০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
বিলুপ্তির মুখে কাকাপো, রিমু ফলেই ফিরছে আশার আলো ডিজিটাল সরকারে আস্থা শক্তিশালী করার পাঁচটি উপায় অ্যাস্টন মার্টিনের দুঃস্বপ্নের শুরু, কম্পনে বিপর্যস্ত গাড়ি, চালকদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে শেভ্রোলেটের দখলে উজবেকিস্তান, চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাপে বদলাচ্ছে ‘শেভ্রোলেটস্তান’ এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা: পরিবর্তনের চাপে নীতি ও বাজারের লড়াই ভরপুর বাজার, তবু সংকটে চীনের খামার শিল্প ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪
  • 175

ঘন বাঁশবনে ওই পাণ্ডা আর লোশাং-এর তিন বোন চোখের জল ফেলতে ফেলতে লোশাং- এর মৃতদেহ কবর দিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানকার আকাশে ভেসে এলো এক রঙ্গীন মেঘের টুকরো, আর তার ওপর দাঁড়িয়ে লোশাং।

সে তার তিন বোনকে বলল, “তোমরা হিংস্র- পশুদের বধ করে পাণ্ডাদের রক্ষা করবে।” বলেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। তিন বোন আর পাণ্ডা তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল; কাঁদতে কাঁদতে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এমন সময় কড়-কড়াৎ করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, মাটি কেঁপে উঠল, পাহাড় দুলতে লাগল। পাণ্ডাটি মাথা তুলে দেখল, লোশাং আর তিন বোন চারটি গগনচুম্বী পাহাড়ে পরিণত হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।

সেই পাহাড় চারটিই আজকের “চার-কন্যার পর্বত” নামে খ্যাত। পাণ্ডার মন শোকে আর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠল। প্রতিদিনই সে লোশাং বোনেদের কথা মনে ভাবত। ভাবতে ভাবতে তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়ত। অনেকদিন কেটে গেল। প্রতিদিন এভাবে চোখের জল ফেলার ফলে তার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গেল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলুপ্তির মুখে কাকাপো, রিমু ফলেই ফিরছে আশার আলো

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৫)

০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

ঘন বাঁশবনে ওই পাণ্ডা আর লোশাং-এর তিন বোন চোখের জল ফেলতে ফেলতে লোশাং- এর মৃতদেহ কবর দিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানকার আকাশে ভেসে এলো এক রঙ্গীন মেঘের টুকরো, আর তার ওপর দাঁড়িয়ে লোশাং।

সে তার তিন বোনকে বলল, “তোমরা হিংস্র- পশুদের বধ করে পাণ্ডাদের রক্ষা করবে।” বলেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। তিন বোন আর পাণ্ডা তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল; কাঁদতে কাঁদতে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এমন সময় কড়-কড়াৎ করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, মাটি কেঁপে উঠল, পাহাড় দুলতে লাগল। পাণ্ডাটি মাথা তুলে দেখল, লোশাং আর তিন বোন চারটি গগনচুম্বী পাহাড়ে পরিণত হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।

সেই পাহাড় চারটিই আজকের “চার-কন্যার পর্বত” নামে খ্যাত। পাণ্ডার মন শোকে আর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠল। প্রতিদিনই সে লোশাং বোনেদের কথা মনে ভাবত। ভাবতে ভাবতে তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়ত। অনেকদিন কেটে গেল। প্রতিদিন এভাবে চোখের জল ফেলার ফলে তার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গেল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)