১২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়ায় ডিজেল ভর্তুকি ব্যবস্থায় আসছে বড় পরিবর্তন, শিথিল হচ্ছে যোগ্যতার নিয়ম ২০২৪ সাল থেকে একাধিক দেশে মাদক পাচার করেছেন মালয়েশিয়ার পাইলট প্রথমবারেই বাজিমাত, ‘তিউইকার্মা’ দিয়ে সেরার মুকুট কেওআইয়ের বাবাকে কাঁদিয়ে নয়, হাসিয়েই মনে রাখেন জেনহান কোভিডের অতিরিক্ত মৃত্যু নিয়ে বিতর্কিত গবেষণা প্রত্যাহার ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেসে শক্তিশালী ভূমিকম্প, ৫৩ জনের মৃত্যু; ত্রাণের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ ট্রাম্পের কড়া ভিসা নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন ভারত ও চীনের প্রযুক্তি প্রতিভারা ভুয়া খবরও ছড়ায় মহামারির মতো, রুখবে কীভাবে? ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই বদলে দিল জীবনের অর্থ, ৩ বার অস্ত্রোপচারের পর নতুন পথে উদ্যোক্তা ব্ল্যাকবেরির টক-মিষ্টি ঘূর্ণিতে চিজকেক ব্রাউনি

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪
  • 226

ঘন বাঁশবনে ওই পাণ্ডা আর লোশাং-এর তিন বোন চোখের জল ফেলতে ফেলতে লোশাং- এর মৃতদেহ কবর দিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানকার আকাশে ভেসে এলো এক রঙ্গীন মেঘের টুকরো, আর তার ওপর দাঁড়িয়ে লোশাং।

সে তার তিন বোনকে বলল, “তোমরা হিংস্র- পশুদের বধ করে পাণ্ডাদের রক্ষা করবে।” বলেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। তিন বোন আর পাণ্ডা তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল; কাঁদতে কাঁদতে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এমন সময় কড়-কড়াৎ করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, মাটি কেঁপে উঠল, পাহাড় দুলতে লাগল। পাণ্ডাটি মাথা তুলে দেখল, লোশাং আর তিন বোন চারটি গগনচুম্বী পাহাড়ে পরিণত হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।

সেই পাহাড় চারটিই আজকের “চার-কন্যার পর্বত” নামে খ্যাত। পাণ্ডার মন শোকে আর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠল। প্রতিদিনই সে লোশাং বোনেদের কথা মনে ভাবত। ভাবতে ভাবতে তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়ত। অনেকদিন কেটে গেল। প্রতিদিন এভাবে চোখের জল ফেলার ফলে তার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গেল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ডিজেল ভর্তুকি ব্যবস্থায় আসছে বড় পরিবর্তন, শিথিল হচ্ছে যোগ্যতার নিয়ম

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৫)

০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

ঘন বাঁশবনে ওই পাণ্ডা আর লোশাং-এর তিন বোন চোখের জল ফেলতে ফেলতে লোশাং- এর মৃতদেহ কবর দিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানকার আকাশে ভেসে এলো এক রঙ্গীন মেঘের টুকরো, আর তার ওপর দাঁড়িয়ে লোশাং।

সে তার তিন বোনকে বলল, “তোমরা হিংস্র- পশুদের বধ করে পাণ্ডাদের রক্ষা করবে।” বলেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। তিন বোন আর পাণ্ডা তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল; কাঁদতে কাঁদতে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এমন সময় কড়-কড়াৎ করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, মাটি কেঁপে উঠল, পাহাড় দুলতে লাগল। পাণ্ডাটি মাথা তুলে দেখল, লোশাং আর তিন বোন চারটি গগনচুম্বী পাহাড়ে পরিণত হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।

সেই পাহাড় চারটিই আজকের “চার-কন্যার পর্বত” নামে খ্যাত। পাণ্ডার মন শোকে আর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠল। প্রতিদিনই সে লোশাং বোনেদের কথা মনে ভাবত। ভাবতে ভাবতে তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়ত। অনেকদিন কেটে গেল। প্রতিদিন এভাবে চোখের জল ফেলার ফলে তার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গেল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)