০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
সৌদিতে পর্যটন ব্যয় রেকর্ড ১০৫ বিলিয়ন রিয়াল, অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে বড় উত্থান দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েল-সমর্থিত মিলিশিয়া প্রধান নিহত: পোস্ট-যুদ্ধ পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা ইউরোপের নতুন টেকসই আইন নিয়ে উপসাগরীয় উদ্বেগ: ইউরোপে ব্যবসা ঝুঁকিতে পড়তে পারে গালফ কোম্পানিগুলো ইন্দোনেশিয়ায় ধ্বংস হওয়া ধানক্ষেত দ্রুত পুনর্গঠনের ঘোষণা ইমরান খানকে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ বলল সেনাবাহিনী ভারত মহাসাগরের ঝড়ের তাণ্ডব: ইন্দোনেশিয়া থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত ক্ষতি ৩০ বিলিয়ন ডলার মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়েই ১১ জুন পর্দা উঠছে বিশ্বকাপ ২০২৬ টেসলার জাপানজুড়ে চার্জিং নেটওয়ার্ক বিস্তার: ২০২৭-এর মধ্যে ১,০০০+ সুপারচার্জার ভিয়েতনামের রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্ত: যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি জোয়ারেই নতুন উচ্চতা ভিয়েতনামে বাড়ির দামে দিশেহারা তরুণ প্রজন্ম: হ্যানয়–হো চি মিন সিটিতে বিলাসবহুল কনডোই এখন মূল বাধা

ভূতের দুঃস্বপ্ন

আজ রাতে একটা ভূত এসে বড় নিঃশব্দে
শিয়রে বসলো আমার-
তখন আমিও ছিলাম গভীর ঘুমে
যেমন অমাবস্যার রাতে ঘুমিয়ে থাকে বিস্তীর্ণ পদ্মা ও মেঘনার মোহনা।

ভূতকে বার বার বলি –
ভেঙো না আমার গভীর ঘুম।

তবু বলে-
সে তো আর নেই-
তবুও কেন এত দুঃস্বপ্ন
তাকে জড়িয়ে ধরছে।
কেন সে তার চারপাশে কেবলই শুনতে পাচ্ছে
স্প্লিন্টারে জর্জরিত কিছু নারীর সারারাতের আর্তনাদ।
কেন সে বার বার দেখতে পাচ্ছে
রক্তে ভেসে যাওয়া রাস্তা-
কেন অর্ধেক দেহের একটি অনিন্দ্য সুন্দরী নারী মুখ
তার দিকে শুধু নিথর হয়ে যাওয়া চোখে তাকাচ্ছে।
আমি চিৎকার করে বলি
তুমি আর এইসব দুঃস্বপ্ন আমাকে শুনিও না-
তবু সে বলে –
সে এখন কেঁপে ওঠে
যখনই বার বার একের পর এক কিশোরীর মাতৃজনন অঙ্গ
রক্তে ভেসে যায়- অচেতন হয় তাদের শরীর
পালাক্রম ধর্ষকের অত্যাচারে-
আমি দু হাতে তাকে দূরে ঠেলে দিতে যাই-
বলতে চাই, কী পেয়েছো তুমি আমাকে –
আমাকে ঘুমাতে দাও-
আমার কণ্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না।
শব্দেরা কি এমনি কখনও কখনও মৃত থাকে?

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে পর্যটন ব্যয় রেকর্ড ১০৫ বিলিয়ন রিয়াল, অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে বড় উত্থান

ভূতের দুঃস্বপ্ন

১০:০২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ রাতে একটা ভূত এসে বড় নিঃশব্দে
শিয়রে বসলো আমার-
তখন আমিও ছিলাম গভীর ঘুমে
যেমন অমাবস্যার রাতে ঘুমিয়ে থাকে বিস্তীর্ণ পদ্মা ও মেঘনার মোহনা।

ভূতকে বার বার বলি –
ভেঙো না আমার গভীর ঘুম।

তবু বলে-
সে তো আর নেই-
তবুও কেন এত দুঃস্বপ্ন
তাকে জড়িয়ে ধরছে।
কেন সে তার চারপাশে কেবলই শুনতে পাচ্ছে
স্প্লিন্টারে জর্জরিত কিছু নারীর সারারাতের আর্তনাদ।
কেন সে বার বার দেখতে পাচ্ছে
রক্তে ভেসে যাওয়া রাস্তা-
কেন অর্ধেক দেহের একটি অনিন্দ্য সুন্দরী নারী মুখ
তার দিকে শুধু নিথর হয়ে যাওয়া চোখে তাকাচ্ছে।
আমি চিৎকার করে বলি
তুমি আর এইসব দুঃস্বপ্ন আমাকে শুনিও না-
তবু সে বলে –
সে এখন কেঁপে ওঠে
যখনই বার বার একের পর এক কিশোরীর মাতৃজনন অঙ্গ
রক্তে ভেসে যায়- অচেতন হয় তাদের শরীর
পালাক্রম ধর্ষকের অত্যাচারে-
আমি দু হাতে তাকে দূরে ঠেলে দিতে যাই-
বলতে চাই, কী পেয়েছো তুমি আমাকে –
আমাকে ঘুমাতে দাও-
আমার কণ্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না।
শব্দেরা কি এমনি কখনও কখনও মৃত থাকে?