০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
হাইলাইট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম–গেস্টরুম বন্ধ হয়েছে, ‘ট্যাগ’ দিয়ে নির্যাতন থামেনি ‘ফেডএক্স পার্সেলে মাদক’-ফোনকলেই ফাঁদে পড়লেন ভারতীয় কৌতুকশিল্পী চীন-রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র: নতুন এক ত্রিভুজ রাজনীতির সূচনা? গাজার নীরব কারাগার আর বিশ্বের বিবেকহীনতা রুপির সংকট শুধু মুদ্রার নয়, আস্থারও পরীক্ষা ঢাকার পশুর হাট ইজারায় বিএনপির প্রাধান্য, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে জামায়াত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ধবলধোলাই, তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা শান্তিনগরের শপিং মলে আগুন, দগ্ধ চারজন হাসপাতালে ভারতে ৪৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় অচল বান্দা, সকাল ১০টার পরই থেমে যায় জনজীবন তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ভয়াবহ ধস, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে বড় শঙ্কা

সীমান্ত বিরোধে আটকে না থেকে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চান শি জিনপিং

সীমান্ত নয়, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি দরকার

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, সীমান্ত সমস্যা যেন চীন-ভারত সম্পর্কের মূল সংজ্ঞা না হয়ে ওঠে। রবিবার তিনি সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এ কথা বলেন। শি মনে করিয়ে দেন, দুই দেশের সম্পর্ককে একটি “কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি” থেকে দেখা দরকার।

 

সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের প্রেক্ষাপট

উত্তর চীনের তিয়ানজিন শহরে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে শি ও মোদির বৈঠক হয়। এ সময় শি বলেন, চীন ও ভারত কেবল ভালো প্রতিবেশী হিসেবেই নয়, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ তথ্য রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে জানানো হয়।

মোদির সফরের তাৎপর্য

এটি মোদির সাত বছর পর প্রথম চীন সফর। এমন এক সময়ে এই সফর হচ্ছে, যখন দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

সারসংক্ষেপে, শি জিনপিংয়ের বার্তা হলো—সীমান্ত সমস্যাকে অতিক্রম করে চীন ও ভারতের উচিত কৌশলগত দূরদৃষ্টি নিয়ে একে অপরকে ভালো প্রতিবেশী ও বৈশ্বিক দক্ষিণের শক্তি হিসেবে এগিয়ে নেওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইলাইট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম–গেস্টরুম বন্ধ হয়েছে, ‘ট্যাগ’ দিয়ে নির্যাতন থামেনি

সীমান্ত বিরোধে আটকে না থেকে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চান শি জিনপিং

১০:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সীমান্ত নয়, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি দরকার

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, সীমান্ত সমস্যা যেন চীন-ভারত সম্পর্কের মূল সংজ্ঞা না হয়ে ওঠে। রবিবার তিনি সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এ কথা বলেন। শি মনে করিয়ে দেন, দুই দেশের সম্পর্ককে একটি “কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি” থেকে দেখা দরকার।

 

সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের প্রেক্ষাপট

উত্তর চীনের তিয়ানজিন শহরে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে শি ও মোদির বৈঠক হয়। এ সময় শি বলেন, চীন ও ভারত কেবল ভালো প্রতিবেশী হিসেবেই নয়, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ তথ্য রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে জানানো হয়।

মোদির সফরের তাৎপর্য

এটি মোদির সাত বছর পর প্রথম চীন সফর। এমন এক সময়ে এই সফর হচ্ছে, যখন দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

সারসংক্ষেপে, শি জিনপিংয়ের বার্তা হলো—সীমান্ত সমস্যাকে অতিক্রম করে চীন ও ভারতের উচিত কৌশলগত দূরদৃষ্টি নিয়ে একে অপরকে ভালো প্রতিবেশী ও বৈশ্বিক দক্ষিণের শক্তি হিসেবে এগিয়ে নেওয়া।