০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নজরদারিতে ৭০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল অনুমোদন, ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষা আমেরিকার সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল সংকটে, ২০৩৩ সালের আগেই ফুরিয়ে যেতে পারে সঞ্চয় নিখোঁজ সাংবাদিক ইয়াসির আয়াজ চার দিন পর উদ্ধার, ফিরলেন পরিবারের কাছে ইমরান খানের পুনর্বিবেচনা আবেদনের রায় বৃহস্পতিবার, শেহবাজের মানহানি মামলায় নতুন মোড় বেলুচিস্তানে অভিযানে নিহত ১৪ সশস্ত্র সদস্য, প্রাণ হারালেন এক সেনা সদস্য বিদেশে গিয়ে আশ্রয় আবেদন, দেশে না ফেরা হাজারো পাকিস্তানি নিয়ে উদ্বেগ পাকিস্তান এশিয়ান গেমসে নতুন অধিনায়ক, সাহিবজাদা ফারহানের নেতৃত্বে দল ঘোষণা ১২ বছর শিকলে বন্দি নারী উদ্ধার, বাবা-ভাই গ্রেপ্তার হরমুজের কাছে নতুন মার্কিন হামলার পর জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাত করাচিতে ‘অনুভূত তাপমাত্রা’ ৪৮ ডিগ্রি, তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪
  • 201

ঘন বাঁশবনে ওই পাণ্ডা আর লোশাং-এর তিন বোন চোখের জল ফেলতে ফেলতে লোশাং- এর মৃতদেহ কবর দিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানকার আকাশে ভেসে এলো এক রঙ্গীন মেঘের টুকরো, আর তার ওপর দাঁড়িয়ে লোশাং।

সে তার তিন বোনকে বলল, “তোমরা হিংস্র- পশুদের বধ করে পাণ্ডাদের রক্ষা করবে।” বলেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। তিন বোন আর পাণ্ডা তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল; কাঁদতে কাঁদতে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এমন সময় কড়-কড়াৎ করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, মাটি কেঁপে উঠল, পাহাড় দুলতে লাগল। পাণ্ডাটি মাথা তুলে দেখল, লোশাং আর তিন বোন চারটি গগনচুম্বী পাহাড়ে পরিণত হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।

সেই পাহাড় চারটিই আজকের “চার-কন্যার পর্বত” নামে খ্যাত। পাণ্ডার মন শোকে আর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠল। প্রতিদিনই সে লোশাং বোনেদের কথা মনে ভাবত। ভাবতে ভাবতে তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়ত। অনেকদিন কেটে গেল। প্রতিদিন এভাবে চোখের জল ফেলার ফলে তার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গেল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নজরদারিতে ৭০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল অনুমোদন, ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষা

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৫)

০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

ঘন বাঁশবনে ওই পাণ্ডা আর লোশাং-এর তিন বোন চোখের জল ফেলতে ফেলতে লোশাং- এর মৃতদেহ কবর দিচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানকার আকাশে ভেসে এলো এক রঙ্গীন মেঘের টুকরো, আর তার ওপর দাঁড়িয়ে লোশাং।

সে তার তিন বোনকে বলল, “তোমরা হিংস্র- পশুদের বধ করে পাণ্ডাদের রক্ষা করবে।” বলেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। তিন বোন আর পাণ্ডা তখন হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল; কাঁদতে কাঁদতে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এমন সময় কড়-কড়াৎ করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল, মাটি কেঁপে উঠল, পাহাড় দুলতে লাগল। পাণ্ডাটি মাথা তুলে দেখল, লোশাং আর তিন বোন চারটি গগনচুম্বী পাহাড়ে পরিণত হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।

সেই পাহাড় চারটিই আজকের “চার-কন্যার পর্বত” নামে খ্যাত। পাণ্ডার মন শোকে আর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠল। প্রতিদিনই সে লোশাং বোনেদের কথা মনে ভাবত। ভাবতে ভাবতে তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়ত। অনেকদিন কেটে গেল। প্রতিদিন এভাবে চোখের জল ফেলার ফলে তার চোখের চারপাশ কালো হয়ে গেল।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২৪)