জন্য বুধবার এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। ইউনাইটেড হাসপাতালের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। সাথে ছিলেন ব্যারিস্টার জারিন রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান। আর এই মামলায় ইন্টাভেনর হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সুন্নতে খতনা করানোর জন্য আয়ানকে সাঁতারকূল বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান অভিভাবকরা। খতনা শেষ হওয়ার পর আয়ানের জ্ঞান না ফেরায় তাকে সেখান থেকে পাঠানো হয় গুলশান-২ এর ইউনাইটেড হাসপাতালে। সেখানে পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। এর সাতদিন পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। এরপর আয়ানের মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করে আয়ানের পরিবারকে কেন পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চান আদালত।
হাইকোর্টের সে আদেশ অনুসারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক ডা. পরিমল কুমার পালের সই করা ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছিল। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনকে এক ধরনের আইওয়াশ বলে মন্তব্য করে প্রতিবেদনের সুপারিশকে হাস্যকর উল্লেখ করেন উচ্চ আদালত। এরপর হাইকোর্ট নতুন করে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ৫ সদস্য বিশিষ্ট সে কমিটির আহ্বায়ক করা হয় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার এ বি এম মাকসুদুল আলমকে। সচিব হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত এই বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি রিপোর্ট নথিভুক্ত করে আদালত রুল শুনানির দিন ধার্য করেছেন।