০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শারজাহর আল ধাইদে ঐতিহ্য ও প্রকৃতির নতুন পরিক্রমা উন্মোচন অ্যান্টিবায়োটিক নিজে খেলে বাড়ছে মহাবিপদ, সতর্ক করলেন চিকিৎসকেরা বিদেশে পড়াশোনা করতে চান? আবেদনকে আলাদা করে তুলতে কী করবেন দুবাইয়ে রমজানে ১৬ লাখ মানুষের জন্য বিনামূল্যে ইফতার, ৭০ মিলিয়ন দিরহামের মানবিক কর্মসূচি শুরু ভিয়েতনামে একশ কোটি ডলারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্লাউড বিনিয়োগে যুক্ত আরব আমিরাতের জি৪২, গড়ছে আঞ্চলিক প্রযুক্তি কেন্দ্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্বে পশ্চিম তীর ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএইডের পতন ছিল অশনি সংকেত ইরানের শর্ত স্পষ্ট: সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কমানোর পথ, শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিসের কারাদণ্ড ঘিরে নতুন উত্তাপ লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনী মিছিলে হৃদ্‌রোগে দুই কর্মীর মৃত্যু ২০২৫ সালে দুবাই পর্যটনে নতুন রেকর্ড, আন্তর্জাতিক দর্শনার্থী ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯০ হাজার

ভূতের দুঃস্বপ্ন

আজ রাতে একটা ভূত এসে বড় নিঃশব্দে
শিয়রে বসলো আমার-
তখন আমিও ছিলাম গভীর ঘুমে
যেমন অমাবস্যার রাতে ঘুমিয়ে থাকে বিস্তীর্ণ পদ্মা ও মেঘনার মোহনা।

ভূতকে বার বার বলি –
ভেঙো না আমার গভীর ঘুম।

তবু বলে-
সে তো আর নেই-
তবুও কেন এত দুঃস্বপ্ন
তাকে জড়িয়ে ধরছে।
কেন সে তার চারপাশে কেবলই শুনতে পাচ্ছে
স্প্লিন্টারে জর্জরিত কিছু নারীর সারারাতের আর্তনাদ।
কেন সে বার বার দেখতে পাচ্ছে
রক্তে ভেসে যাওয়া রাস্তা-
কেন অর্ধেক দেহের একটি অনিন্দ্য সুন্দরী নারী মুখ
তার দিকে শুধু নিথর হয়ে যাওয়া চোখে তাকাচ্ছে।
আমি চিৎকার করে বলি
তুমি আর এইসব দুঃস্বপ্ন আমাকে শুনিও না-
তবু সে বলে –
সে এখন কেঁপে ওঠে
যখনই বার বার একের পর এক কিশোরীর মাতৃজনন অঙ্গ
রক্তে ভেসে যায়- অচেতন হয় তাদের শরীর
পালাক্রম ধর্ষকের অত্যাচারে-
আমি দু হাতে তাকে দূরে ঠেলে দিতে যাই-
বলতে চাই, কী পেয়েছো তুমি আমাকে –
আমাকে ঘুমাতে দাও-
আমার কণ্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না।
শব্দেরা কি এমনি কখনও কখনও মৃত থাকে?

জনপ্রিয় সংবাদ

শারজাহর আল ধাইদে ঐতিহ্য ও প্রকৃতির নতুন পরিক্রমা উন্মোচন

ভূতের দুঃস্বপ্ন

১০:০২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ রাতে একটা ভূত এসে বড় নিঃশব্দে
শিয়রে বসলো আমার-
তখন আমিও ছিলাম গভীর ঘুমে
যেমন অমাবস্যার রাতে ঘুমিয়ে থাকে বিস্তীর্ণ পদ্মা ও মেঘনার মোহনা।

ভূতকে বার বার বলি –
ভেঙো না আমার গভীর ঘুম।

তবু বলে-
সে তো আর নেই-
তবুও কেন এত দুঃস্বপ্ন
তাকে জড়িয়ে ধরছে।
কেন সে তার চারপাশে কেবলই শুনতে পাচ্ছে
স্প্লিন্টারে জর্জরিত কিছু নারীর সারারাতের আর্তনাদ।
কেন সে বার বার দেখতে পাচ্ছে
রক্তে ভেসে যাওয়া রাস্তা-
কেন অর্ধেক দেহের একটি অনিন্দ্য সুন্দরী নারী মুখ
তার দিকে শুধু নিথর হয়ে যাওয়া চোখে তাকাচ্ছে।
আমি চিৎকার করে বলি
তুমি আর এইসব দুঃস্বপ্ন আমাকে শুনিও না-
তবু সে বলে –
সে এখন কেঁপে ওঠে
যখনই বার বার একের পর এক কিশোরীর মাতৃজনন অঙ্গ
রক্তে ভেসে যায়- অচেতন হয় তাদের শরীর
পালাক্রম ধর্ষকের অত্যাচারে-
আমি দু হাতে তাকে দূরে ঠেলে দিতে যাই-
বলতে চাই, কী পেয়েছো তুমি আমাকে –
আমাকে ঘুমাতে দাও-
আমার কণ্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না।
শব্দেরা কি এমনি কখনও কখনও মৃত থাকে?